Posts

Showing posts with the label Things I...

শিওর?

যে ব্যাপারগুলো নিয়ে আমি শিওর যেগুলো নিয়ে শিওর নই আমার মা আমাকে ভালোবাসেন। বাড়ির দরজা বন্ধ করে বেরিয়েছি কি না অর্চিষ্মান না থাকলে আমি বেঘোরে মারা পড়ব। ফ্রিজে রান্নার মতো কোনও তরকারি আছে কি না কর্মফল বলে একটা ব্যাপার আছে। যিনি লিফটের বোতামের আলো জ্বলছে দেখেও বারবার   টিপছেন, তিনি কেন এরকম করছেন ইয়েতি অভিযান দিল্লিতে রিলিজ করলে আমি হলে গিয়ে দেখব। উক্ত সিনেমাটি আমি কেন দেখব কেউই সুখী নয়। যারা জ্যোতিষ চ্যানেলকে দিবারাত্র গালাগালি দেন, তারাই সকালসন্ধ্যে শেয়ার বাজারের ওঠাপড়ার প্রেডিকশন শোনেন কেন সোশ্যাল মিডিয়া = মন খারাপ লোকে মুলো কী করে ভালোবেসে খায় তর্ক করা = বেকার সময় নষ্ট প্রশংসা লাভজনক না ক্ষতিকারক মিটিং করে কোনও কাজের কাজ হয় না। লোকে সারাদিন মিটিং কেন করে দিস, টু, শ্যাল পাস।   মর্নিং শোজ দ্য ডে অনুপ্রেরণাঃ What I Know For Sure

এ বছর বড়দিনে আমি যা যা জানলাম

Image
১ ।   কলকাতা আগের থেকে অনেক পরিষ্কার । অনেক মানে অনেক । চোখে পড়ার মতো । ২ ।   পশ্চিমবঙ্গের , অন্তত আমাদের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিটি আর আগের মতো পরিষ্কার নেই । বেশ ঘোলাটে হয়েছে । সেই সব সোনালি দিন গেছে যখন বাড়ির সবাই হয় সি পি এম , নয় অ্যান্টি সি পি এম । এখন চয়েস বেড়েছে , একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতাবস্থাটিও উধাও হয়েছে । খাবার টেবিলে আর পলিটিক্স পাড়া যাচ্ছে না । উৎস গুগল ইমেজেস ৩ । সাদাসিধে হওয়াটাকে আমি এতদিন শুধু গুণের লিস্টেই রাখতাম , ডবল ফেলুদা দেখে বুঝলাম সেটা কখনও কখনও বিপক্ষেও যেতে পারে । ফেলুদাকে হাতে রজনীগন্ধার মালা পেঁচিয়ে মুজরোতে পাঠানোর দরকার নেই , কিন্তু শুধু বালি আর বামনগাছিতে ঘুরিয়ে মারলে একটু বোরিং লাগে বইকি । এবার প্লিজ হত্যাপুরী হোক , প্লিজ । ৪ । ডবল ফেলুদা দেখতে গিয়েছিলাম সাউথ সিটি আইনক্সে । পার্কিং লটের বারান্দা থেকে সাউথ সিটির ফ্ল্যাটগুলো দেখতে দেখতে দেভের কথা মনে পড়ল । ওই বাড়িরই কোনও একটা ফ্ল্যাটে থাকেন আমাদের বাংলার সুপারস্টার । আমি দেভের প্রতি পার্শিয়াল । তার কারণ , এক , দেভ লম্বা , দুই , দেভ নিজের কাজে সফল । বিশ্বস্ত সূত্রে...

