April 09, 2016

একেন্দ্র সেন




উৎস গুগল ইমেজেস


একেন্দ্র সেন। নিবাস কলকাতা। পেশা সরকারি গোয়েন্দাগিরি। আপাতত নিউ ইয়র্কে অপরাধতত্ত্ব নিয়ে গবেষণারত। একেন্দ্র সেন থেকে মুখে মুখে তিনি হয়ে গেছেন একেন সেন। একেন সেন থেকে একেনবাবু।

একেনবাবুর সঙ্গে আমার পরিচয় এই অবান্তরের পাতাতেই। শবর দাশগুপ্ত শাশ্বত এসে একগুচ্ছ বাঙালি গোয়েন্দার খবর দিয়ে গেল আর আমিও অনলাইনে ঘুরতে ঘুরতে একেনবাবুর দুখানা উপন্যাস (ম্যানহাটানে মুনস্টোন, ঢাকা রহস্য উন্মোচিত)আর দু’খানা গল্পের (পুরস্কার পাঁচ হাজার ডলার, খুনের আগে খুন) খোঁজ পেয়ে গেলাম।

একেনবাবুর গল্প আমাদের বলছেন বাপিবাবু। তিনি নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা এবং পেশায় শিক্ষক/গবেষক। একেনবাবুর সঙ্গে বাপিবাবুর প্রথম পরিচয় ম্যানহাটানে মুনস্টোন রহস্যে। একেন্দ্র সেন গবেষণা শুরু করার জন্য প্রথমবার নিউ ইয়র্ক পৌঁছচ্ছেন আর আমরা পৌঁছচ্ছি অন্যান্য বাঙালি গোয়েন্দার সঙ্গে একেনবাবুর প্রথম পার্থক্যে।  (অন্যান্য গোয়েন্দা বলতে আমি বহুলপরিচিত বাঙালি গোয়েন্দাদেরই বোঝাচ্ছি।) বাকিদের চারণভূমি কলকাতা, কিন্তু একেনবাবু কলকাতা আর ভারতের সীমা ছাড়িয়ে একেবারে গিয়ে পড়েছেন ম্যানহাটানে। দেশ থেকে লোক এলে প্রবাসীদের একটা গাইডের ভূমিকায় নামার ব্যাপার থাকে। কোনও প্রবাসীই কাজটাকে ভালো চোখে দেখে না, বাপিবাবুও দেখেননি। ব্যাজার মুখে তিনি একেনবাবুকে আনতে গেছে এয়ারপোর্টে আর গিয়ে যা দেখছেন তাতে তাঁর মনের অশান্তি আরও বেড়েছে।

উস্কোখুস্কো চুল ভর্তি বিশাল মাথা একটা ক্যাংলা শরীরের ওপর বসানো। গায়ে নোংরা সাদা শার্ট। ঘিয়ে রঙের কোটটা এমন কোঁচকানো যে মনে হয় দলামোচা করে কিছুক্ষণ আগে কেউ সেটার ওপর বসেছিল। প্যান্টের অবস্থাও তথৈবচ। আমেরিকায় আসছে লোকটা, কিন্তু জামাকাপড়ের ব্যাপারে এতটুকু হুঁশ নেই। গলার স্বরটাও অত্যন্ত ঘ্যানঘেনে, বিরক্তিকর। তার ওপর কথার পিঠে স্যার জোড়া। 

