Posts

Showing posts with the label এ মাসের বই

Still have some of life ahead

(যদিও ছাব্বিশ দূরতম স্বপ্ন হয়ে গেছে) Sit Vikram Seth Sit, drink your coffee here; your work can wait awhile. You're twenty-six, and still have some of life ahead. No need for wit; just talk vacuities, and I'll Reciprocate in kind, or laugh at you instead. The world is too opaque, distressing and profound. This twenty minutes' rendezvous will make my day: To sit here in the sun, with grackles all around, Staring with beady eyes, and you two feet away.

পার্বতীর পারে ৪ (শেষ)

Image
 ঘুম ভেঙে বৃষ্টির শব্দ পেলাম। মরণপণ করে নামেনি আবার দায়ও সারছে না। অর্থাৎ টানবে। মেঘ ডাকছিল ঘন ঘন। হালকা চিন্তা হচ্ছিল। যে রকম চিন্তায় ঘাম হয় না কিন্তু স্নায়ুগুলো মাপমতো টানটান হয়ে থাকে। চিন্তাটা হচ্ছে আজ দুপুরে পার্বতী কুটির ছেড়ে লিটল ইটালি ইন-এ মুভ করতে হবে। কাল বাজারে লিটল ইটালি ইন দেখেছি। পার্বতী কুটির যেমন বনচ্ছায়ায় লিটল ইটালি ইন তেমন ঘিঞ্জি বাজারের মধ্যিখানে। অটোতে বসে বাইরের ছবি দেখে আমার পছন্দ হয়নি। ঘরের ছবিগুলো ভালো ছিল বলে বুক করেছিলাম। আর কোথাও রুম পাওয়াও যাচ্ছিল না। কাল বাজারে ঘুরতে ঘুরতে বাইরেটা দেখেও অবশ্য ভালোই লাগল। অর্চিষ্মান তো হাটের মধ্যে থাকতেই ভালোবাসে। মাঝরাত পর্যন্ত হর্নের চোটে ভুত পালাবে, বারান্দায় ঝুঁকলেই কোটি কোটি লোক দেখা যাবে আর সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলেই তেলেভাজার দোকান - এই হচ্ছে ওর আইডিয়াল হ্যাবিটাট। আমার পছন্দ এ রকম। এই যে জঙ্গলের মধ্যে শুয়ে শুয়ে বৃষ্টির শব্দ শুনছি, বৃষ্টি থামলে নদীর শব্দ শুনব, গাছের ছায়ায় ছোট্ট দোলনায় দুলব, দুলতে দুলতে ডানদিকে ঘাড় ঘোরালে অভ্রংলিহ পর্বতচূড়া, বাঁদিকে ঘাড় ঘোরালে একতলা ছোট্ট বাড়ি, সামনে নদী, পেছনে জঙ্গল, পুব পশ্চিম উত...

Bondhu: কুণাল সেন

Image
অর্চিষ্মানের জন্মদিনের আগের দিন পৌঁছল তিন্নির পাঠানো কেক। পরের দিন 'বন্ধু'। অ্যাকচুয়ালি, ' Bondhu '। বইটা ইংরিজি, কিন্তু বইয়ের নাম বন্ধু-র ইংরিজি 'ফ্রেন্ড' নয়। কারণ 'বন্ধু' এখানে একটা নামবাচক বিশেষ্য, প্রপার নাউন। যে নামে কুণাল সেন তাঁর বাবা মৃণাল সেনকে ডাকতেন। 'বন্ধু' তিনটি বিভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগ 'বন্ধু'। দ্বিতীয় ভাগ 'ফিল্মমেকার'। তৃতীয় ভাগ 'ফাদার'। একজন মানুষের জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্রোনোলজিক্যালি বলে যাওয়ার থেকে একেকটা দিকে একেকবারে আলো ফেলায় সে দিকটা অনেক ভালো করে আমাদের নজরে পড়ে। এ বিন্যাসের হয়তো অন্য কারণও ছিল। কুণাল সেনই লিখলেন নাকি অন্য কোথাও পড়লাম - তৃতীয় প্রজন্ম পর্যন্ত পৌঁছতে পৌঁছতে আমরা অধিকাংশই সম্পূর্ণ বিস্মৃত হব। ঠিকই। ঠাকুরদার মায়ের শুধু নাম জানি, চপলা। আর একটা ছবি। আর একটা গল্প। একটাই গল্প। বরিশালের মাঠে তরোয়াল চালাতে চালাতে এক যাত্রাভিনেতার তরোয়ালশুদ্ধু স্টেজ থেকে ভদ্রমহিলার কোলে পড়ে যাওয়ার গল্প। ঠাকুমাও কিছু গল্প বলেছেন বটে কিন্তু সে সবই অত্যাচারিত বউমার পার্স্পেকটিভ থেকে জাঁদরেল শাশুড়ির...

