Posts

দুঃখের বদলে

দুঃখের বদলে প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত দুঃখ আরো বড় হলে তাকে নিয়ে ঘর করা যায়। কিন্তু এইসব ছোট ছোট যন্ত্রণার ছুঁচ শুধুই বিরক্ত করে, তার বেশি নয়, আমাকে কিছুই দেয় না, আমার শুধুই ক্ষতি করে –– পাঁচ-সাতদিন আর মানুষ, পৃথিবী নিয়ে ভাবতে পারি না, বাগান করতে গেলে, হাত থেকে খুরপি খসে যায়। দুঃখ, আরো বড় হও, আমাকে প্লাবিত করো, আমার সর্বস্ব ঢেকে দাও –– আমি ঠিক তোমার ভেতর থেকে বৃষ্টির আকাশ খুঁজে নেব, মাঝরাত্রে জেগে উঠে, লেখার টেবিলে ঝুঁকে পড়ে আমি যে তখনো তৈরি, সেই কথা তোমাকে জানাব। দুঃখের বদলে শুধু ছোট ছোট যন্ত্রণার ছুঁচ শুধুই বিরক্ত করে, ক্লান্ত করে, তার বেশি নয় ।

শেষার্ধ

Image
ড্রাইভারদাদা জিজ্ঞাসা করলেন হাওড়া নতুন প্ল্যাটফর্ম না পুরোনো? বললাম পুরোনো। অর্চিষ্মান বলল শিওর? কী বলব। গাড়ি থেকে নেমে টিকিট কাউন্টার। আমার সব পাঁচশো। অর্চিষ্মান পকেট থেকে একশোর নোট বার করে দিল। দিদি বললেন দশ টাকা দিন। অর্চিষ্মান বলল দশ দশ কুড়ি? আমি বললাম পাঁচ পাঁচ দশ। বড় বড় বোর্ডে ট্রেনের নাম জ্বলছে। পাঁচে বর্ধমান দিয়েছে। কর্ড। অর্চিষ্মান বলছে কর্ড যাবে না রিষড়ায়? কোনদিন জানতে চাইবে সূর্য পশ্চিমদিকে উঠবে না? একে বর্ধমান মেন ঢুকছে। গ্যালপিং। শিওর রিষড়া ধরবে না। অর্চিষ্মান মুচকি হাসছে। রিষড়া তেমন জরুরি স্টেশন নয় বুঝি? পাঁচ মিনিট কাটতে না কাটতেই অধৈর্য। এতগুলো ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে কোনওটা রিষড়া যাবে না? হতে পারে? তুমি গোলমাল করছ নির্ঘাত। আমাকেই দেখতে হবে। বললাম মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়া না ক্যানাডায় একবার প্রতিযোগীদের চোখ বেঁধে, ডমিন্যান্ট হাত পিঠে সেলোটেপ দিয়ে সেঁটে রান্না করতে দিয়েছিল মনে আছে? তুমি যদি আমার চশমা খুলে নিয়ে, দু’কানে তুলো গুঁজে, দু হাত পিছমোড়া করে . . . অর্চিষ্মান বলল বুঝেছি কুন্তলা, নাও কী বলছে শোনো। মহিলাকণ্ঠে দৈববাণী হল, তারকেশ্বর ঢুকছে তিনে। ইয়েস। চলে এস। অর্চিষ্ম

Still have some of life ahead

(যদিও ছাব্বিশ দূরতম স্বপ্ন হয়ে গেছে) Sit Vikram Seth Sit, drink your coffee here; your work can wait awhile. You're twenty-six, and still have some of life ahead. No need for wit; just talk vacuities, and I'll Reciprocate in kind, or laugh at you instead. The world is too opaque, distressing and profound. This twenty minutes' rendezvous will make my day: To sit here in the sun, with grackles all around, Staring with beady eyes, and you two feet away.