আর অমনি একেনবাবুর গল্পের সঙ্গে অন্যান্য গোয়েন্দাগল্পের দু’নম্বর তফাৎখানা আমার চোখে পড়েছে। এই তফাৎটা শুধু বাঙালি নয়, তাবৎ গোয়েন্দাগল্পের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বেশিরভাগ গোয়েন্দা গল্পে একজন সহকারী থাকেন। আর বেশিরভাগ গল্পেই সেই সহকারী বিদ্যায় বুদ্ধিতে ব্যক্তিত্বে গোয়েন্দার থেকে খাটো হন। বাপিবাবু যদিও একেনবাবুর সঙ্গে রহস্য সমাধানে অংশ নেন, তবু তাঁকে ঠিক সহকারী বলে ভাবতে বাধে। হতে পারে সেটা সহকারী সম্পর্কে  আমার পূর্বঅভিজ্ঞতা এবং প্রেজুডিস। বাপিবাবু প্রবাসী, বুদ্ধিজীবী, অ্যামেরিকার অন্যতম ইন্টারেস্টিং শহরে থাকেন। সে তুলনায় একেনবাবু নিতান্তই গেঁয়ো। অনবরত স্যার স্যার করেন। দেখা হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সিগারেটের ছাই ফেলে বাপিবাবুর গাড়ির কার্পেটটি মাটি করে দেন।

বাপিবাবুর বাড়ি পৌঁছে একেনবাবুর সঙ্গে পরিচয় হয় প্রমথ সমাদ্দারের। ইনি সামাজিক কৌলীন্যে বাপিবাবুর সমকক্ষ। দুজনেই বালিগঞ্জে বড় হয়েছেন, এখন দুজনেই নিউ ইয়র্কে থাকেন। প্রমথবাবু নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা করেন (খুব সম্ভবত কেমিস্ট্রিতে)। প্রচলিত সাইডকিকের সঙ্গে প্রমথবাবুরও কোনও মিল নেই। প্রমথবাবু প্রখর ঠোঁটকাটা এবং ব্যক্তিত্বশালী। প্রমথ সমাদ্দারের উপস্থিতি একেনবাবুর গল্পের তৃতীয় বৈশিষ্ট্য।

সাধারণত গোয়েন্দাগল্পে দু’জনের টিম হয়, ফেলুদা তোপসে, ব্যোমকেশ অজিত, জয়ন্ত মানিক, হোমস ওয়াটসন, পোয়্যারো হেস্টিংস। অনেকের আবার  সহকারী দরকার হয় না, তাঁরা একাই একশো। মিস মার্পল, ফাদার ব্রাউন, শবর। কিন্তু তিনজনের টিম  চট করে দেখা যায় না।  (এই মুহূর্তে যে ব্যতিক্রমটা মনে পড়ছে তা হল বিমল করের কিকিরা, তারাপদ, চন্দন।)

ম্যানহাটানে মুনস্টোন-এর রহস্য ঘনিয়ে ওঠে একটা খুন দিয়ে। তারপর বোঝা যায় খুনের পেছনে আছে একটা দামি পাথর, মুনস্টোন। তারপর সেই পাথরচোর আর খুনি খুঁজতে বেরোন একেনবাবু।

আমার পড়া একেনবাবুর দু’নম্বর উপন্যাস 'ঢাকা রহস্য উন্মোচিত’-এর ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, একেনবাবু রহস্যের সমাধান করছেন অ্যামেরিকায় বসে, যদিও রহস্যের অকুস্থল, বোঝাই যাচ্ছে, ঢাকা। কানে শুনে আর কয়েকটি ছবি দেখে একেনবাবু দুষ্কৃতীকে ধরে দিচ্ছেন। 

