Posts

জয় কুম্ভ

Image
উৎস

Dis or Dat

Image
আলোকচিত্রীঃ Joel Robinson  কলপ না পাকাচুলঃ পাকাচুল গণিত না দর্শনঃ দর্শন হরর না মিস্ট্রিঃ মিস্ট্রি হিচকক না উডি অ্যালেনঃ হিচকক দর্শনধারী না গুণবিচারিঃ গুণবিচারি পঞ্চাশ পয়সা না আট আনাঃ পঞ্চাশ পয়সা মৃত্যুদণ্ড না আজীবন কারাবাসঃ আজীবন কারাবাস দুধ চা না লেবু চাঃ লেবু চা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না অনিয়ন রিংসঃ অনিয়ন রিংস ভিডিও গেম না বোর্ড গেমঃ বোর্ড গেম ছাতা না সানগ্লাসঃ ছাতা প্রাচ্য না পাশ্চাত্যঃ পাশ্চাত্য ডান না বামঃ ডান ফেল না টুকে পাশঃ ফেল বরং না বরঞ্চঃ বরং ড্রামা না ডকুমেন্টারিঃ ড্রামা ঘরমুখো না বারমুখোঃ ঘরমুখো আদা লজেন্স না লেবু লজেন্সঃ আদা লজেন্স গরম ভাত না পান্তাঃ গরম ভাত স্প্যাগেটি না ম্যাকারনিঃ স্প্যাগেটি মুভি না ফিল্মঃ ফিল্ম স্টেনলেস স্টিল না ননস্টিকঃ স্টেনলেস স্টিল জমা না খরচঃ জমা অলস না ওয়ার্কহলিকঃ অলস

লাঞ্চটাইম স্টোরি

গত ক’দিন ধরে অফিসে একটু বিপদের মধ্যে আছি। নিতান্ত দরকার না পড়লে খুব একটা নিজের ঘর থেকে বেরোই না। বেরোলেও মাথা নিচু করে কাজ সেরে আবার চট করে ঘরে ঢুকে দরজা দিয়ে দিই। ভয়ে ভয়ে থাকি এই বুঝি কেউ কিছু বলে বসল। বস্‌ ডেকে পাঠালে তো কথাই নেই, বুকের ভেতর ঢেঁকির পাড় পড়তে থাকে। কেন, সেটা বলতে গেলে একটু গোড়া থেকে বলতে হবে। সেই যে লাঞ্চ ব্রেক নিয়ে কথা হয়েছিল মনে আছে? চারদিকে কত দোকান, কত ঠ্যালাগাড়ি, ঠ্যালাগাড়ি জুড়ে কত আলু-পুরি, সে সব কল্পনা হয়েই থেকে গেছে। মানে খেলে খাওয়াই যায়, কিন্তু সমস্যা আছে। ঠ্যালাগাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টিফিন করতে গেলে আমাকে একজন কি দুজন সঙ্গী জোগাড় করতে হবে, না হলে ব্যাপারটা একটু দৃশ্যে পরিণত হওয়ার চান্স আছে। আর যে কোনও রকম দৃশ্যে আমার ঘোর অনীহা। আর তার থেকেও বেশি অনীহা লাঞ্চ ব্রেকের ওই মুক্তির সময়টুকু মনুষ্যসঙ্গে জর্জরিত করায়। কাজেই, ঠ্যালাগাড়ি বাদ । আমি ঘাবড়াইনি। এত সহজে ঘাবড়ালে আর করে খেতে হচ্ছে না। অফিসপাড়াটা একটু সার্ভে করে দেখলাম আরও বিভিন্ন বিকল্প আছে, যেগুলো পুরি-সবজির মতোই ফার্স্টক্লাস। প্রথম দিন নিরামিষ প্যাটিস আর টমেটো সুপ খেলাম, দ্ব...

