April 30, 2015

চেনা সিলেবাসের কুইজ (উত্তর প্রকাশিত)



উৎস গুগল ইমেজেস

আমাদের সবার খুব চেনা একটা সিলেবাস থেকে নিচের সাতটা প্রশ্ন রইল আজকের কুইজের জন্য। কোনও স্কুলে এ সিলেবাস মানা হত না, আর তাই এটা কমপ্লিট করতে কোনওদিন কোনও অসুবিধে হয়নি। যদিও অনেকদিন আগে পড়া তবু মনেও আছে দিব্যি।

উত্তর দেওয়ার জন্য সময় রইল চব্বিশ ঘণ্টা। উত্তর বেরোবে দেশে শুক্রবার বেলা একটায়। ততক্ষণ আমি কমেন্ট পাহারা দেব।

অল দ্য বেস্ট। 

*****

১।। রানী বললেন – কোন লাজে গহনার কথা মুখে আনব? মহারাজ, আমার জন্য পোড়ামুখ একটা _____ এনো।
ক) ছাগল
খ) বাঁদর
গ) বাছুর

২। ____ গির্জের কাছে আপিস।
ক) আর্মানি
খ) ভবানীপুর কন্‌গ্রেগেশনাল
গ) সেন্ট থমাস

৩। উদ্ধব মণ্ডল জাতিতে ____।
ক) ব্রাহ্মণ
খ) সদগোপ
গ) কায়স্থ

৪। নন্টেফন্টের সুপারিনটেনডেনটের নাম
ক) রমাকান্ত কামার
খ) মুচিরাম গুড়
গ) হাতিরাম পাতি

৫। “. . . আমার বয়স পঁয়ষট্টি বৎসর, তাহার পর আমাকে দেখিয়া কেহ বলে না যে, ইনি সাক্ষাৎ কন্দর্প-পুরুষ। নিজের কথা নিজে বলিতে ক্ষতি নাই, - এই দেখ, আমার দেহার বর্ণটি ঠিক যেন দময়ন্তীর পোড়া শোউল মাছ। দাঁত একটীও নাই, মাথার মাঝখানে টাক, তারা চারিদিকে চুল, তাহাতে একগাছিও কাঁচা চুল নাই, মুখে ঠোঁটের দুই পাশে সাদা সাদা সব কি হইয়াছে।”

আমি কে?

৬। সত্যজিৎ রায়ের লেখা কোন গল্পের দুটি চরিত্রের নাম ভবতোষ সিংহ ও সোমেশ্বর রায়?

৭। বিশেষণের সঙ্গে নাম মেলান
সবজান্তা
শ্যামচাঁদ
চালিয়াৎ
হরিপ্রসন্ন
সব বিষয়ে সর্দারি করতে যাওয়া যার বদঅভ্যেস
দুলিরাম
কবি/ পোইট্রি লিখতে পারে
জগবন্ধু
ছবি আঁকে (এর বিখ্যাত ছবি খাণ্ডবদাহন, অবশ্য সীতার অগ্নিপরীক্ষাও হতে পারে)
শ্যামলাল
মন্দ কপাল
জলধর
ভালো ছেলে
ভোলানাথ
ডিটেকটিভ
হরিপদ
পেটুক
কালাচাঁদ
হিংসুটে ভিজেবেড়াল
নন্দলাল



*****


উত্তর

১। গ) বাঁদর
২। ক) আর্মানি
৩। খ) সদ্‌গোপ
৪। গ) হাতিরাম পাতি
৫। ডমরুধর
৬। জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা
৭।
সবজান্তা
দুলিরাম
চালিয়াৎ
শ্যামচাঁদ
সব বিষয়ে সর্দারি করতে যাওয়া যার বদঅভ্যেস
ভোলানাথ
কবি/ পোইট্রি লিখতে পারে
শ্যামলাল
ছবি আঁকে (এঁর বিখ্যাত ছবি খাণ্ডবদাহন, অবশ্য সীতার অগ্নিপরীক্ষাও হতে পারে)
কালাচাঁদ
মন্দ কপাল
নন্দলাল
ভালো ছেলে
হরিপ্রসন্ন
ডিটেঁকটিভ
জলধর
পেটুক
হরিপদ
হিংসুটে ভিজেবেড়াল
জগবন্ধু



April 24, 2015

সাপ্তাহিক বর্তমান ও সাপ্তাহিকী





The truth may be out there, but lies are inside your head.
                                           ---Terry Pratchett

