Posts

Showing posts from November, 2012

চেনেন নাকি?

Image
শুনেছি মানুষের চেহারায় নাকি দুটো জিনিস ইম্পরট্যান্ট। চোখ আর হাসি। সবার আলাদা, সবার অন্যরকম। কারও পটলচেরা, কারও গোল গোল, কারও ঘুমঘুম, কারও ভুবনমোহিনী, কারও কান এঁটো করা। যতরকমের লোক ততরকমের তাকানো, ততরকমের হাসি। তাই যদি হবে তাহলে চোখ আর হাসি দেখেই লোক চিনতে পারা উচিত, তাই তো? সেটা আপনারা পারেন কিনা তারই পরীক্ষা নেব আমি আজ। বলুন দেখি এঁরা কারা? 1. 2. 3. 4.   5. 6. 7. 8. 9. 10. পরীক্ষার সময় এখন থেকে কলকাতায় শনিবার সন্ধ্যে ছ’টা আর নিউ ইয়র্কে শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ততক্ষণ আমি কমেন্ট অফ করে রাখছি, যাতে আপনারা টোকাটুকি না করতে পারেন।   অল দ্য বেস্ট । ***** কুইজের ফলাফল। 1. অ্যাব্রাহাম লিঙ্কন 2. স্বামী বিবেকানন্দ 3. মাদার টেরেসা 4. অমিতাভ বচ্চন 5. ইন্দিরা গান্ধী 6. মাধুরী দীক্ষিত 7. জ্যাক নিকলসন  8.শচীন তেন্ডুলকর 9. বাপ্পি লাহিড়ী 10. গোবিন্দা  সবাই ভীষণ ভীষণ ভালো খেলেছেন। অজস্র অভিনন্দন। 

Dis or Dat: টেলিভীষণ

Image
রামায়ণ না মহাভারতঃ মহাভারত মাস্টারমাইন্ড ইন্ডিয়া না জেওপার্ডিঃ মাস্টারমাইন্ড ইন্ডিয়া। শুধু সিদ্ধার্থ বাসুর জন্য।  চন্দ্রকান্তা না শক্তিমানঃ শক্তিমান  দ্য ওয়ার্ল্ড দিস উইক না নিউজ উইকঃ দ্য ওয়ার্ল্ড দিস উইক কফি উইথ করণ না রাদেভু উইথ সিমি গারেওয়ালঃ কফি উইথ করণ ফ্লপ শো না অফিস অফিসঃ অফিস অফিস মুঙ্গেরিলাল কি হাসিন সপনে না ওয়াগলে কি দুনিয়াঃ ওয়াগলে কি দুনিয়া। অঞ্জন শ্রীবাস্তব আর ভারতী আচরেকরকে টিভিতে দেখলে আমি আর আমার বাড়ির লোকেরা এখনও ওঁদের মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ওয়াগলে বলে ডাকি। তমস না বুনিয়াদঃ তমস হাম পাঁচ না জবান সামহাল কেঃ জবান সামহাল কে মীরাক্কেল না দাদাগিরিঃ দাদাগিরি। দুটোই খারাপ, তবে আমি কম খারাপটাকে বাছলাম। সুরভি না ভারত এক খোঁজঃ সুরভি চিত্রহার না সুপারহিট মুকাবলাঃ চিত্রহার। আমার মায়ের কাছে দুটোই অপসংস্কৃতি ছিল কাজেই আমার কোনটাই দেখার পারমিশন ছিল না। আমি ভেবে দেখার চেষ্টা করলাম মায়ের মতে কোনটা কম অপসংস্কৃতি হত। বাবা সায়গলের চেহারাটা মনে পড়তেই উত্তরটা বেরিয়ে গেল।  ফৌজি না করমচাঁদঃ ফৌজি। তখন শাহরুখ খানের চ