‘পুরস্কার পাঁচ হাজার ডলার’ গল্পে একেনবাবুর চরিত্রের উদার এবং মাৎসর্যমুক্ত দিকটা প্রকাশ পেয়েছে। নিউ ইয়র্কের এক বিশেষ অঞ্চলে পকেটমারি/ মাগিং বলার মতো বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। তারপর দেখা যায় একটি বিশেষ ব্যাংক থেকে যারা টাকা তুলে বেরোচ্ছেন তাঁরাই শিকার হচ্ছেন। তারপর আবিষ্কার হয় যে শিকারদের মধ্যে যে শুধু ব্যাংক কমন তা নয়, একজন বিশেষ টেলারও কমন। যাঁরা মাগড হয়েছেন তাঁরা সকলেই ওই টেলারের কাউন্টার থেকে টাকা তুলে বেরোচ্ছিলেন। এই গল্পের নতুনত্বটা হচ্ছে কে যে অপরাধী সেটা সম্পর্কে সকলেই নিশ্চিত। সমস্যাটা হচ্ছে তাঁর অপরাধ প্রমাণ করায়। সেই কাজের ভার এসে পড়ে একজন ভারতীয় গোয়েন্দার ওপর। কাজের পারিশ্রমিক পাঁচ হাজার ডলার। তিনি বেশ ক’দিন মাছি মেরে অবশেষে একেনবাবুর দ্বারস্থ হন। সেই গোয়েন্দাটির স্বভাবের জন্য কেউই তাঁকে বিশেষ পছন্দ করতেন না। বন্ধুরা একেনবাবুকে পরামর্শ দিচ্ছিলেন ব্যাটাকে সাহায্য না করতে, কিন্তু একেনবাবু “না" বলতে পারলেন না, এবং চোরের চুরি ধরে দিলেন।

আমার পড়া শেষ একেনবাবুর গল্প 'খুনের আগে খুন’-এর ঘটনা ঘটছে কলকাতায়। যদিও প্রধান কলাকুশলীদের বেশিরভাগই অ্যামেরিকাফেরত।  তাঁদের কলকাতার বিলাসবহুল এন আর আই অ্যাপার্টমেন্টস-এ খুন এবং চূরি হয়। একেনবাবুর ডাক পড়ে।

একেনবাবুর গল্পের সবথেকে ভালো ব্যাপার আমার লেগেছে গল্পের ভাষা। অসম্ভব তরল এবং দ্রুতপাঠ্য। তাছাড়াও গল্প লেখার আরও দুয়েকটা গুরুতর বিষয় যেমন চরিত্রচিত্রণ এবং সংলাপ, সুজন দাশগুপ্তের হাতের মুঠোয়। বিশেষ করে বাপি এবং প্রমথ-র কথাবার্তা, চাপানউতোর চট করে মনের ভেতর একটা ছবি ফুটিয়ে তোলে। মনে হয় লোকগুলোকে একেবারে কাছ থেকে চিনি।

একেনবাবুর গল্প অন্যান্য গোয়েন্দাগল্পের যে প্রথম ফারাকের জায়গাটার কথা লিখেছিলাম, দুঃখের বিষয়, সেই জায়গাটাই আমার অসুবিধেজনক লেগেছে। নিউ ইয়র্কের বুকে সমস্যা সমাধান করে বেড়ানো বাঙালি গোয়েন্দার আইডিয়াটা আমি কেন যেন ঠিক হজম করতে পারছিলাম না। বিশেষ করে গল্পের চরিত্রদের বিদেশী নাম, সিলভিয়া, স্যাম, ইত্যাদি নাম (অত্যন্ত স্বাভাবিক, ম্যানহাটানের রহস্যে খালি ঘোষ বোস মাইতি চ্যাটার্জি সাসপেক্ট তালিকায় থাকলে অবাস্তব) আমার কানে লাগছিল। মনে হচ্ছিল কোনও ইংরিজি থ্রিলারের অনুবাদ পড়ছি। যে সব থ্রিলারের গুপ্তচররা ভয়ানক হ্যান্ডসাম হয় আর যাদের জুতোয় বন্দুক গোঁজা থাকে।

অথচ এই ব্যাপারটারই একেনবাবুর গল্পের সপক্ষে যাওয়া উচিত ছিল। আমার এবং আমার চেনা অনেকেরই বাংলা উপন্যাসের প্রতি যেটা অভিযোগ সেটা অবান্তরেরই একজন পাঠক ভয়ানক আঁটসাঁট ভাষায় প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমাদের সাহিত্যের সব স্ট্রাগলেরই ঘটনাস্থল হল বেলঘরিয়া থেকে বালিগঞ্জের মধ্যে। (জায়গাদুটোর নাম ভুল বললাম হয়তো, কিন্তু সেদুটোর নাম ব দিয়েই ছিল।) সেদিক থেকে দেখতে গেলে একেনবাবুর গল্প উজ্জ্বল উদ্ধার। আর তাছাড়া গ্লোবালাইজেশনের যুগে বাঙালিকে কেয়াতলা আর রজনী সেন রোডে বসিয়ে রেখে চোর ধরানো সত্যি কোনও কাজের কথা নয়।