হাসিঠাট্টার কথা বলতে হলে আমার মা আমাকে এস এম এস করেন (একসময় মা টেক্সট মেসেজে দাঁড়িকমা দিতে পারতেন না, টানা বাক্য লিখে যেতেন। সোনা আজ দাদাগিরিতে একটা দারুণ জোক শুনলাম তিনটে লোক একটা বাঙালি একটা পাঞ্জাবি একটা বিহারি . . . ইত্যাদি। সেই মা এখন দাঁড়ি কমা সেমিকোলন হাইফেন সব তো দেনই, সেদিন দেখলাম মেসেজের শেষে একটা চোখ-টিপুনি স্মাইলিও জুড়ে পাঠিয়েছেন) রোজকার সাধারণ কথাবার্তা ফোনে বলেন। আর জরুরি ব্যাপারস্যাপার ই-মেলে লেখেন। মানুষের মনের বিকাশে স্বাস্থ্যরক্ষার প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত প্রবন্ধের লিংক, সাম্প্রতিক কোনও পরিস্থিতিতে আমার বেকুবের মতো আচরণের প্রতি মৃদু ভর্ৎসনা ইত্যাদি থাকে সে সব মেলে। তবে সবথেকে বেশি যেটা থাকে তা হল বিভিন্ন খাবারদাবারের উপযোগিতা। টমেটো, খেজুর, কালমেঘ বা কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে কিংবা মাথায় মাখলে যে কী ভয়ংকর সব উপকার হয়, ফস করে মানুষ অমরও হয়ে যেতে পারে, কিছুই বলা যায় না, সে সব তথ্য মা ই-মেলে লিখে পাঠান আমাকে। বুলেট পয়েন্ট সহযোগে। ইমপর্ট্যান্ট জায়গাগুলো বোল্ড, ইট্যালিকস এবং আন্ডারলাইন সহকারে।

এই সব মেল পেলেই আমি যে কথাটা প্রথম বুঝতে পারি সেটার সঙ্গে আমার, আমার মায়ের কিংবা ওই সব ফলমূল তরিতরকারির কোনও সম্পর্ক নেই। এই সব মেল দেখলেই আমি বুঝে যাই যে এ সপ্তাহের সাপ্তাহিক বর্তমানের প্রচ্ছদ নিবন্ধের বিষয় কী। টমেটোর উপকারিতা না কাঁচা হলুদের কারসাজি।

আমাদের বাড়িতে একসময় আনন্দবাজার, স্টেটসম্যান, আনন্দমেলা দেশ আর সাপ্তাহিক বর্তমান আসত। একে একে সবগুলো পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেল। কোনওটা বন্ধ হল পড়ুয়ার অভাবে, কোনওটা বন্ধ করতে বাবামা গভীর দুঃখ পেলেন, কোনওটাকে তাড়িয়ে ভাবলেন আপদ গেছে। টিঁকে গেল শুধু সাপ্তাহিক বর্তমান।

এখন না হয় আমি মায়ের নাগালের বাইরে, যখন নাগালের ভেতর ছিলাম আর মা দরকার মতো আমাকে সকালে কাঁচা হলুদ আর বিকেলে গাজরসেদ্ধ আমার গলাধঃকরণ করাতে পারতেন, আমার ইচ্ছেঅনিচ্ছের তোয়াক্কা না করেই, তখনও সাপ্তাহিক বর্তমান আমার আর আমার মায়ের সম্পর্কের একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা জুড়ে ছিল। শনিরবিবার দুপুরে খাওয়াদাওয়া সেরে শোওয়ার ঘরে ফ্যান চালিয়ে মেঝেতে শোওয়া হত। আমি চিরকালই ফুলের ঘায়ে মূর্ছা যাওয়া টাইপ ছিলাম, শক্ত মেঝেতে মাথা রাখলে পাছে ঘিলু নড়ে যায় সেই ভয়ে আমি একখানা বালিশ জোগাড় করে আনতাম। মায়ের জন্য আনব কি না জিজ্ঞাসা করলে মা আঁতকে উঠে বলতেন, “পাগল, এই গরমে বালিশ! তাছাড়া আমার তো অটোমেটিক বালিশ আছে, এই যে?” এই বলে খোঁপাটাকে মাথার নিচে বালিশের মতো ফিট করে নিয়ে পাশে রাখা সাপ্তাহিক বর্তমানটা তুলে নিয়ে গম্ভীর গলায় বলতেন, “দেখি তো এ সপ্তাহে আমার রাশিফলটা মিলল কি না।”