শুক্রবার বিকেলে ল্যাব/অফিস তাড়াতাড়ি কাটবার সময়

Image
উৎস

মিষ্টি অমলেট

Image
অবশ্য আপনাদের ইচ্ছে হলে Omelette à la Confiture ও বলতে পারেন। শেষ শব্দটা কী করে উচ্চারণ করতে হয়, আমার কাছে জানতে চাইবেন না যদিও। এই অমলেটটার কথা আমি প্রথম জানতে পারি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে। অমলেটটার কথা বলার আগে বন্ধুটির কথা একটু বলতে হবে। এই বন্ধুটির থেকে অলস লোক আমি জীবনে আর দেখিনি। অনেকেই দেখেনি। দিল্লি আই এস আই-এ অলসতার কম্পিটিশনে গোটা বারো সেরা কুঁড়েকে হারিয়ে এ ফার্স্ট হয়েছিল। বান্টি সাক্ষী। কী কী বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বিজয়ী বাছা হয়েছিল জানতে চাওয়ায় বান্টি বলেছিল, অতশত মনে নেই, গোটা এক সেমেস্টার ধরে প্রতিযোগীদের পরীক্ষা করা হয়েছিল নাকি। হাড্ডাহাড্ডি কম্পিটিশন। শেষে বাকি ছিল দুজন। আমার এই বন্ধু আর আরেকজন। শেষে সেমেস্টার শেষ হওয়ার আগের দিন আমার বন্ধু, দ্বিতীয় কুঁড়েকে দিয়ে মেসের কুলার থেকে এক বোতল জল ভরিয়ে এনে কুঁড়েমিতে নিজের অবিসংবাদিত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছিল। যাই হোক। এবার অমলেটটার সঙ্গে আমার কী করে পরিচয় হল সে ব্যাপারে আসা যাক। আমি একবার এই কুঁড়েপ্রবরের বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলাম। ধরেই নিয়েছিলাম সে ক’দিন ইটিং আউট-ই ভরসা। কিন্তু আমাকে চমকে দিয়ে বন্...

Weekend

Image

সাপ্তাহিকী

Image
কে বলে শিশুরা অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট বোঝে না?  "Inspiration is for amateurs; the rest of us just show up and get to work."                                                       --- Charles Thomas Close (1940-) ডিয়ার জেন্টলমেন। কী মুশকিল, এটা এখানে এল কী করে? দুঃখ হচ্ছে? চটজলদি মন ভালো করতে হলে ক্লিক করুন। সখি, ভালোবাসা কারে কয়? কোন ডালে কী ফোড়ন দেয় সেই লেখা এ রকম একটা অ্যাপ্রন পাই তো কিনি।  একটা ছোট কাঠবেড়ালি, একটা বড় কাঠবেড়ালি আর কয়েকটা মানুষের গল্প। ভুলুন ভুলুন, শিগগিরি অভিমান টভিমান ভুলে যদ্দিন শীত থাকে তদ্দিন খুব করে কমলালেবু খান আর চিড়িয়াখানা যান। সোমবার আবার দেখা হবে। টা টা।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম

বৃহস্পতিবার, ভোর পাঁচটা অ্যালার্মটা বাজছে। বীভৎস, খ্যানখেনে আওয়াজ। ছ’ইঞ্চি পুরু লেপের তলা থেকে রাস্তা খুঁজে বেরোনো চাট্টিখানা কথা নয়। তার ওপর অন্ধকার। তার ওপর চোখে চশমা নেই। কোথায় তাও জানি না। ওরে বাবা, অ্যালার্মটা ক্রমশ জোরে হচ্ছে নাকি? রায়দের মোটা কুকুরটা একবার ঘেউ করল মনে হল না? লেপের গোলকধাঁধার মধ্যে থেকে হ্যাঁচড়া টানে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে হাতড়ে হাতড়ে গিয়ে অ্যালার্মটার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। থেমেছে। উফ্‌। আবার হাতড়ে হাতড়ে বিছানায় ফেরত আসার সময় পায়ে কী যেন একটা লেগে ঠং করে শব্দ হল। এঃহে , কাল রাত্তিরে জল খেয়ে গ্লাসটা মাটিতেই নামিয়ে রেখেছিলাম। ভাঙল বোধহয়। যাকগে মরুকগে। সূর্য উঠলে দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার, সকাল সাতটা আরাম করে চা খাচ্ছি। সামনে খবরের কাগজ খোলা, ল্যাপটপে ক্যাকটাসের সিধু ভয়ানক আবেগ দিয়ে ‘নীল নির্জনে’ লুপে গাইছে। আমি ঘাড় ঝাঁকিয়ে তালে তাল মেলাচ্ছি। ফুর্তির প্রাণ গড়ের মাঠ। কাল কী ভাগ্যিস সন্ধ্যের দিকে একটু জ্বর মাথাব্যথা হয়েছিল, শুনে মা বললেন, “কাল তাহলে অফিস বাদ দাও সোনা।” আমি লাফিয়ে পড়ে বললাম, “বলছ? তাহলে অফিসটা কাটাই বরং, অ্যাঁ? তার থ...