And This Is The Key To Understanding The World

Image

রাজকাহিনী

‘যখন ছোট ছিলাম’ আমার অসম্ভব প্রিয় লেখা। এত প্রিয় যে আমি লেখাটার অসংখ্য লাইন, এমনকি ছোট সাইজের আস্ত প্যারাগ্রাফও মুখস্থ বলতে পারি। লেখাটা শেষ কবে পড়েছি মনে না থাকা সত্ত্বেও। কিন্তু গোটা লেখার মধ্যে আমাকে সবথেকে ছুঁয়ে যায় শেষের প্যারাগ্রাফের একটা লাইন। লাইনও বলতে পারেন, ফিলসফিও বলতে পারেন। সেই লাইনটায় সত্যজিৎ রায় বলছেন যে, যে সব জায়গার সঙ্গে ভালো লাগা স্মৃতি জড়িয়ে থাকে আসল মজা হচ্ছে বসে বসে সেই স্মৃতিগুলোর জাবর কাটায়। সেই সব জায়গায় সশরীরে গিয়ে পড়ে স্মৃতি ফিরে পেতে বা মিলিয়ে নিতে চাইলে বিপদের সম্ভাবনা আছে। আমি ব্যাপারটাকে সম্পূর্ণ ভাবে, সর্বান্তকরণে সমর্থন করি। না করলে যে কী ভোগান্তি হয় সে বিষয়ে আমার ফার্স্টহ্যান্ড অভিজ্ঞতা আছে। জীবনে একবারই আমি স্কুলের রি-ইউনিয়নে গিয়েছিলাম। গিয়ে একে অপরকে দেখে হুইসিলের মতো তীক্ষ্ণ চিৎকার করে খুশি প্রকাশ করে, কে কী করছে, প্রেম করছে কিনা, করলে বিয়ে কবে করছে এইসব আলাপচারিতা আধঘণ্টার মধ্যে শেষ করে বাকি সময়টা খালি ঘড়ি দেখা আর ভাবা, খাবারটা কখন দেবে। তারপর অ-ব-শে-ষে খাবার এলে প্যাকেট খুলে ঠাণ্ডা চিলি চিকেন আর আধসেদ্ধ আলুন

Only 5%

Image
ইলাসট্রেটরঃ Christopher Niemann

শপথ #৪-যেটুকু না হলেই নয়

Image
কী থেকে যে কী হয় বলা শক্ত। এই যেমন আজ যে চার নম্বর শপথের কথাটা বলতে যাচ্ছি, সেটা কালকের আগে পর্যন্ত আমার মাথাতেই ছিল না। একেবারেই ছিল না বলাটা ভুল হবে, দোকান থেকে অকারণ শপিংটপিং করে ফেরার পর, কিংবা পার্সেলে পোরা নতুন বই ডেলিভারি এলে বিষয়টা ভাবাত, কিন্তু ওই পর্যন্তই। সেটা যে নিজেই একখানা গোটা রেসলিউশন হয়ে ওঠার ক্ষমতা রাখে সেটা আমি সত্যি বলছি বুঝতেই পারিনি। ক্যামেরা কিনে আনার পর বুঝে গেলাম। হাড়ে হাড়ে। গর্বিত মুখে এ কাঁধে ক্যামেরার ব্যাগ ও কাঁধে ট্রাইপড ঝুলিয়ে বিশ্বজয়ীর মতো গটগটিয়ে ঘরে ঢুকে দেখি... আমার বাড়িতে ক্যামেরাটা রাখার জায়গা নেই। সিরিয়াসলি। অন গড ফাদার মাদার। আহা নেই মানে কি একেবারে নেইইইইই? বান্টির মতো করে রাখলে অফ কোর্স আছে। দরজায় দাঁড়িয়ে হাতের ম্যাগাজিন, মাথার টুপি, পিঠের ব্যাগ, পায়ের জুতো---হরির লুটের মতো চারদিকে ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলাটাকে যদি আপনি রাখা বলেন তাহলে আমার বাড়িতে এখনও গড়ের মাঠের সমান জায়গা আছে। কিন্তু আমার মা যেটাকে রাখা বলেন---পেনটা পেনদানিতে, বইটা বুককেসে, জামাটা হ্যাঙারে, হ্যাঙারটা কাবার্ডে, জুতোটা বাক্সে---তাহলে আমার বাড়িতে কু