The Convenience Store Woman/Sayaka Muruta, Ginny Tapley Takemori

Image
পার্কে বাচ্চারা খেলছে। খেলতে খেলতে তারা একটি মৃত পাখি আবিষ্কার করল। তখনও উষ্ণ। তখনও কল্পনা করে নেওয়া যায় ছুঁলে ছোট্ট নরম গা থরথরিয়ে উঠবে। মৃতদেহটি ঘিরে বাচ্চারা দাঁড়িয়ে রইল। কারও চোখে জল আসবে আসবে, কারও এসে গেছে। মায়েরা সান্ত্বনা দিলেন পাখিটির জন্য নন্দন কবর খুঁড়ে দেবেন পার্কের কোণে। "কিপ অ্যাওয়ে", বিনীত অনুরোধসহ বোর্ড পুঁতে দেবেন। সবার মন ভালো হবে হবে করছে এমন সময় ছোট দুটো পাঞ্জা ছোঁ মেরে তুলে নিল পাখিটাকে। দৌড়ে চলে গেল পার্কের অন্য কোণে বসে থাকা মায়ের কাছে। মা! মা! আজ ডিনারে সেঁকা মাংস! মায়ের মেয়ের নাম কিকো। কিকোদের স্কুলে মারামারি বেধেছে। দুটো ছেলে, কিকোর থেকে অল্প বড়ই হবে, প্রাণপণ যুযুধান। মুখ, কান চেপে উদ্বিগ্ন ভিড় ঘিরে আছে। খবর পাঠানো হয়েছে উচ্চতর অথরিটির কাছে, ব্যবস্থা যদি কেউ নিতে পারে তাঁরাই পারবেন এই আশায়। ইতিউতি চিৎকার উঠছে, ওদের কেউ থামাও, না হলে একটা কিছু. . .  কিকো একটা বেলচা নিয়ে এল। গদাম মারল এক প্রতিপক্ষের মাথায়। পক্ষপাতিত্ব করেনি কিকো, বেলচার কাছাকাছি যে ছিল তাকেই বেছেছে। মাথা চেপে ধরে ছেলেটি শুয়ে পড়ল মাটিতে। যুদ্ধ ফিনিশ। পেছন ফিরে ভিড় এবং ততক্ষণে পৌ...

