Posts

Showing posts with the label লিস্ট

প্রুস্ত প্রশ্নমালা

বাজারে পাঁচশো রকম প্রুস্ত প্রশ্নমালা ঘুরছে। আরও পাঁচশো রকমফের। রকমফেরগুলো না হয় বুঝলাম, যাঁরা নিজেদের 'আদি' বা 'আমাদের কোনও শাখা নেই' দাবি করছেন, তাঁদেরও একে অপরের সঙ্গে প্রশ্ন মিলছে না। সে সব 'আদি' প্রশ্নমালার মধ্যে পছন্দসই একটা নিচে দিলাম। l. What is your idea of perfect happiness? খুব, খুব, খুব মন দিয়ে কিছু করা। সব কিছু, সব দিক, সবার থেকে মন গুটিয়ে একটি বিন্দুতে - সে ক্যালকুলাস হোক বা ক্যান্ডি ক্রাশ - সংহত করা। বেসিক্যালি, নিবিষ্টতা। নিমগ্নতা। 2. What is your greatest fear? মরে যাওয়ার সময় যদি মনে হয়, অন্যভাবে বাঁচলে হত? মাগো। 3. What is the trait you most deplore in yourself? শুরু করে শেষ না করতে পারা। 4. What is the trait you most deplore in others? অভদ্রতা। 5. Which living person do you most admire? অর্চিষ্মান মিত্র। 6. What is your greatest extravagance? ওয়ার্ক ফ্রম কফিশপ। দিনে তিনটে করে কফি কিনে খাওয়া। বাড়াবাড়ির একটা সীমা থাকা দরকার। 7. What is your current state of mind? অর্চিষ্মানের দেওয়া একটা নীল রঙের ভীষণ সুন্দর জামা আর স্পেশাল অকেশনের একটা দুল প...

২০২৬ রেজলিউশন

তিন্নি নববর্ষের সকালে বসে বসে বোর হচ্ছিল। ফোন করে বলল, কুন্তলা তোর রেজলিউশনের লিস্ট দে, পড়ে চোখ ঘোরাই আর তাহলেই হয়েছে বলে নাকের ভেতর দিয়ে হাসি। তানানানা করছি দেখে বলল, না হয় ছোট দেখে লিস্টই দে। খেলিয়ে লেখ দাবি করলে, না ভাই আমার আঙুলে মশা কামড়েছে বলে কাটানো যায়, কিন্তু যে অলরেডি অল্প করে চাইছে তাকে ফেরানো শক্ত। কাজেই এই থাকল আমার রেজলিউশনের ছোট দেখে লিস্ট। ১। দু’হাজার ছাব্বিশে আমি দরকারের বেশি একটি কথা দাঁতের ফাঁক দিয়ে বার করব না। ২। দু’হাজার ছাব্বিশে আমি অ্যালার্ম দিয়ে দিনে পনেরো মিনিট ইউটিউব শর্টস দেখব, ষোল মিনিট হয়ে গেলেই নিজের পিঠে কাঁটার চাবুক সপাং সপাং মারব। ৩। দু’হাজার ছাব্বিশে স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেব। যত না দু’হাজার ছাব্বিশ বলে তার থেকে বেশি পঁয়তাল্লিশ বলে। হাঁটাহুটি আমার ভালোই হয়, আমাকে কন্ট্রোল করতে হবে ডায়েট। আমি একটা অত্যাশ্চর্য পরিমাণ হাবিজাবি খাই। অর্চিষ্মান না থাকলে হিসেব নিয়ে দেখেছি, সারাদিন আমি তিন কাপ কফি, এক প্যাকেট ম্যাগি আর দুশো গ্রাম নাট ক্র্যাকার খেয়ে বসে থাকি। এ সব বন্ধ করব। পঁয়তাল্লিশে এইসব পেঁয়াজি করলে অচিরেই মূল্য চোকাতে হবে। ৪। দু’হাজার ছাব্বিশে কিছু লোক...