প্রথমার্ধ

অশুভ শক্তিকে ঠেকাতে অর্চিষ্মান বাড়ি গেল। জুটে গেলাম। প্লেনের জানালা দিয়ে এয়ারপোর্টের মাঠে জল জমা মাঠ দেখলাম। সিঁড়িতে পা রেখে ভেজা হাওয়া গায়ে লাগল। দিল্লিতে ঝড়বৃষ্টি হয় কিন্তু এমন হাওয়া গায়ে লাগে না। আকাশবাতাসের কনস্ট্যান্ট ছলছলে ভাবটাও মিসিং। যখন ঝরার ঝরল তারপর খটখটে। রাত গয়ি বাত গয়ি বলে চোখ মুছে মুভ অন। প্রিপেড থেকে উবার পঞ্চাশটাকা কম। চেনা রাস্তা। চেনা ল্যান্ডমার্ক। চেনা স্টিমুলাসে পাভলভের পঞ্চুর চেনা ভৌ। বিগ বেন দেখে হাসি। হলদিরাম ক্রস করতে করতে অর্চিষ্মানকে বলি এর পেছনে অমুকদের ফ্ল্যাট ছিল। আরেকটু এগিয়ে বাঁদিকের গোলাপি রঙের পাঁচতলা বাড়ির টপ ফ্লোর দেখিয়ে অর্চিষ্মান বলে চিনতে পারছ? মাসিমেসোর ফ্ল্যাট। কত এসেছি। নিচ থেকে মিষ্টি কিনে ওপরে উঠতাম। মাসি ওপর থেকে নিচে নেমে চপ কিনে আবার ওপরে উঠত। সুন্দর প্লেটে যত্ন করে সাজিয়ে আদর করে খাওয়াত। মাসি মেসো সায়ন নতুন হাউসিং-এ চলে গেছে। ফ্ল্যাটটা বিক্রির অপেক্ষায় ছিল। অর্চিষ্মান বলল হয়ে গেছে তো বিক্রি, শোনোনি? একজন অল্পবয়সী মেয়ে কিনেছে। তারপর বলল অবশ্য মায়ের ডেফিনিশনে অল্পবয়সী। নাকতলার মাকে গান শেখাতে আসেন যে পঞ্চাশোর্ধ্ব দিদিমণি, মা তাঁকেও ব

পল অস্টার ও অর্চিষ্মানের মুচকি হাসি

দুটো মানুষের সম্পর্ক সেই একই কারণে সফল হয় (যদি টিঁকে যাওয়াকে সাফল্য বলে ধরে নিই বাকি সবার মতো) যে কারণে একটা ফুটবল (বা ক্রিকেট বা হকি বা লুডো) ম্যাচ বোরিং হয়। রেজাল্ট ড্র হলে। নো হার। নো জিত। আর সে রকম হতে হলে দু'পক্ষের শক্তি সমান সমান হওয়ার দরকার। একজন এ কে ফর্টিসেভেন অন্যজন গুলতি - এ রকম হলে কেস। শক্তি বহুমাত্রিক। সামাজিক, আর্থিক, নৈতিক। সব মাত্রাতে শক্তির সাম্য আশা করা পাগলামো। বিশেষ করে যেগুলোতে নিজের হাত নেই। দীপিকা পাডুকোন দীপিকা পাডুকোন হয়ে জন্মেছেন; আমি আমি হয়ে। এবার কারও যদি দীপিকা পাডুকোনকে পছন্দ হয় সেখানে আমার সত্যিই কিছু করার নেই। স্পষ্টবাদীরা বলবে তাহলে তোমাকে সারাজীবন ঠুঁটো হয়েই বসে থাকতে হবে কারণ দীপিকা পাডুকোনকে পছন্দ নয় এমন লোক ভূভারতে জন্মায়নি। মানছি। তবে কমবেশি আছে। দীপিকা না হলেও মনের দুঃখ মনে চেপে কাজ চালিয়ে নেবে এমন কাউকে খুঁজে বার করতে হবে। তারপর বার করতে হবে আর কী কী বিষয় আছে যেগুলোকে সে গুরুত্ব দেয়। তারপর বার করতে হবে তাদের মধ্যে কোন কোন বিষয়কে আমিও গুরুত্ব দিই। তারপর ঠিক করতে হবে সেই কমন বিষয়গুলোতে দুজনের ক্ষমতার তারতম্য কতখানি। তারপর সে তারতম্য কমান

যখন কেউ আমাকে গরিব বলে

Image
 

চালচিত্র এখন

হ্যাবিটাট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অর্চিষ্মান কয়েকটা সিনেমা দেখেছে; তাদের মধ্যে একটা তিন্নির সম্পাদনা করা অসমিয়া সিনেমা। সিনেমার উদ্দেশ্য: উত্তরপূর্ব ভারতে সমাজব্যবস্থার "মাতৃতান্ত্রিকতা" নিয়ে আমাদের মনে যে ওয়ার্ম ফাজি ফিলিংটা আছে সেটা ধ্বসিয়ে দেওয়া। সিনেমাটা ভালো লেগেছে অর্চিষ্মানের। সিনেমার থেকেও ইন্টারেস্টিং লেগেছে সিনেমার পর পরিচালকের সঙ্গে কথোপকথন। পরিচালক নাকি বলেছিলেন যে সিনেমা যে গ্রামে শুট হয়েছে সে গ্রামে পরিচালকের চেনা এক মহিলা মিলিটারি দ্বারা গণধর্ষিত হয়েছিলেন। ধর্ষণের পর তিনি গর্ভবতী হন এবং গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্ত নেন। ক্লিনিকের পথে মহিলার বোন ভগবানের দান ইত্যাদি বলে মহিলাকে সন্তানটি রাখতে রাজি করান। ছেলে হয়। ওই তল্লাটের মানুষদের সম্পূর্ণ বেমানান চেহারায়। ছেলেটি বুলি হতে শুরু করে। স্কুলে, পাড়ায়, সমাজে। সমাজ থেকে বাতিল হতে হতে অবশেষে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। অর্চিষ্মানের নাকি পরিচালককে বলতে ইচ্ছে করছিল, এই গল্পটা কেন বললেন না আপনি? তাহলে কি ইমপ্যাক্টটা আরও বেশি হত না? অফ কোর্স, পরিচালক কোন গল্প বলবেন না বলবেন সেটা সম্পূর্ণ তাঁর সিদ্ধান