হরোউইটজ, হরোউইটজ

Image
Foyle's war Creator and Director: Anthony Horowitz দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইংল্যান্ডের সমুদ্রতটবর্তী হেস্টিংস শহরের খুনখারাপি সমাধান করার একেকটা গল্প নিয়ে ফয়েল'স ওয়র-এর একেকটা পর্ব। ফয়েল হচ্ছেন হেস্টিংসের পুলিসবাহিনীর ডিটেকটিভ চিফ সুপারিন্টেডেন্ট। সিরিজের ঘটনাপ্রবাহ শুরু হয় উনিশশো চল্লিশে, শেষ উনিশশো ছেচল্লিশে। আটটি সিজনের প্রথম ছ'টিতে যুদ্ধ চলছে, শেষ দুটি সিজনে যুদ্ধ থেমেছে কিন্তু অন্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যার নাম কোল্ড ওয়র। ফয়েল সে দুটি সিজনে এম আই ফাইভ-এর হয়ে কাজ করছেন। প্রথমেই যেটা নজরে পড়তে বাধ্য তা হচ্ছে ফয়েল'স ওয়র-এর চেহারা। সময় বোঝাতে শুধু রং বদলে কাজ সারা হয়নি, লোকজনের পোশাকআশাক, ভাষা, চলাফেরা, রাস্তাঘাট, লন্ডনের এবং শহরতলির চেহারার খুঁটিনাটি খেয়াল রাখা হয়েছে, এমনকি যুদ্ধে ব্যবহৃত প্লেনটলেন হাজির করা হয়েছে। ওদের বাজেট বেশি তাই ওরা পারে বললে বলবে কেউ, কী আর করা যাবে। বলা বাহুল্য, বাজেট ছাড়াও ফয়েল'স ওয়র জনপ্রিয় হওয়ার আরও কিছু কারণ আছে। এক, প্রেক্ষাপটের যুদ্ধকে অসামান্য ভাবে গল্পে গেঁথে দেওয়া। একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের ক্লান্তি, মানুষের ভয়, অনিশ্...

মাঝবছরের বই

এ যাবত ক'টা বই পড়েছেনঃ গুডরিডস দাবি করছে মোটে ১৪টা। আমার ধারণা আমি তার বেশি পড়েছি। পড়ে, গুডরিডসকে জানাতে ভুলেছি। কাজেই ১৪ই সই। এ বছরের ৫০ টা বই পড়ার অভীষ্ট পূরণে আমি ১১টা বই বিহাইন্ড শেডিউল। বুঝুন অবস্থা। তবে পিক আপ নিয়েছি। গোঁজামিলও দেব কিছু। রি-রিড গুনব। এই যেমন সিম্পল প্যাশন আবার পড়ব এবং গুনব। হুলিয়ে বাংলা বই পড়ব। ছোট ছোট উপন্যাস। মাপে, মানে নয়। এই যেমন বিমল করের খড়কুটো আবার পড়লাম এবং গুনলাম। কাল রাতে সন্দীপনের 'রুবি কখন আসবে' পড়লাম। নবারুণের লুব্ধক পড়েছি, গুনেছি। শক্তির কুয়োতলা পড়ছি। মোটে আটাত্তর পাতার বই। আজকালের মধ্যে নামাব। মোদ্দা কথা, আগের বছরের চ্যালেঞ্জ হেরেছি, এ বছর যেন তেন প্রকারেণ জিতব। এ যাবত পড়া ২০২২-এর সেরা বইঃ চট করে উত্তরটা দিচ্ছি না, কারণ এখনও এমন কিছু (নতুন) পড়িনি যা উড়িয়ে নিয়ে গেছে। যা পড়েছি তার মধ্যে সেরা বেছে বলতে পারি, কিন্তু সে নাতিশীতোষ্ণ সেরা হবে। কাজেই উত্তরটা তুলে রাখছি, বছরের শেষে দেব। সবথেকে চমকপ্রদ পাঠঃ বিমল করের খড়কুটো। কাফ লাভ-এর আখ্যান সাড়ে একচল্লিশের বুক এমন মুচড়ে দিতে পারে, বিশ্বাস করতাম না। গল্পটা নিখুঁত বলব না, কিন্তু শেষ কর...