সেই সব মায়েদের

ঘুমচোখে ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতে অর্চিষ্মান বলল, শুনছ? জোম্যাটো রিসার্চ হ্যাজ ফাউন্ড আউট হোয়াট মমস ওয়ান্ট। বললাম, কী সেটা? অর্চিষ্মান ততক্ষণে টুইটারে শিফট করে গেছে তাই আর উত্তর দিল না। অসুবিধে নেই। আমারও একটা ফোন আছে। সেই ফোনে সুইগি, মিন্ত্রা, রেলিগেয়ার ইনশিওরেন্স, নার্সারি লাইভ, ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন, বন্ধন লাইফ ইনশিওরেন্স, আদিত্য বিড়লা সান লাইফ মিউচুয়াল ফান্ড,  কল্যাণ জুয়েলার্স সবাই মেসেজ পাঠিয়ে আমাকে জানিয়েছে যে এই মাদার্স ডে-তে মায়েরা কী চান। কী ডিজার্ভ করেন। আমার ফেভারিট হইচই-ও মাদার্স ডে-তে মায়ের মন জয় করার টোটকা পাঠিয়েছে। মাকে সঙ্গ দিন। মায়ের সঙ্গে বসে হইচইতে উনিশে এপ্রিল, চিনি ১ ও চিনি ২ দেখুন। কালও স্বপ্নে মায়ের সঙ্গে দেখা হল। কিন্তু এ  বছরের মাদার্স ডে-তে কী করলে তোমার মন জয় করতে পারব বল জিজ্ঞাসা করার সুযোগ পাইনি। কী একটা সাহিত্যসভা গোছের গোলযোগ চলছিল। মা সভায় অংশগ্রহণ করছিলেন। চেনা আরও অনেকে করছিল। আমাকে সাহিত্যসভায় ডাকেনি তবে উদ্বোধনী সংগীত গাইতে বলেছিল। ভাবছিলাম কী করে কাটানো যায় তাই মাকে বললাম মা তুমি বস আমি চা নিয়ে আসছি। চায়ের দোকানে গিয়ে দেখি অর্চিষ্মান এগরোলের ম...

মাঝবছরের বই

এ যাবত ক'টা বই পড়েছেনঃ গুডরিডস দাবি করছে মোটে ১৪টা। আমার ধারণা আমি তার বেশি পড়েছি। পড়ে, গুডরিডসকে জানাতে ভুলেছি। কাজেই ১৪ই সই। এ বছরের ৫০ টা বই পড়ার অভীষ্ট পূরণে আমি ১১টা বই বিহাইন্ড শেডিউল। বুঝুন অবস্থা। তবে পিক আপ নিয়েছি। গোঁজামিলও দেব কিছু। রি-রিড গুনব। এই যেমন সিম্পল প্যাশন আবার পড়ব এবং গুনব। হুলিয়ে বাংলা বই পড়ব। ছোট ছোট উপন্যাস। মাপে, মানে নয়। এই যেমন বিমল করের খড়কুটো আবার পড়লাম এবং গুনলাম। কাল রাতে সন্দীপনের 'রুবি কখন আসবে' পড়লাম। নবারুণের লুব্ধক পড়েছি, গুনেছি। শক্তির কুয়োতলা পড়ছি। মোটে আটাত্তর পাতার বই। আজকালের মধ্যে নামাব। মোদ্দা কথা, আগের বছরের চ্যালেঞ্জ হেরেছি, এ বছর যেন তেন প্রকারেণ জিতব। এ যাবত পড়া ২০২২-এর সেরা বইঃ চট করে উত্তরটা দিচ্ছি না, কারণ এখনও এমন কিছু (নতুন) পড়িনি যা উড়িয়ে নিয়ে গেছে। যা পড়েছি তার মধ্যে সেরা বেছে বলতে পারি, কিন্তু সে নাতিশীতোষ্ণ সেরা হবে। কাজেই উত্তরটা তুলে রাখছি, বছরের শেষে দেব। সবথেকে চমকপ্রদ পাঠঃ বিমল করের খড়কুটো। কাফ লাভ-এর আখ্যান সাড়ে একচল্লিশের বুক এমন মুচড়ে দিতে পারে, বিশ্বাস করতাম না। গল্পটা নিখুঁত বলব না, কিন্তু শেষ কর...