সাধু সাবধান

Image
এ সপ্তাহে সাপ্তাহিকী কেন ছাপা হয়নি সেটা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না? যদিও মডেলটডেল সব আগে থেকেই ঠিক করা ছিল তবুও পায়ে জুতো গলানোর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত কনসাল্ট চলল। পুরো দোষটা নিজের ঘাড়ে চাপাতে পারতাম কিন্তু চাপাচ্ছি না। ক্যামেরা কোম্পানি একখানা মডেল বার করেছে কি করেনি, লাখে লাখে লোক তার রিভিউ লিখতে লেগে গেছে। স্যাম্পল ভিডিও, স্যাম্পল অডিও, সব তুলে তুলে ইউটিউবে আপলোড করেছে। সে স্যাম্পলের ভুলভুলাইয়ায় পড়ে প্রাণ বেরোয় আর কি। যাই হোক, রিসার্চের কানাগলি থেকে বেরিয়ে অবশেষে আউটপুটের ফল ফলেছে। আমি এখন একখানা ডি এস এল আর-এর জলজ্যান্ত মালিক। ফাইন্যালি। তার ওপর এক ধাক্কায় অনেকটা পয়সা খরচ হলে যা হয়, বেশ খুশি খুশি লাগছে জানেন। একে হালকা পকেট তায় আনকোরা একখানা খেলনা। আপাতত মহা ফুর্তিতে আছি। আপনারা যারা ক্যামেরা কেনো কেনো বলে আমার উৎসাহে তা দিচ্ছিলেন আর  যারা উৎসাহ দিয়ে দিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন, তাঁদের সবার উদ্দেশ্যে আমার একটাই কথা বলার আছে। যে গরুর বাঁধন আপনারা নিজে হাতে দায়িত্ব নিয়ে খুলেছেন, এবার সে গরুর গুঁতো সামলানোর দায়িত্বও আপনাদেরই। অলরেডি আমার ফোল্ডারে খানসত্

আমার থ্যাংকসগিভিং

ঠিক দুক্কুরবেলা যখন অফিসে বসে বসে পেটমোটা টার্কি আর লেইমার্কা আলুসেদ্ধর ছবির পর ছবি দেখতে দেখতে সেকেন্ড হ্যান্ড কার্বোহাইড্রেট ওভারডোসে চিবুক প্রায় বুকে নেমে এসেছে তক্ষুনি ব্রেনওয়েভটা খেলল। আমাকে এবছর কেউ থ্যাংকস দিতে ডাকেনি---সে ডাকেনি বাঁচা গেছে, অন্য লোকের মুখ দেখলেই রাগ ধরে যায় আমার আজকাল---কাজেই আমার সন্ধ্যেটা ভূতুড়ে বাড়ির মতো খাঁ খাঁ খালি পড়েছিল। চরিত্রে অতৃপ্তি থাকলে যা হয়, সেটাও আবার আমার পছন্দ হচ্ছিল না। নিজের ওপর কেমন মায়া মায়া হচ্ছিল, মনে হচ্ছিল কেন আমারই পছন্দসই কোনও বন্ধু নেই, কেন আমারই একাবোকা থাকতে হয়, কেন আমাকেই হাত পুড়িয়ে রোজ রাতে ম্যাগি খেতে হয়। যদিও তপ্ত, ধোঁয়া ওঠা, অল্প ঝোল ঝোল ম্যাগি খেতে আমার দুর্দান্ত লাগে এবং ভালোবাসার জিনিসটা আরাম করে খাওয়ার সময় যে আশপাশ থেকে একগাদা লোক “এটা দাও, সেটা দাও, এই চ্যানেলটা বিশ্রী ওই চ্যানেলটা ঘোরাও” ঘ্যানঘেনিয়ে হাড় জ্বালায় না, সে জন্য আমি রোজ আমার কপালকে থ্যাংকস দিই। তবুও। আসলে তো ব্যাপারটা একাদোকার নয়, ব্যাপারটা হল হরমোনের। যখন মগজে সেরোটোনিনের সাপ্লাইয়ে টান পড়ে তখন সব সুখই অসুখ মনে হয়। তখন বিশ্ব