আমিও উৎসাহের সঙ্গে “দেখি দেখি” করে আমার রাশিফল দেখতে গলা বাড়াতাম। অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত সব ভবিষ্যদ্বাণী, সেগুলো না মেলার কোনও কারণই নেই। সপ্তাহের আদ্যভাগে উদারহস্তে খরচ করলে অন্তভাগে টানাটানির সম্ভাবনা। বাড়িতে অসুস্থ আত্মীয় থাকলে তাঁর শরীর নিয়ে দুশ্চিন্তার সম্ভাবনা। পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ না হওয়ার সম্ভাবনা। মায়ের আর আমার, দুজনেরই রাশিফল অক্ষরে অক্ষরে মিলত, প্রতি সপ্তাহে। আমাদের মেলানো হয়ে গেলে মা মাঝে মাঝে গলা তুলে পাশের ঘরে থাকা বাবাকে জিজ্ঞাসা করতেন, “শুনছ, আমার আর সোনার তো মিলে গেছে, তোমার রাশিফলটা মিলিয়ে দেখবে নাকি?” বাবা জবাব দিতেন, “দেখে নিয়েছি। আমার বারোটা রাশিফলই মিলেছে।”

তারপর আমরা নিজেদের এই সব পচা রসিকতায় হাহাহিহি করে হাসতাম। মায়ের হাতে ধরা সাপ্তাহিক বর্তমানের পাতায় দক্ষিণের জানালা দিয়ে এসে পড়া নিমগাছের পাতার ছায়ার নড়াচড়া দেখে মনে হত গাছটাও যেন খুব দুলে দুলে হাসছে।

এ সপ্তাহের সাপ্তাহিকীতে হরোস্কোপ সংক্রান্ত দু’দুটো লিংক পাওয়ায় এত সব কথা মনে পড়ে গেল।



The Story of Boston Corbett, the Guy Who Killed the Guy Who Killed Lincoln.

আইনস্টাইন না মেরিলিন মনরো? আপনার চোখ কাকে দেখছে?


জীবনের বিভিন্ন সময় আমার বিভিন্ন মুদ্রাদোষ ছিল, তার মধ্যে একটা ছিল আঙুল মটকানো। খেলতে খেলতে, পড়তে পড়তে, ভাবতে ভাবতে, টিভি দেখতে দেখতে আমি ক্রমাগত আঙুল মটকাতাম, মটকেই যেতাম। বাবামা বকে, বুঝিয়েও ছাড়াতে পারছিলেন না। তারপর হঠাৎ একদিন কী হল, ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আঙুল মটকানোর রোগ আমার আর নেই, সে জায়গায় নিজের মাথার চুল ধরে টানাটানি করার রোগ এসে ধরেছে। এই এত বছর পর সেই আঙুল মটকানোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেল।


মাউন্ট এভারেস্টের বেখাপ্পা বদখত হাইটের রহস্য।

আমি এই খবরটা বিশ্বাস করার অনেক চেষ্টা করছি, কিন্তু পারছি না।

এই খবরটা আগের খবরটার থেকেও বেশি অবিশ্বাস্য। এবং ভয়ংকর।



April 22, 2015

গুনুন দেখি



সৌজন্যে সুগত

পোস্টের নাম আর ছবি দেখেই খেলাটা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, কাজেই আমার আর শব্দ খরচ করার দরকার নেই। ক’টা বাংলা শব্দ দেখতে পাচ্ছেন আপনি ওপরের ছবিটায়? বেশ কিছু পুনরাবৃত্তি আছে। সেগুলো বাদ দিয়ে শব্দের একটা তালিকা বানিয়ে কমেন্টে লিখে ফেলুন। কোনও প্রাইজ নেই, কিন্তু হাততালি আছে দেদার।

(ছবির ওপর ক্লিক করলে বড় হবে, তাতে শব্দ বুঝতে সুবিধে হতে পারে।)


April 21, 2015

A Questionnaire For The Immodest and Curious



ভেরা ও ভ্লাদিমির।
উৎস গুগল।

না লেখার পেছনে লোকে অনেক রকম অজুহাত দেয়। খাতা নেই, কলম নেই, টেবিল নেই, টিভির শব্দরোধী দেওয়াল নেই, সময় নেই, ইচ্ছে নেই, ইনসপিরেশন নেই। কিন্তু যদি করতেই হয় তবে কেন আমার ভেরা নাবোকভের মতো একজন পার্টনার নেই সেই নিয়ে হাহাকার করাই ভালো।