সেই সব মায়েদের

ঘুমচোখে ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতে অর্চিষ্মান বলল, শুনছ? জোম্যাটো রিসার্চ হ্যাজ ফাউন্ড আউট হোয়াট মমস ওয়ান্ট। বললাম, কী সেটা? অর্চিষ্মান ততক্ষণে টুইটারে শিফট করে গেছে তাই আর উত্তর দিল না। অসুবিধে নেই। আমারও একটা ফোন আছে। সেই ফোনে সুইগি, মিন্ত্রা, রেলিগেয়ার ইনশিওরেন্স, নার্সারি লাইভ, ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন, বন্ধন লাইফ ইনশিওরেন্স, আদিত্য বিড়লা সান লাইফ মিউচুয়াল ফান্ড,  কল্যাণ জুয়েলার্স সবাই মেসেজ পাঠিয়ে আমাকে জানিয়েছে যে এই মাদার্স ডে-তে মায়েরা কী চান। কী ডিজার্ভ করেন। আমার ফেভারিট হইচই-ও মাদার্স ডে-তে মায়ের মন জয় করার টোটকা পাঠিয়েছে। মাকে সঙ্গ দিন। মায়ের সঙ্গে বসে হইচইতে উনিশে এপ্রিল, চিনি ১ ও চিনি ২ দেখুন। কালও স্বপ্নে মায়ের সঙ্গে দেখা হল। কিন্তু এ  বছরের মাদার্স ডে-তে কী করলে তোমার মন জয় করতে পারব বল জিজ্ঞাসা করার সুযোগ পাইনি। কী একটা সাহিত্যসভা গোছের গোলযোগ চলছিল। মা সভায় অংশগ্রহণ করছিলেন। চেনা আরও অনেকে করছিল। আমাকে সাহিত্যসভায় ডাকেনি তবে উদ্বোধনী সংগীত গাইতে বলেছিল। ভাবছিলাম কী করে কাটানো যায় তাই মাকে বললাম মা তুমি বস আমি চা নিয়ে আসছি। চায়ের দোকানে গিয়ে দেখি অর্চিষ্মান এগরোলের মতো করে ধর

ইস্পাত

আগে কী বুঝেছিলাম, পরে কী বুঝব জানি না। ইদানীং, এই মুহূর্তে প্রেমভালোবাসা সম্পর্কে যা মনে হচ্ছে তাই বলছি। বাকি সবার প্রেমভালোবাসা নয়, আমার। কারণ আমি শুধু আমার কথাই বলতে পারি। বিশ্বের সবার প্রেমভালোবাসার ঠেকা আমি নিয়ে রাখিনি। আমার প্রেমভালোবাসাও নয়, শুধু ভালোবাসা। কারণ আমার কাছে দুটো জিনিস সম্পূর্ণ আলাদা। একটা হরমোন অন্যটা অ্যাকশন। ক্রিয়াপদ। ভার্ব। আমার ভালোবাসা গিভ অ্যান্ড টেক। আমাকে যে ভালোবাসে না আমি তাকে ভালোবাসি না। আমার ভালোবাসা নিঃস্বার্থ নয়। যার থাকা না থাকায়, চলায়ফেরায়, কথাবার্তায় আমার কিছু যায় আসে না তাকে আমি ভালোবাসতে পারি না। আমার ভালোবাসা বেহায়া। আইসক্রিম ডেলিভারি নিতে তিন সাইজ বড় হাওয়াই চটি পরে হাঁটার বদলে উড়ে ষোলটা সিঁড়ি টপকে পড়লে সাইলেন্ট ট্রিটমেন্টের পুরু স্তর ছিঁড়ে নাম ধরে চেঁচিয়ে উঠতে লজ্জা পায় না। আমাকে ভালোবাসা ফুলটাইম জব। সুযোগমতো পিং আর সুবিধেমতো রিপ্লাইতে আমার ভালোবাসা টেঁকে না। আমার ভালোবাসা হাই মেন্টেন্যান্স। সকালবিকেল চা খেতে খেতে তার গোড়ায় গল্পের সার দিতে হয়। পি এন পি সি থেকে জীবনের মানে। স্নান করে চুল আঁচড়ে ভালো জামা পরে বিকেলে তার সঙ্গে ফুচকা খেতে বের