দশ

১। দ্বিতীয় আইনস্টাইন হবেন না পৃথিবীর সরথেকে সুখী মানুষঃ সুখ ধুয়ে কি জল খাব? তার থেকে আইনস্টাইন হব। রিলেটিভিটি নিয়ে বক্তৃতা দেব আর জিভ বার করে পোজ। ২। প্রথম প্রেমের দ্বিতীয় পছন্দ হবেন না দ্বিতীয় প্রেমের প্রথম পছন্দঃ আইনস্টাইনেরও এ প্রশ্ন বুঝতে ঘাম ছুটে যেত। আমি পাঁচ মিনিট চেষ্টা করে ক্ষান্ত দিচ্ছিলাম, তারপর প্রিয়বন্ধুর বাবার পরামর্শ মনে পড়ল। কাকু বলেছিলেন, কোনওদিন প্রশ্ন ছেড়ে আসবি না। এক্স্যাক্ট উত্তর না হোক, আশেপাশের কোনও কিছু নিয়ে যা জানিস লিখে আসবি। আমার কোনও কাজ ফার্স্ট অ্যাটেম্পটে ঠিক হয় না। গোটা জীবন ট্রায়াল অ্যান্ড এরর। ঠেকতে ঠেকতে শেখা। কাজেই প্রথম প্রেমকে আমি মারাত্মক গুরুত্ব দিই না। তাছাড়া প্রত্যেক প্রেমই, যদি নতুন লোকের সঙ্গে করা হয়, প্রথম। পুরোনো লোকের সঙ্গেও নতুন করে প্রেম করলে প্রথম প্রেমের মতোই রোমহর্ষক হবে, শিওর। কাজেই প্রেমের প্রথম দ্বিতীয় র‍্যাংকিং অর্থহীন।  তাছাড়া হওয়া না হওয়ার গুরুদায়িত্বই বা নেব কেন ঘাড়ে? সে বল অন্যের কোর্টে ফেলব। এমন কারও পছন্দ হব যে এক টক্কায় সব ঠিক করে। ৩। ব্যক্তিত্ব বদলাবেন না চেহারাঃ চেহারা বদলে বিশেষ লাভ নেই। অনিত্য ব্যাপার। লিম...

বলুন দেখি

টাইম নেই, এদিকে পোস্ট দেওয়ার (এবং আপনাদের সাড়া পাওয়ার) ইচ্ছে ষোল আনা। কাজেই ফাঁকিবাজি ‘আমাকে দেখুন’ লিস্ট পোস্ট। তিরিশটা প্রশ্নের প্রশ্নপত্রে আটখানাই প্রেমভালোবাসার। এইজন্যই জীবনে কিছু হল না। এককথায় নিজেকে প্রকাশ করুন। অকিঞ্চিৎকর শেষ কখন কেঁদেছেন?   ঘণ্টাবারো আগে। বালিশ ভাসিয়ে। এ কান্নার সঙ্গে নিজের অকিঞ্চিৎকরতার উপলব্ধির সম্পর্ক নেই। ওটা একটা আলতো বেদনা যা চব্বিশঘণ্টা দপদপ করে। ভায়োলেন্ট কান্নাকাটি দাবি করে না। শেষ কখন হেসেছেন?   পঁয়তাল্লিশ মিনিট আগে। এত ভায়োলেন্ট হাসি যে গাল টনটন করছে এখনও। বদঅভ্যেস?   নখ দিয়ে নিজের চামড়ায় ক্ষত করা। টেক্সটবুক অ্যাংজাইটি উপসর্গ। বড় হয়ে কী হতে চেয়েছিলেন?   ক্লাস সেভেনে কোনও একটা ক্লাসে কোনও একজন দিদিভাই প্রশ্নটা করাতে ডাক্তার না কী একটা উত্তর দিয়েছিলাম। যেই না দেওয়া, প্রাণঘাতী চিমটি কেটে প কানের কাছে উত্তেজিত ফিসফিসিয়েছিল, তুই যে বলেছিলি লেখক হবি? আমি তো হাঁ। এ সব হাবিজাবি আমি বলতেই পারি না। শুনে প মারাত্মক চটে আমাকে দিনক্ষণ ধরে মনে করিয়ে দিয়েছিল, ক্লাস থ্রি-র ইংরিজি ক্লাসে ফিল ইন দ্য ব্ল্যাংক্স সেরে খাতা জমা দিয়ে থার্ড...

