May 09, 2018

চোপতা, তুঙ্গনাথ, চন্দ্রশীলা, ক্ষিরসুঃ ৩ (শেষ)





চোপতার কাছে সারি গ্রাম, সেখান থেকে ঘণ্টাখানেক ট্রেক করলেই দেওরিয়াতাল। ভাগ্যবানেরা যার টলটলে জলে চৌখাম্বার ছায়া দেখতে পান। বছর বছর দিওয়ালিতে অফিসের তাম্বোলা পার্টিতে অংশগ্রহণ করে নিজের ভাগ্যের দৌড় আমার জানা হয়ে গেছে, তবু যে দেওরিয়াতালে যাওয়ার ইচ্ছে হয়েছিল তার দুটো কারণ।

এক, দেওরিয়াতাল একটি বুগিয়ালের মধ্যে। বুগিয়াল হচ্ছে পাহাড়ি প্রান্তর যা আমার মতে কখনও কখনও পাহাড়ের থেকেও বেশি সুন্দর। উঁচু শৃঙ্গের রাজসিকতা নেই, কিন্তু শান্তি আছে। সেই রকম সবুজ মাঠে ওপর পুকুরের ধারে বসে থাকার আইডিয়াটা আমার মনে ধরেছিল। 

দুই, কেউ কেউ বলে এই তালেই নাকি যুধিষ্ঠির ও যক্ষের প্রশ্নোত্তরপর্ব চলেছিল। মহাভারতের বিরল গল্পের একখানা, যাতে চিটিংবাজি নেই, বস্ত্রহরণ নেই, ঊরুভঙ্গ নেই, বুক চিরে রক্তপান নেই, জাস্ট মুখোমুখি বসে সিভিলাইজড কথোপকথন। পরীক্ষার একটা অ্যাংগল আছে ঠিকই, কিন্তু সে পরীক্ষার রেজাল্ট সবাই জানে।কাজেই টেনশনের কিছু নেই। 

দেওরিয়াতাল পৌঁছনো চন্দ্রশীলা চড়ার মতো কঠিন নয়, ঘণ্টা তিনেকের ওঠানামা। সোমবার সকালে বারান্দা পর্যন্ত গিয়ে ভিউ দেখতেই কান্না পেয়ে যাচ্ছিল আমার, কাজেই দেওরিয়াতালের প্ল্যান ক্যান্সেল করলাম।

চোপতায় অনেকে পাখি দেখতে যান। আমি অতি কষ্টে পাতি আর দাঁড়কাকের ফারাক করতে পারি, সেই আমার চোখেও হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অচেনা অদেখা পাখি ধরা দিল। লাল রং, ঝোলা লেজ, মাথায় ঝুঁটি। ব্যস্ত হয়ে ডালে ডালে ঘুরে ডাকাডাকি করছে। 

বাটার টোস্ট আর চা খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম। গন্তব্য ক্ষিরসু। এ বারের বেড়ানোর শেষ স্টপ।

*****


আসতে আসতে আলোচনা করছিলাম, রাস্তা হিসেবে হিমাচলের রাস্তা উত্তরাখণ্ডের রাস্তার থেকে বেশি সুন্দর। এরকম বলার কারণ হল উত্তরাখণ্ডের যে জায়গাগুলোতে গেছি, বেশিরভাগেরই যাওয়াআসার পথের দুপাশ জনবসতিময়। দেবপ্রয়াগ, রুদ্রপ্রয়াগ, শ্রীনগর, পৌরি, রীতিমত ঘিঞ্জি শহর। তার ওপর চারধাম খুলে গেছে, কোটি কোটি গাড়ি ধেয়ে চলেছে পাহাড়ে। অগস্ত্যমুনির মেন বাজারে রীতিমত যানজট। খাকি পুলিস লাঠি তুলে গাড়ি ঠ্যাঙাচ্ছে। মাঝপথে থেমে থেমে চা, চিপস হল কিন্তু ওই গরমে অত দুধচিনি দেওয়া চা দুয়ের বেশি তিনকাপ খাওয়া যায় না। 