ঘুঘু তো দেখেছেন; পায়রাও দেখেছেন কী?

Image
আমি মথ আর প্রজাপতির তফাতটা জানতাম। প্রজাপতির পাখা সুন্দর, তাই সে সেটা কাউকে দেখাতে চায় না, মুড়ে বসে। মথের পাতার অত বাহার নেই, তাই তার অত রেখেঢেকে বসার বালাইও নেই। ঘুঘু আর পায়রা দেখেও একটাকে আরেকটার থেকে আলাদা করতে পারব। কিন্তু কেন্নোর প্রকারভেদ নিয়ে আমার কোনও জ্ঞানই নেই। কাছ থেকে ভালো করে দেখিনি বলেই বোধহয়। কেন্নোকে বসে বসে পরীক্ষা করার থেকে রে রে করে পোস্টকার্ড নিয়ে তেড়ে গিয়ে তাকে তুলে জানালার বাইরে ফেলাতেই আমার বেশি উৎসাহ ছিল। আপনারা জানতেন এ সব? না জানলে নিচের চার্টটা দেখে রাখুন, কাজে দেবে। জানলেও আবার দেখুন, রংচঙে ছবি দেখতে খারাপ লাগবে না। উৎস

শপথ # ৩-থোড়া ফাইটওয়া করো জী

তিন নম্বর শপথের কথাটা লিখতে একদিন দেরি হয়ে গেল। ঠিকই আছে, কারণ তিন নম্বর শপথটাও একদিক থেকে দেখতে গেলে দেরি নিয়েই। ইদানীং আমার সময়টা বিশেষ ভালো যাচ্ছে না। শরীরগতিক ঠিকই আছে, মনেরও খারাপ থাকার কোনও কারণ ঘটেনি, তবুও খারাপ আছি। আড্ডায় বসে হঠাৎ হঠাৎ চুপ মেরে যাচ্ছি, অফিসের জানালা দিয়ে বাইরে আকাশের দিকে তাকিয়ে শূন্যতায় চোখ আটকে যাচ্ছে, সবথেকে অবিশ্বাস্য যেটা হয়েছে সেটা হচ্ছে অবান্তরেও আমার আর মন বসছে না। রোজ এসে একবার করে চোখ বোলাচ্ছি, কী লেখা যায় ভাবছি, নেটে ঘুরে ঘুরে চোরাই মাল খুঁজছি, কিন্তু সবই ওপর ওপর। ভাসা ভাসা। কেন বলুন দেখি? গ্রহনক্ষত্রের ঘাড়ে দায়টা চাপাতে পারতাম কিন্তু পারছি না। কারণ আমি জানি আমার কী হয়েছে। কাজের অভাব। মানে কাজ আছে যথেষ্টই কিন্তু কাজের ইচ্ছে অন্তর্হিত হয়েছে। দুপাশ দিয়ে ল্যাম্পপোস্টের মতো হুশ হুশ করে ডেডলাইন বেরিয়ে যাচ্ছে, আমি জানালায় বসে বসে অম্লানবদনে দেখছি আর হাওয়া খাচ্ছি। চরম ফাঁকিবাজির মহামারী লেগেছে আমার জীবনে। অনেক সেলফ হেল্প গুরুরা শুনেছি বলেন, প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর একটা উপায় হচ্ছে কম কাজ করা। টু ডু লিস্টে কাজ যত কম,

