গত ক’দিন ধরে অফিসে একটু বিপদের মধ্যে আছি। নিতান্ত দরকার না পড়লে খুব একটা নিজের ঘর থেকে বেরোই না। বেরোলেও মাথা নিচু করে কাজ সেরে আবার চট করে ঘরে ঢুকে দরজা দিয়ে দিই। ভয়ে ভয়ে থাকি এই বুঝি কেউ কিছু বলে বসল। বস্ ডেকে পাঠালে তো কথাই নেই, বুকের ভেতর ঢেঁকির পাড় পড়তে থাকে। কেন, সেটা বলতে গেলে একটু গোড়া থেকে বলতে হবে। সেই যে লাঞ্চ ব্রেক নিয়ে কথা হয়েছিল মনে আছে? চারদিকে কত দোকান, কত ঠ্যালাগাড়ি, ঠ্যালাগাড়ি জুড়ে কত আলু-পুরি, সে সব কল্পনা হয়েই থেকে গেছে। মানে খেলে খাওয়াই যায়, কিন্তু সমস্যা আছে। ঠ্যালাগাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টিফিন করতে গেলে আমাকে একজন কি দুজন সঙ্গী জোগাড় করতে হবে, না হলে ব্যাপারটা একটু দৃশ্যে পরিণত হওয়ার চান্স আছে। আর যে কোনও রকম দৃশ্যে আমার ঘোর অনীহা। আর তার থেকেও বেশি অনীহা লাঞ্চ ব্রেকের ওই মুক্তির সময়টুকু মনুষ্যসঙ্গে জর্জরিত করায়। কাজেই, ঠ্যালাগাড়ি বাদ । আমি ঘাবড়াইনি। এত সহজে ঘাবড়ালে আর করে খেতে হচ্ছে না। অফিসপাড়াটা একটু সার্ভে করে দেখলাম আরও বিভিন্ন বিকল্প আছে, যেগুলো পুরি-সবজির মতোই ফার্স্টক্লাস। প্রথম দিন নিরামিষ প্যাটিস আর টমেটো সুপ খেলাম, দ্ব...