আর একজন গ্লোবাল গোয়েন্দার পক্ষে নিউ ইয়র্কের থেকে ভালো কোনও চারণভূমি কল্পনা করা শক্ত। সুজন দাশগুপ্তর প্রতি আমার প্রধান অভিযোগ হল যে এই চমৎকার সুযোগটার প্রতি সুজন দাশগুপ্ত খানিকটা অবিচারই করেছেন। নিউ ইয়র্কের কসমোপলিট্যানতা, অস্থির এনার্জির কোনও ছাপ আমি একেনবাবুর গল্পে পাইনি। সত্যি বলতে কি আমার মনে হয়েছে, নিউ ইয়র্কের বদলে কেপ টাউন কিংবা টোকিও কিংবা কোথাও না গিয়ে কলকাতাতে বসেই গোয়েন্দাগিরি করলেও ক্ষতিবৃদ্ধি কিছুই হত না। 

*****


এই গল্পটা পড়তে গিয়ে দুজন মানুষের বলা দুটো কথা মনে পড়ে গেল। একজন মিস্টার রেমন্ড চ্যান্ডলার আরেকজন শ্রী সঞ্জিৎ মজুমদার। প্রথমজনের আমি শুধু নাম শুনেছি (আর তাঁর লেখা গোটা দুই বই পড়েছি), কিন্তু দ্বিতীয় জন আমার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে আছেন। ইনি আমার গানের মাস্টারমশাই। 

মাস্টারমশাইয়ের কথাটাই আগে বলি। কারণ ওটাই প্রথমে শুনেছিলাম। বছর পঁচিশ আগে কোনও এক রবিবার আগের সপ্তাহে শেখা একটা গান মাস্টারমশাইকে শোনানোর পর বলেছিলাম, বিচ্ছিরি গান। যেমন কথা, তেমনি সুর। ম্যাগো। মাস্টারমশাই বলেছিলেন, কিন্তু এই গানটাই লতা মঙ্গেশকর কিংবা মল্লিকার্জুন মনসুর গাইলে দেখবি কী চমৎকার শোনাচ্ছে। 

রেমন্ডবাবুর কথাটা জেনেছি এই সেদিন। 'The Simple Art of Murder' বলে ওঁর লেখা একটি ছোট প্রবন্ধ পড়তে গিয়ে।
In her introduction to the first "Omnibus of Crime", Dorothy Sayers wrote: "It (the detective story) does not, and by hypothesis never can, attain the loftiest level of literary achievement." And she suggested somewhere else that this is because it is a "literature of escape" and not "a literature of expression." I do not know what the loftiest level of literary achievement is: neither did Aeschylus or Shakespeare; neither does Miss Sayers. Other things being equal, which they never are, a more powerful theme will provoke a more powerful performance. Yet some very dull books have been written about God, and some very fine ones about how to make a living and stay fairly honest. It is always a matter of who writes the stuff, and what he has in him to write it with.

একেনবাবুর চারটে গল্পই আমি পড়লাম এই সাইটটাতে। এখানে আরও অনেক রহস্য গল্প উপন্যাস আছে, আপনারা চাইলে সেগুলো পড়তে পারেন। যদি পড়েন তাহলে বুদ্ধদেব বসুর 'ছায়া কালো কালো' উপন্যাসটা অবশ্যই পড়বেন। আর মনে মনে ভাববেন, ইট ইজ অলওয়েজ আ ম্যাটার অফ হু রাইটস দ্য স্টাফ। হু সিংগ্‌স দ্য সং। অলওয়েজ। অলওয়েজ। 


16 comments:

  1. Eken Babur description ta kintu besh mile gyalo Colombo bole ekjon goyenda r sathe . ei Columbo holen ekjon American detective er choritra jeta choritrayon ghituyechen Peter Falk.1968 shal e release kora TV serial. Amar aar Imran er aaj obdi dekha sobcheye priyo goyenda choritra emon ki sharlok Holmes o pichiye porechen Amader kache ....serokom I purbabhas pelam Eken Babur choritre....pore felte hobe mone hochhe ..