২০২১ -এর পড়া/ না-পড়া

ঋণস্বীকারঃ বুকটিউবে ঘুরতে থাকা বর্ষশেষের বিবিধ ট্যাগ। ক’টা বই পড়েছেন? পনেরোটা। হাসিরই ব্যাপার, কান্নারও হতে পারে প্রব্যাবলি। তবে মাসে একটার বেশি যে পড়েছি তাতেই আমি ধন্য। কম পড়লেও, এ বছরের পড়া নিয়ে বেশি দুঃখিত হতে পারছি না, কারণ নিচে বলছি। এমন কোনও বই ধরেছেন যা শেষ করেননি বলে আফসোস আছে এবং পরের বছর নির্ঘাত শেষ করবেন? অগুন্তি। কত ভালো ভালো বই যে মন বসাতে পারিনি বলে ফেলে রেখেছি। দুটোর কথা মনে পড়ছে বিশেষ করে। এক, জর্জ সন্ডার্সের “A Swim in a Pond in the Rain: In Which Four Russians Give a Master Class on Writing, Reading, and Life” আর Tove Ditlevsen-এর তিন পর্বের আত্মজীবনী, ‘দ্য কোপেনহেগেন ট্রিলজিঃ চাইল্ডহুড, ইউথ, ডিপেন্ডেন্সি’।  (প্রথম বইটার নাম অবিশ্বাস্য রকম দীর্ঘ বলে রোম্যান হরফে লিখলাম, অতগুলো শব্দ বাংরেজিতে পড়তে অসুবিধে হতে পারে ভেবে, আর দ্বিতীয় লেখকের নামের উচ্চারণ নিয়ে ঝামেলায় পড়ব বলে রোম্যান হরফ বাছলাম। এত কথা বললাম পাছে আপনাদের কেউ ভেবে বসেন যে কুন্তলা কিছুমাত্র না ভেবে যখন ইচ্ছে যেমন হরফে লিখে গেছে।) দীর্ঘতম কী বই পড়েছেন এবং কোন বইয়ের পেছনে দীর্ঘতম সময় ব্যয় করেছেন?...

The Philosophy of Reading

ঋণস্বীকারঃ Brandon’s Bookshelf (এখানে রিডিং মানে অবসরের রিডিং। পাঠ্যপুস্তক বা পেপার নয়। ) 1. What's most important...a good character, plot, or message? চরিত্র ও প্লটকে ক্রমানুসারে বসানো যায় কি না সে বাবদে ক্রমশ সন্দিহান হয়ে উঠছি। আমার কাছে দুটোই জরুরি। বাহান্ন কিংবা তিপ্পান্ন। উনিশ বা কুড়ি। কোনটা উনিশ কোনটা কুড়ি, গল্পের ওপর নির্ভর করবে। মেসেজ আমার কাছে একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। থাকলে উপরি। না থাকলে কোনওই অসুবিধে নেই। সত্যি বলতে কি, মেসেজ দিতে গিয়ে এত গল্পকে মাটি হতে দেখেছি, গল্পে মেসেজ নেই জানলে পড়তে বসতে স্বস্তি বোধ করি। 2. Should one read books about ideas or opinions they disagree with? নিশ্চয়। না হলে আমার আইডিয়া বা মতামতে উপনীত হব কী করে? হয়ে যাওয়ার পর নিয়মিত সে অবস্থানকে পরখই বা করব কী করে। 3. As tech advances, what do you think will be the role of books? “Books are no more threatened by Kindle than stairs by elevators.” Stephen King 4. How important are summaries, review, and art in your book choosing? আর্ট গুরুত্বপূর্ণ নয় আমার বই বাছার ক্ষেত্রে।...

পছন্দসই পাঁচ

শমীক আর প্রদীপ্তর কমেন্ট পড়ে মনে পড়ল যে একসময় অবান্তরে বেড়াতে যাওয়ার পোস্ট লেখা হত বটে। আরও আশ্চর্যের কথা, একসময় বেড়াতেও যেতাম। অবান্তরজাতীয় ব্লগিং-এর ট্রেন্ড উঠে গেছে। ওঠাই উচিত। যতসব পার্সোন্যাল প্যাঁচাল। কিন্তু প্যাঁচালের একটা উপযোগিতা আছে। পাবলিক ডায়রি হলেও ডায়রি তো। ডায়রির মতোই সময় ধরে রাখে। অর্চিষ্মান দাবি করেছে ও মাঝেমাঝেই আমাদের বেড়াতে যাওয়ার পোস্টগুলো পড়ে। ছবি দেখে। কী করেছিলাম, কী খেয়েছিলাম, কেমন ফুর্তি হচ্ছিল। উদয়পুরের অটোওয়ালাকর্তৃক ঠকা প্রতিরোধের ব্যর্থ চেষ্টা করছিলাম, পাঞ্জিম টু পালোলেম বাসের জানালা থেকে গ্রামীণ গোয়ার গোধূলির মায়ায় চোখ ভাসিয়ে কান ও মন খাড়া করে সহযাত্রী বাঙালি দম্পতির ঝগড়ার প্রতিটি অক্ষর গিলছিলাম, পিচোলা লেকে ভাসছিলাম, চন্দ্রশীলা চড়তে জিভ বার করছিলাম, স্বর্ণমন্দিরের জলের ধারে হাঁটুতে চিবুক রাখছিলাম। শেষ বোধহয় গিয়েছিলাম ওর্ছা। ছবিগুলো দেখছিলাম। জাহাঙ্গির মহল আর বেতোয়ার স্রোতের থেকে নিজেদের ছবি দেখতে উৎসাহ বেশি ছিল। ছবির মেয়েটা নির্ঘাত আমিই, কিন্তু আবার আমিও কি? ওই মুহূর্তের আমি হয়তো জলের স্রোতের মতো বয়ে গেছে চিরদিনের মতো। অর্চিষ্মানকে দেখলাম। সে জ...