কোন সিনেমার সংলাপ কুইজের উত্তর

এইখানে।  যারা খেলেছেন তাঁদের সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।

কুইজঃ কোন সিনেমার সংলাপ?

আজকের খেলা, সংলাপ দেখে সিনেমা চেনা। নিচে দশটা বাংলা সিনেমা থেকে সংলাপ তুলে দেওয়া হল, আপনাদের সিনেমার নামটা বলতে হবে। আমাকে এ কথাটা বলতে বারণ করা হয়েছে তাই বলছি না, না বারণ করলে বলতাম যে এর থেকে বেশি সোজা কুইজ আমি কেন, আমার চোদ্দপুরুষ চোখে দেখেনি। উত্তর বেরোবে কনট প্লেসে শুক্রবার সকাল এগারোটায় আর নিউ জার্সিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে বারোটায়। ততক্ষণ ন্যাচারেলি কমেন্টস অফ করা থাকবে। অল দ্য বেস্ট। ***** ১. “হেই সামহাল্‌কে সামহাল্‌কে!...জাপানি সুটকেস হ্যায়, ইমপোর্টেড...” ২. “তুমি দেশে ফিরে যাবে? -দুর। -কেন গো? -আমার কেউ নাই। -বাপ মা নাই? -বাপ মা ভাই বোন বেয়াই বোনাই জগাই মাধাই কেউ নাই।” ৩. “তুমি পারবে ভাত করতে? -চেষ্টা করব। প্রেশার কুকারে তো? সিটি মারলেই নামিয়ে নেব। -তুমি জান এত সব? কোথায় শিখলে? -তুমি চেঞ্জ করবে তো করে নাও। -সবজি কী কী আছে...তা এগুলো কেটে ভাতের মধ্যে দিয়ে দিলেই তো হয়। বেশ পোলাও পোলাও লাগবে। -বললে দেব। -দাঁড়াও......এই তো। ঘি, গরম মশলা, তেজপাতা, জাফরান, নুন মিষ্টি। -এটা কী? -আমার রেসিপির খাতা। বিয়ের পর নানা জায়গা থেকে টু...

Palindrome

Image

Things I am Loving

Image
১. চিকু। চিকু আমাদের অফিসে চাকরি করে। ঘণ্টায় ঘণ্টায় আমাদের চা দেয়, কিংবা চাইলে কফি। চিকুর গায়ে কালো টি-শার্ট, তার ওপর ডিটারজেন্টের বিজ্ঞাপনকে লজ্জা দেওয়ার মতো ধবধবে সাদা হুডওয়ালা জ্যাকেট, পায়ে হিলওয়ালা বুট, চোখে সবুজ ফ্রেমের চশমা। অফিসের লোকেদের সব বদঅভ্যেস চিকুর নখদর্পণে। কে ঘন ঘন ফিকি চা খাবে, কে কড়ক খাবে, কার চায়ের সঙ্গে টা চাই, কার ডায়েটিং-এর রেসলিউশনে এখনও ফাঁকি পড়েনি, সব খবর চিকু রাখে। কারণ চিকু তাকে টমেটো স্যুপ গছাবে। গছাবেই। কারণ গছালেই চিকুর মাসকাবারি হিসেবের খাতা ফুলেফেঁপে উঠবে। চিকু যখন পায়ের বুটে খটাখট শব্দ তুলে হাতে চায়ের কাপ নিয়ে গম্ভীর মুখে অফিসে এদিক ওদিক হেঁটে বেড়ায় তখন তাকে দেখে সমীহ না করে থাকা যায় না। ও হ্যাঁ, চিকুর সম্পর্কে আর একটা বলার মতো বিষয় হচ্ছে, নেহাত বিপদে না পড়লে চিকু ইংরিজি ছাড়া কথা বলে না। যারা বলে চিকু তাদের ভয়ানক তাচ্ছিল্যের চোখে দেখে। ২. অফিসের কথাই যখন উঠল তখন এই বেলা আরেকটা প্রিয় বিষয়ের কথাও বলে নেওয়া যাক। লাঞ্চ ব্রেক। আমার অফিসটা একটা ব্যস্ত অফিসপাড়ার মধ্যিখানে কাজেই লাঞ্চের সময় একটা ছোটখাট মেলা বসে যায়। কী ...