ভেরা নাবোকভ ছিলেন লোলিটার লেখক ভ্লাদিমির নাবোকভের স্ত্রী। এডিটর। টাইপিস্ট। সমালোচক। পাঠক। বডিগার্ড। নাবোকভের লেখা যখন বিতর্কের মধ্যমণি, তখন ভেরা ব্যাগে ছোট একটি বন্দুক নিয়ে ঘোরাফেরা করতেন। কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে রাশিয়ান লিটারেচার পড়ানোর সময় লোলিটা লেখা চলছিল। ছাত্ররা বিকেলবেলায় মাস্টারমশাইয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে দেখতেন লেখকসুলভ অ্যাংস্টের শিকার হয়ে পেছনের বাগানে আগুন জ্বালিয়ে তাতে ম্যানুস্ক্রিপ্ট ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন নাবোকভ, আর ভেরা আগুনের মধ্য থেকে তাকে সযত্নে কুড়িয়ে আনছেন।

নাবোকভ নিজেও জানতেন ভেরা তাঁর ও তাঁর সৃষ্টির কতখানি জুড়ে আছেন। নিজের প্রতিটি লেখা ভেরাকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন নাবোকভ। সারা জীবন ধরে ভেরাকে লেখা ভ্লাদিমিরের অসামান্য সব চিঠিতে তাঁদের অসাধারণ সম্পর্কের খানিকটা ছবি পাওয়া যায়। সে সব চিঠিতে প্রেম ছাড়াও ধাঁধা, কুইজ আরও নানা চিত্তাকর্ষক ব্যাপার থাকত। নিচের কোয়েশ্চেনেয়ারটি তাদের একটি নমুনা। নাবোকভ এটির নাম দিয়েছিলেন A questionnaire for the immodest and curious। আমি কিউরিয়াস নই, ইমমডেস্ট কি না সেটা নিজের মুখে বলতে মডেস্টিতে বাধছে, তবু আমি নিচের প্রশ্নপত্রের উত্তর দিলাম। আমার আশা আপনারাও দেবেন। আর এই সুযোগে আমি আপনাদের হাঁড়ির খবর জেনে নেব।

*****


A questionnaire for the immodest and curious


Name, patronymic, last name:  কুন্তলা বন্দ্যোপাধ্যায়

Pen-name, or a preferred pen-name:  আপাতত কোনও ছদ্মনাম নেই, নতুন করে রাখার বাসনাও নেই।

Age and preferred age: ৩৪ এবং ৩৪

Attitude to marriage: ভালো হলে স্বর্গ, মন্দ হলে নরক।

Attitude to children: আপাতত 'বাচ্চে, দূর সে আচ্ছে'।

Profession and preferred profession: বর্তমান পেশা গবেষণা করা। পছন্দের পেশা বলতে গিয়ে বান্টির একটা কথা মনে পড়ে গেল। বান্টি বলত, "আশীর্বাদ কর কুন্তলাদি, পরের জন্মে যেন রাজার অপদার্থ ভাই হয়ে জন্মাতে পারি।" রাজার ভাই কাজেই টাকার অভাব থাকবে না, আবার অপদার্থ কাজেই রাজ্যচালনার কোনও দায়দায়িত্বও কেউ ঘাড়ে চাপাতে আসবে না। অনেক ভেবে আমি দেখেছি আমারও ইচ্ছে পরজন্মে ওই রাজার অপদার্থ ফ্যামিলি মেম্বার হয়ে জন্মাই। অর্থাৎ কি না সচ্ছল, জবাবদিহিহীন বেকারত্বটাই আমার পছন্দের পেশা বা পেশাহীনতা। 

What century would you like to live in? উনিশশো আশি সাল নাগাদ জন্মে বিংশ শতাব্দীর শেষের দু’দশক কভার করে একবিংশ শতাব্দীতে এসে পড়লে বেশ হয়। বেসিক্যালি, যে সময়টায় বাঁচছি, সেই সময়টাই পছন্দের।

What city would you like to live in? দিল্লি/ নিউইয়র্ক

From what age do you remember yourself and your first memory? আড়াই বছর। রান্নাঘরের দরজায় বিস্কুট হাতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সম্ভবত মিল্ক বিকিস। একটা পাজি কাক ছোঁ মেরে বিস্কুট নিয়ে পালিয়েছিল।