B negative

এই পোস্টটা যেদিন, যখন শুরু করেছিলাম, সেদিন, পোস্টটা শুরু করার আধঘণ্টা আগে আমার একটি "পিয়ার রিভিউ" হস্তগত হয়। কাজেই একটা হিংস্র কিছু করার ইচ্ছে প্রবল ছিল। কাউকে, যাকে হাতের কাছে পাই, আঘাত করার তাড়না তুঙ্গে ছিল। এই সব তাড়নাগুলোর সময় সাবধানে থাকতে হয়। বলা যায় না, নিজের গালেই চড় মেরে বসতে পারি। সেটা যদি এড়াতে চাই, অন্য কারও গাল দেখতে হয়। সেটাও আবার নিজের সেফটির পক্ষেই ক্ষতিকর। এই সময় বেস্ট হচ্ছে গুছিয়ে কারও নিন্দেমন্দ করা। আড়ালে, বলা বাহুল্য। প্রকাশ্যেও করা যায়, তবে সেলিব্রিটি কাউকে বাছা দরকার। ওঁদের চামড়া যথেষ্ট মোটা হয়েছে ধরে নেওয়া যায়, আমার মতো হেঁজিপেঁজি কী বলল মাইন্ড করবেন না। সেই সময়েই আদ্যন্ত নেগেটিভ একটি বই/লেখকসংক্রান্ত ট্যাগের মুখোমুখি পড়ি, যা ঝাল ঝাড়ার পক্ষে আদর্শ। এই সব বই এবং লেখকরা শুধু যে সেলিব্রিটি তাই নয়, অনেকেই গত হয়েছেন এবং/অথবা নক্ষত্রের জায়গা নিয়েছেন। আমার মতামতে তাঁদের সত্যিই কিছু এসে যায় না। কিন্তু সে আগের সপ্তাহের ব্যাপার ছিল। এখন হিংস্রতা কমে এসেছে। ভাবছি কী হবে ভালোমন্দ বলে। তারপর ভাবলাম, এই বাজারে টাইপ হয়ে যাওয়া আটশো ঊনত্রিশখানা শব্দ নষ্ট করার মানে ...

জনসাধারণের সুবিধার্থে ঘোষণা

অধুনা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে নিজেকে এবং প্রতিবেশীদের চাঙ্গা রাখার জন্য বারান্দায় কিংবা ছাদে উঠে থালবাদ্য সহযোগে গানবাজনার আইডিয়া চমৎকার। তবে প্রভাতফেরি বা সংকীর্তন বর্জন করে যে যার নিজস্ব ছাদ কিংবা বারান্দায় গাইলেই ভালো। গানের বাছবিচারেও সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন আছে। জনসাধারণের সুবিধার্থে পরিস্থিতির অনুকূল ও প্রতিকূল গানের তালিকা নিচে দেওয়া হল। ট্রাফিক লাইটের সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রেও এ তালিকা মেনে চলা স্বাস্থ্যকর। বিঃ দ্রঃ - জীবনে সংস্কৃতিমংস্ক্রিতি সুরুচিফুরুচির ধার না-ধারা, গান না-গাওয়া, না-বোঝা, না-শেখা, মায় শোনারও কোনওরকম তাগিদ বোধ না-করা বাঙালিরাও যে সব গানগুচ্ছের নাগাল থেকে নিস্তার পায়নি বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত, সে সব গানই তালিকায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।                 যে সব গান গাওয়া যেতে পারে              যা যা না গাইলেই ভালো আঁধার আমার ভালো লাগে আয় তবে সহচরী , হাতে হাতে ধরি ধরি না বাঁচাবে যদি আমায় মারবে কেন তবে আজ সবার রঙে রং মেলাতে হবে আঃ বেঁচেছি এখন । শর্মা ও দিকে আর ন...