দুটো বই

Oh, William! Elizabeth Strout 'অলিভ কিটরিজ' পড়ে স্থির করেছিলাম এলিজাবেথ স্ট্রাউট যা লিখেছেন, লিখবেন, সব আমি পড়ব। পারিনি। 'অলিভ কিটরিজ'-এর সিকোয়েল 'অলিভ, এগেইন' পড়েছি। আর পড়েছি 'মাই নেম ইজ লুসি'। পড়ে স্ট্রাউটের একটা ধরণ বুঝেছি সেটা হচ্ছে একটা চরিত্র বাছা এবং সেই চরিত্রটির পিছু পিছু হাঁটা। এই হাঁটাই তাঁর উপন্যাস। 'মাই নেম ইজ লুসি'-র লুসি বার্টনের পিছু হাঁটতে হাঁটতে দ্বিতীয় উপন্যাস এসেছে, 'এনিথিং ইজ পসিবল'। পড়া হয়নি। কিন্তু তৃতীয় উপন্যাস যখন বেরোল আগের বছর, 'ওহ, উইলিয়াম!', ঠিক করলাম হাতে গরম পড়ে ফেলা যাক। উইলিয়াম লুসির প্রাক্তন স্বামী। কাজেই গল্পটা বুঝতে গেলে লুসি সম্পর্ক একটু জেনে রাখলে সুবিধে। এই জানাটা আপনি 'মাই নেম ইজ লুসি'তে সবথেকে ভালো করে জানতে পারেন, তবে 'ওহ, উইলিয়াম!'দিয়ে শুরু করলেও অথৈ জলে পড়বেন না। লুসি বার্টন, অ্যামেরিকার হতদরিদ্র এবং অনালোকপ্রাপ্ত শ্রেণীর প্রতিনিধি। দারিদ্র্য অন্যতম হলেও প্রধানতম প্রতিকূলতা নয়। ভালোবাসা, স্নেহ, আদরের আগল, বাচ্চাদের শরীর ও মনের বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ - দরিদ্র ...

২০২১ -এর পড়া/ না-পড়া

ঋণস্বীকারঃ বুকটিউবে ঘুরতে থাকা বর্ষশেষের বিবিধ ট্যাগ। ক’টা বই পড়েছেন? পনেরোটা। হাসিরই ব্যাপার, কান্নারও হতে পারে প্রব্যাবলি। তবে মাসে একটার বেশি যে পড়েছি তাতেই আমি ধন্য। কম পড়লেও, এ বছরের পড়া নিয়ে বেশি দুঃখিত হতে পারছি না, কারণ নিচে বলছি। এমন কোনও বই ধরেছেন যা শেষ করেননি বলে আফসোস আছে এবং পরের বছর নির্ঘাত শেষ করবেন? অগুন্তি। কত ভালো ভালো বই যে মন বসাতে পারিনি বলে ফেলে রেখেছি। দুটোর কথা মনে পড়ছে বিশেষ করে। এক, জর্জ সন্ডার্সের “A Swim in a Pond in the Rain: In Which Four Russians Give a Master Class on Writing, Reading, and Life” আর Tove Ditlevsen-এর তিন পর্বের আত্মজীবনী, ‘দ্য কোপেনহেগেন ট্রিলজিঃ চাইল্ডহুড, ইউথ, ডিপেন্ডেন্সি’।  (প্রথম বইটার নাম অবিশ্বাস্য রকম দীর্ঘ বলে রোম্যান হরফে লিখলাম, অতগুলো শব্দ বাংরেজিতে পড়তে অসুবিধে হতে পারে ভেবে, আর দ্বিতীয় লেখকের নামের উচ্চারণ নিয়ে ঝামেলায় পড়ব বলে রোম্যান হরফ বাছলাম। এত কথা বললাম পাছে আপনাদের কেউ ভেবে বসেন যে কুন্তলা কিছুমাত্র না ভেবে যখন ইচ্ছে যেমন হরফে লিখে গেছে।) দীর্ঘতম কী বই পড়েছেন এবং কোন বইয়ের পেছনে দীর্ঘতম সময় ব্যয় করেছেন?...