36 Things I Do Not Want To Do Before I Die

Image
১। ম্যারাথন দৌড়তে ২। এরোপ্লেন থেকে ঝাঁপ দিতে ৩। সিনেমায় নামতে ৪। টেড টক দিতে (ইন ফ্যাক্ট, কোনও রকম পাবলিক স্পিকিং করতে)  ৫। আয়ান র‍্যান্ডের বই পড়তে ৬। মদগাঁজাসিগারেট ধরতে ৭। চা ছাড়তে ৮। ডলফিনদের সঙ্গে সাঁতার কাটতে ৯। গণ-বেড়াতে যেতে ১০। লিডারশিপ/ওয়েলনেস মার্কা ট্রেনিং-এ গোল হয়ে বসে মনের কথা বলতে ১১। অষ্টমীর রাতে কলকাতায় ঠাকুর দেখতে বেরোতে ১২। অর্চিষ্মানকে ছেড়ে থাকতে ১৩। বিগ বসের বাড়িতে পা রাখতে ১৪। যুদ্ধের মধ্যে পড়তে ১৫। এভারেস্ট চড়তে ১৬। চিটফান্ডে বিনিয়োগ করতে ১৭। অর্ণব গোস্বামীর অটোগ্রাফ নিতে ১৮। বাবা/মাতা/সংঘ/মিশনের পাল্লায় পড়তে ১৯। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হতে ২০। ট্যাটু আঁকতে ২১। যাঁরা বলেন নারীবাদের দরকার কী, একেবারে মানববাদ হলেই তো ভালো হয়, তাঁদের সঙ্গে কথা বাড়াতে ২২। খ্যাপা ষাঁড়ের সামনে হাজার হাজার লোকের সঙ্গে দৌড়তে ২৩। হাজার হাজার লোকের সঙ্গে পাকা টমেটো গায়ে মাখতে ২৪। একলা ঘরে ভূতের সিনেমা দেখতে ২৫। ভূতুড়ে বাড়িতে রাত কাটাতে ২৬। রাজনীতিতে নামতে ২৭। শুক্কুরবার শুক্কুরবার সন্...

Shocking and depressing things I learned this week

আমি শকড, আমার বাড়ির লোক শকড, আমার লতাপাতার আত্মীয়রা শকড, আমার অফিসের সহকর্মীরা শকড, আমার উবারপুলের সহযাত্রীরা শকড, আমার ফিডলিতে যে সব ব্লগাররা আছেন, বই থেকে বিউটি থেকে বেকিং থেকে বাড়ি সাজানো, তাঁরাও সকলেই শকড।  আমি যে অ্যামেরিকাটাকে চিনি, সে অ্যামেরিকাটাও অন্য অ্যামেরিকাটাকে দেখে শকড। অ্যামেরিকা পর্যন্ত যাওয়ার দরকার নেই। আমার দেশের মধ্যেও কোটি কোটি দেশ ঘাপটি মেরে রয়েছে যাদের সম্বন্ধে আমি সম্পূর্ণ অন্ধকারে। মাঝে মাঝে সে সব দেশের সঙ্গে আমার মোলাকাত হয়ে যায় এবং আমি শকড হই। যত দিন যাচ্ছে তত শকের ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ছে। আমার সঙ্গে এক ভাষা, এক শহর, এক মফস্বল, এক সরকারি স্কুলিং, বার্ষিক আয়ের এক ব্র্যাকেট, নানাবিধ প্রিভিলেজ ও প্রতিকূলতার স্তর ভাগ করে নেওয়া লোকজন, আমি ধরে নিয়েছিলাম তাঁরা নিশ্চয় আমার মতোই হবেন, আমি শকড এই দেখে যে সেই ধরে নেওয়াটা কী অসাধারণ ছেলেমানুষি হয়েছিল। তাদেরও বেশিরভাগকেই আমি আসলে চিনি না। যে লোকটার কথা শুনে আমার হাত পা পেটের ভেতর সেঁধিয়ে যাচ্ছে, ঘাড়ের রোঁয়া খাড়া হয়ে যাচ্ছে, সেই একই লোকের সেই কথাগুলো শুনেই তাঁদের কারও কারও মনে হচ্ছে যাক, এতদিনে কেউ সত্যি ক...