    ReplyDelete
    Replies
    1. এই দেখ সাহানা, আমি এই কলম্বোর নামই জানতাম না। ভাগ্যিস বললি। এবার দেখব। তোর ঘোরা ভালো চলছে আশা করি।

      Delete
  2. tomar blog theke pagla pagla link peye jai,iznogoud comics,ei goenda galpoguli,aro kato bhalo bhalo banglay lekha peyechi...tomake Jodi kakhano dekha hoy,pet bhore khawabo ja bolbe chowmin chili chiken biryani.....

    prosenjit

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা, থ্যাংক ইউ, প্রসেনজিৎ।

      Delete
  3. Ekenbabur galpo amar pore besh bhalo legechhilo. Tobe ami dutoi porechhi, "Manhattane Moonstone" ar "Manhattane Manhunt." Egulo Anandamelay beriyechhilo anekdin aage. Recently Moonstone ta arekbar porechhi oi website ta tei. Bakigulo pore felte hobe.

    ReplyDelete
    Replies
    1. ওহ, আমি হয় আনন্দমেলায় বেরোনোর সময় পড়িনি, কিংবা ভুলে গেছি। এই সাইটটা ঘুরে দেখতে পারেন, সুগত।

      Delete
  4. thank you.. thank you... durdanto goyendra introduction.. taate aabaar link o share.. aami obhibhuto..

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে কী যে বলেন, ইন্দ্রাণী। আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হলাম।

      Delete
  5. Eken babur goppo amar motamuti legechilo , tobe tomar lekhar sesh line ta khub khub sotti , aki gaan gawar dhoroner upor sompurno bodle jay :) -PB

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধরণ বল, দক্ষতা বল...বদল যে ঘটে তাতে সন্দেহ নেই, প্রদীপ্ত।

      Delete
  6. Tomar kotha sune site tay giye Ekenbabur golpo pore fellam. Bhaloi laglo, tobe osadharon mone theke jaoyar moton noy.

    ReplyDelete
    Replies
    1. ওখানে আরও অনেকগুলো গল্প বেশ ভালো, চুপকথা, পড়ে দেখতে পার।

      Delete
  7. একেন বাবুর গল্প আমি "সুখী গৃহকোণ" পত্রিকাতে বেশ কতগুলো পড়েছি। খুব আহামরি কিছু লাগেনি। তেমন খারাপ-ও না। তবে ও কথাটা বেশ সত্যি, যে বেশিরভাগ রহস্য গুলো কলকাতাতে বসে সমাধান করলেও আলাদা কিছু হত না। তবে একটা জিনিষ, বিশেষ ভালো লেগেছে, একেনবাবুকে লেখক তথাকথিত স্মার্ট বানাননি অন্য গোয়েন্দাদের মত। মানে পাঠককে মনে করিয়ে দিয়েছেন মলাট দেখে বইএর বিচার করা উচিত নয় আর কি :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা, সেটা ঠিক, অস্মিতা।

      Delete
  8. Aken babu ke besh bhalo laaglo... Erakam site aaro kichu jana thakle share Koro Please. Aar hyan, ei ta nishay aapnaar chokhe porechhe... pore mone holo apnake janai... http://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/write-up-on-thrill-of-thriller-writing-by-smaranjit-chakraborty-1.361635

    ReplyDelete
    Replies
    1. না, চোখে পড়েনি তো, চন্দ্রচূড়। লিংক পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.