পুজো
ষষ্ঠী গতকাল অর্থাৎ পঞ্চমীতে কফিশপে একজন জানতে চাইছিল আমি অন্যদিনের থেকে এক্সট্রা হাঁইমাই করে টাইপ করছি কেন। বললাম, কারণ আমার একটা জিনিস শেষ করতে হবে, কাল থেকে পুজো শুরু হবে, আজ রাতেই সবাই দিল্লি ঢুকছে, আর যদিও আমার বয়স পাঁচ নয় এবং পুজোর সময় কাজ ডকে তুলে বসে থাকার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য কারণ নেই, স্টিল আই উইল বি সো এক্সাইটেড যে সামনের পাঁচদিন কিছুই করতে পারব না। লোকটা বলল, তা তো বটেই তা তো বটেই। ভদ্রতা করল নির্ঘাত। পুজো অনেকভাবে আসে। ডিব্রুগড় থেকে বেরিয়ে হাইওয়ের দুপাশের মাঠে দৈত্যাকার কাশফুলে চড়ে। গেটের সামনে বাড়িওয়ালার গাছ থেকে ছত্রাকার শিউলি ডিঙোতে ডিঙোতে। অর্চিষ্মান যখন রাস্তায় বেরিয়ে বলে ওঠে, বস্স্স্ এই ওয়েদারটা... বলে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে, সে দীর্ঘশ্বাসে ভেসে । বিস্ময় সুন্দরের প্রতি। আর দীর্ঘশ্বাস সেই সত্যের প্রতি যে এ জিনিস থাকবে না, সব ভালো জিনিসের মতো পলক ফেলতে ফুড়ুৎ হবে। কয়েকবছর ধরে হোয়াটসঅ্যাপে দুর্গাপুজো মিট গ্রুপেও পুজো আসছে। চাকরিসূত্রে এন সি আর-এ ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা বন্ধুবান্ধব পুজোতে সি আর পার্কের আশেপাশে এয়ারবিএনবিতে এসে থাকে। দেড় সপ্তাহ আগে থেকে, আমার ধারণা এয়ারবিএনবি বুকিং সারা...