অতি উত্তম

গুড ফ্রাইডের উইকেন্ডে তো আমরা কসোল চলে গেলাম। অতি উত্তম দেখার প্ল্যান কাটিয়ে। সোমবার সকালে ফিরলাম। আশায় ছিলাম অর্চিষ্মান ভুলে গেছে। ভোলেনি। সোমবার চুপ করে ছিল মঙ্গলবারে ঠিক টিকিট কেটে ফেলেছে। নেহরু প্লেসে চলছে কুন্তলা। না দেখলে পরে যদি হইচইতে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার না হয় কেঁদে কূল পাবে না। কাজেই অতি উত্তম দেখা হল। অবান্তরে এ বিষয়ে কিছু লিখব না ভেবেছিলাম। এবার লোকে ভাববে নির্ঘাত পারসোন্যাল রাগ কিছু আছে। দেখিসই বা কেন নিন্দেই বা করিস কেন? কিন্তু না করলে ইমিডিয়েটলি আরেকটা ভ্রমণকাহিনীতে ঝাঁপাতে হয়। একটা বই নিয়েও লিখব লিখব ভাবছি কিন্তু তাতে খাটনি আছে। তাই ফাঁক ভরাতে নিন্দেমন্দ রইল। সৃজিত মুখার্জির প্রশংসা বন্ধুদের মুখে তিনটে শুনেছি। এক, ভ্যারাইটি। ফিল্ম স্টার, নেতাজী, ফ্লোরা অ্যান্ড ফনা, স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্মৃতিভ্রংশ, জন্মান্তর, ফেলুদা, ব্যোমকেশ, কাকাবাবু। ইয়ার্কির মতো শোনাচ্ছে কিন্তু ইয়ার্কি করছি না। সত্যিই এক চিক্কুর পাড়েন না ভদ্রলোক। দুই, গান। কোন গান জনগণ ধরবে সেটা বোঝার কান ওঁর তৈরি। গত দশ বছরে বাংলা ভাষার অধিকাংশ মনে রাখা গান ওঁর সিনেমা থেকেই বেরিয়েছে। তার ক্রেডিট যেমন সংগীত পরিচালকদে

পার্বতীর পারে ৪ (শেষ)

Image
 ঘুম ভেঙে বৃষ্টির শব্দ পেলাম। মরণপণ করে নামেনি আবার দায়ও সারছে না। অর্থাৎ টানবে। মেঘ ডাকছিল ঘন ঘন। হালকা চিন্তা হচ্ছিল। যে রকম চিন্তায় ঘাম হয় না কিন্তু স্নায়ুগুলো মাপমতো টানটান হয়ে থাকে। চিন্তাটা হচ্ছে আজ দুপুরে পার্বতী কুটির ছেড়ে লিটল ইটালি ইন-এ মুভ করতে হবে। কাল বাজারে লিটল ইটালি ইন দেখেছি। পার্বতী কুটির যেমন বনচ্ছায়ায় লিটল ইটালি ইন তেমন ঘিঞ্জি বাজারের মধ্যিখানে। অটোতে বসে বাইরের ছবি দেখে আমার পছন্দ হয়নি। ঘরের ছবিগুলো ভালো ছিল বলে বুক করেছিলাম। আর কোথাও রুম পাওয়াও যাচ্ছিল না। কাল বাজারে ঘুরতে ঘুরতে বাইরেটা দেখেও অবশ্য ভালোই লাগল। অর্চিষ্মান তো হাটের মধ্যে থাকতেই ভালোবাসে। মাঝরাত পর্যন্ত হর্নের চোটে ভুত পালাবে, বারান্দায় ঝুঁকলেই কোটি কোটি লোক দেখা যাবে আর সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলেই তেলেভাজার দোকান - এই হচ্ছে ওর আইডিয়াল হ্যাবিটাট। আমার পছন্দ এ রকম। এই যে জঙ্গলের মধ্যে শুয়ে শুয়ে বৃষ্টির শব্দ শুনছি, বৃষ্টি থামলে নদীর শব্দ শুনব, গাছের ছায়ায় ছোট্ট দোলনায় দুলব, দুলতে দুলতে ডানদিকে ঘাড় ঘোরালে অভ্রংলিহ পর্বতচূড়া, বাঁদিকে ঘাড় ঘোরালে একতলা ছোট্ট বাড়ি, সামনে নদী, পেছনে জঙ্গল, পুব পশ্চিম উত্তর