Which of the existing religions is closest to your world-view? আমি ধর্ম সম্পর্কে খুব বেশি জানি না, তবে সম্ভবত বৌদ্ধধর্ম।

What kind of literature do you like the most? What literary genre? সাবলীল, ভণিতাহীন গদ্য পড়তে ভালো লাগে। রহস্যগল্প বাছবিচার না করে পড়ি, ভূতের গল্পও ভালো লেখা হলে দারুণ লাগে পড়তে।

Your favorite books: এই মুহূর্তে মনে পড়া পাঁচটা প্রিয় বইয়ের নাম হচ্ছে To Kill A Mockingbird, জীবনস্মৃতি, A Confederacy of Dunces, প্রথম প্রতিশ্রুতি, পথের পাঁচালী।

Your favorite art: হিন্দুস্থানি মার্গ কণ্ঠসংগীত

Your favorite artwork: মল্লিকার্জুন মনসুর আর বড়ে গোলাম আলির গাওয়া সব গান।

Your attitude to technology:  Necessary evil

Do you appreciate philosophy? As a form of scholarship, as a pastime:  হ্যাঁ। স্কলার হওয়ার সাধ্য নেই নেই, তবে শখের দার্শনিক হওয়ার সাধ আছে ষোলোআনা।

Do you believe in progress? নিশ্চয়।

Your favorite aphorism: পরিশ্রমের বিকল্প নেই।

Your favorite language: বাংলা

On what foundations does the world stand? বৈচিত্র্য

What miracle would you perform if you had a chance? পৃথিবীর সব মানুষ, পশুপাখি, গাছপালার অসুখ সারিয়ে দেব।

What would you do if you suddenly got a lot of money? নিজের বাড়ি কিনব। পছন্দের পাড়ায়।

Your attitude to modern woman: জয়ধ্বনি

Your attitude to modern man: জয়ধ্বনি

What virtue and vice do you prefer and disapprove of in a woman? আত্মবিশ্বাস এবং অপরাধবোধ।

What virtue and vice do you prefer and disapprove of in a man? আত্মবিশ্বাস এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।

What gives you the keenest pleasure? নিজের সঙ্গে কাটানো সময়, অর্চিষ্মানের সঙ্গে কাটানো সময়।

What gives you the keenest suffering? আমার প্রিয়জনদের আমি পৃথিবীর সমস্ত কষ্ট থেকে রক্ষা করতে পারি না।

Are you a jealous person? মারাত্মক। আমার মতো হিংসুটে লোক আমি পৃথিবীতে বেশি দেখিনি।

Your attitude to lies:  Necessary evil.

Do you believe in love?  নিশ্চয়। তবে প্রথম দর্শনে যে ভালোবাসাটা হয় সেটায় করি না।

Your attitude to drugs: পরিত্যাজ্য

Your most memorable dream: আমি খুন হচ্ছি, আমার মায়ের হাতে।

Do you believe in fate and predestination? মাঝে মাঝে করি। আবার মাঝে মাঝে করিও না।

Your next reincarnation? মানুষ।

Are you afraid of death? হ্যাঁ।

Would you like man to become immortal? না।

Your attitude to suicide: নিজের হাতে নিজের প্রাণ নেওয়ার আগে মানুষটি কত কষ্ট পেয়েছে সেটা আমি কল্পনা করে উঠতে পারি না।

Are you an anti-Semite? Yes. No. Why? না। হঠাৎ অ্যান্টি হতেই বা যাব কেন? তাঁরা আমার কোনও ক্ষতি করেননি।

Do you like cheese? না।

Your favorite mode of transportation: পদব্রজ

Your attitude to solitude: রক্তমাংসের পৃথিবীতে মিরাকিউরল বড়ি যদি কিছু থেকে থাকে তবে সেটি হল সলিটিউড।

Your attitude to our circle: এই প্রশ্নটা নিশ্চয় ওঁদের নিজস্ব সার্কলের কথা ভেবে করা হয়েছিল। আমি ভাবতে পছন্দ করি যে আমি কোনও ‘সার্কল’-এর অংশ নই। ‘সার্কল’ ব্যাপারটাই আমার ঘোরতর অপছন্দের।

Think of a name for it:  সার্কল নেই তাই তার নাম ভাবার প্রশ্নও নেই।

Favorite menu: ভাত মাখন আলুসেদ্ধ/ রুটি আলুভাজা/ রুটি গুড়


 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.