অরুণাচল ২ঃ নিজে নিজে, একা একা
একগাদা দোসামোসা খেয়ে উঠেছি, এদিকে সিটবেল্ট সাইন নিভতেই গলা উঁচু করে উঁকিঝুঁকি মারছি কখন ট্রলি দেখা যায়। মনে করার চেষ্টা করছি, কী কী বুক করা হয়েছিল টিকিটের সঙ্গে। মনে পড়েছে। অর্চিষ্মান চিকেন কাঠি রোল। আমি ম্যাজিক উপমা। বাটির ঢাকনা খুলে গরম জল ঢেলে চট করে ঢাকনা দিয়ে বিড়বিড় মন্ত্র পড়ে বাটিবন্ধন সেরে দিদিমণি সে মন্ত্রঃপূত বাটি আমাকে সোপর্দ করবেন, শত কৌতূহলেও যেন পাঁচ মিনিট পূর্ণ হওয়ার আগে ঢাকনা না খুলি, খুললেই রাজপুত্রের বদলে বাঁদর, নাকের বদলে নরুন, উপমার বদলে ভুষি। জীবনের দীর্ঘতম পাঁচ মিনিটে পনেরোবার ঘড়ি দেখে ফাইন্যালি যখন ঢাকনা তুলব, বাটির মধ্যে ম্যাজিকের মতো উপমা আবির্ভূত হবে। মাইন্ড ওভার ম্যাজিক উপমা করতে ল্যাপটপ খাটালাম। অর্চিষ্মান অলরেডি খাটিয়ে ফেলেছে। বেশিক্ষণ অভিনয় করতে হল না, ট্রলি দেখা গেল। আমার থেকেও স্পিডে ল্যাপটপ গুটিয়ে কোলে নামিয়েছে অর্চিষ্মান। ট্রে ঝেড়েটেড়ে সোজা হয়ে বসেছে। একঘণ্টা লেটে ডিব্রুগড়ে নামলাম। বিমানবন্দরের বাইরে গার্জেন গণ্ডারের পাশে শিশু গণ্ডারের ভাস্কর্য। এয়ারপ্লেন মোড অফ করা মাত্র অর্চিষ্মানের ফোনে বান ডেকেছে। আমিও ফোন কানে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু আমার ফোনের উল্...