জেনারেল নলেজ কেন নলেজ নয়

Image
উৎস ন্যাশনাল জিওগ্র্যাফিক ওয়েবসাইট "You can know the name of a bird in all the languages of the world, but when you're finished, you'll know absolutely nothing about the bird . . . So let's look at the bird and see what it's doing-that's what counts. I learned very early the difference between knowing the name of something and knowing something."                                                                             ---Richard Feynman

ছোট্ট একটা পুরোনো খবর

আপনাদের সঙ্গে এত কথা বলি যে কোন কথাটা বলা হয়ে গেছে আর কোন কথাটা হয়নি সেটাই মনে থাকেনা। এই যেমন দেখুন আমার মনে পড়ছে না আমি আপনাদের বলেছি কি না যে আমার একটা নতুন ল্যাপটপ হয়েছে। ইয়েস সার, আমি এখন দু’দুখানা সোনি ভায়ো-র মালিক। একটা ময়লামতো আরেকটা ঝিং চ্যাক নতুন। একটার ওজন বিশ মণ তো আরেকটার সাড়ে উনিশ। একটার কি-বোর্ডের খাঁজে খাঁজে চানাচুর আর বিস্কুটের গুঁড়োর ঢিবি, আরেকটার কি-বোর্ড এখনও ফটফটে ফরসা। সোনি ছাড়াও অনেক ব্র্যান্ড নেড়েঘেঁটে দেখলাম জানেন, কিন্তু সাড়ে চার বছর একসঙ্গে থাকলে প্রেমিকের ওপর পর্যন্ত মায়া পড়ে, ল্যাপটপ ব্র্যান্ড তো কোন ছার। কিছুতেই সোনি ভায়ো ছাড়া অন্য কিছু কিনতে পারলাম না। তবু শুধু ভায়ো কিনব ঠিক করেই কি রক্ষা আছে? ওপরের লেখাটাই যা শুধু এক, ভেতরে তো একেবারে হরেকরকমবা ব্যাপার। কেউ Z, কেউ E, কেউ বেসিক তো কেউ প্রিমিয়াম, কারো Core i5 তো কারো Core i7. স্পেসিফিকেশন নিয়ে মাথা ঘামিয়ে ঘামিয়ে রাতের ঘুম মাটি করছি দেখে বান্টি বলল, “লিখবে তো ওয়ার্ড ফাইল খুলে বাংলা, ওসব খুঁটিনাটি জেনে তোমার লাভ নেই কুন্তলাদি।” কথাটায় যুক্তি আছে। কাজেই আমি আর না ভেবে যা হো

সাপ্তাহিকী

Image
কড়া এ.সি. থেকে বেরোনোর পরের পাঁচ মিনিট আমাকে যে রকম দেখতে লাগে। সে রকম আরও ছবি দেখতে হলে  এখানে ক্লিক করুন।  The true New Yorker secretly believes that people living anywhere else have to be, in some sense, kidding.                                                                                                 ---John Updike পরিবর্তনের শুরু? ফেলে যাওয়া সুটকেস। আত্মহত্যার প্ল্যান থাকলে এই রাস্তাগুলো ভেবে দেখতে পারেন। Determination. সাইকেলে চড়ে বসে প্যাডেলে চাপ দিলেই হল? নিয়মকানুন মানতে হবে না? এ সপ্তাহে রইল আমার মায়ের প্রিয় সিনেমার প্রিয় গান। শুনে দেখুন তো কেমন লাগে। আর কী? ভালো হয়ে থাকবেন। ঠাণ্ডা পড়ে গেছে কিন্তু, অকারণ সাহসিকতা দেখাতে গিয়ে মাফলার না পেঁচিয়ে বিছানা নেবেন না। সোমবার দেখা হবে। টা টা।