গত দু’দিনের স্বর্গীয় বারান্দা, পাখির ডাক, শিলাবৃষ্টি, শিরশিরে হাওয়া, কুয়াশার মধ্যে দাঁড়কাকের উড়ান, সব যেন পূর্বজন্মের স্মৃতি। 

চোপতা যাওয়ার সময় ক্ষিরসুর লেখা তীরচিহ্ন দেওয়া বোর্ড দেখেছি শ্রীনগর শহরের মধ্য দিয়ে, কাজেই আরও একপ্রস্থ জ্যাম হট্টগোলের মধ্যে পড়ার জন্য তৈরি ছিলাম, হঠাৎ দেখি একটা মোড়ের মাথায় গাড়ি থেমেছে আর আশিস জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে জিজ্ঞাসা করছে ক্ষিরসু যাওয়ার শর্টকাট এটাই কি না।

ওটাই। বড় রাস্তা থেকে বাঁ দিকে বাঁক নিলাম আর অমনি উত্তরাখণ্ড আমাদের দেখিয়ে দিল সুন্দর রাস্তা কাকে বলে।  এ রাস্তা কোনও তীর্থে পৌঁছচ্ছে না। এ রাস্তায় জনপ্রাণী নেই, দোকান নেই, বাড়ি নেই, হোটেল নেই। আছে খালি গাছ আর নদী আর আকাশ। এতক্ষণ আমরা পাহাড় থেকে নামছিলাম, আবার শুরু হল পাহাড়ে ওঠা।

আমাদের তো মন ভালো হলই, আশিসও খুশি। কালকের অ্যাডভেঞ্চারের পর বেচারার পায়ে ব্যথা হয়েছে, এ রকম মাখনের মতো রাস্তা, ট্র্যাফিকহীন রাস্তা পেয়ে গল্প করতে করতে চলল। বলল, গাড়োয়াল আর কুমায়ুন, দুই অঞ্চলের আদবকায়দা, খাওয়াদাওয়া, ভাষায় প্রভূত বিভেদ। আশিসের বাড়ি হিমাচল বর্ডারে, হিমাচলি সংস্কৃতির সঙ্গে আশিসের দহরমমহরম বেশি। এই চারদিনে কত যে হিমাচলি গান শুনলাম। চুড়পুড়া বলে কোনও এক অজ্ঞাত গন্তব্যে যাওয়ার একটা গান শুনলাম, গাইয়েদের উৎসাহ আর আকুলতা শুনে মনে হল নিশ্চয় যাওয়ার মতো একটা জায়গা হবে। দু’নম্বর মনে থাকা গান হচ্ছে একজন বয়স্ক মানুষ আর একটি নব্যযুবকের মধ্যে চাপানউতোর। বয়স্ক ভদ্রলোক গাড়োয়াল অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের নাম বলে জানতে চাইছেন যুবক কোন গ্রামের লোক। তাতে যুবক মহা বিরক্তির সঙ্গে উত্তর দিচ্ছে এই সব গ্রাম্য অঞ্চলের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই, সে ট্রাউজার পরে, সিগারেট খায়, হিন্দিতে কথা বলে। গ্রামের কেন হতে যাবে বালাইষাট, সে টপ টু বটম দেরাদুনওয়ালা।

রাস্তা দিয়ে গলায় ঘণ্টা বেঁধে গরুর দল চলেছে, কে জানে চুড়পুড়ার উদ্দেশে কি না। বাছুরেরা গাড়ির সঙ্গে এখনও অত সড়গড় হয়নি, কাছ দিয়ে গেলে ভয় পেয়ে হাঁটু বেঁকিয়ে লেজ তুলে দৌড়োদৌড়ি লাগায়। আশিস বলল, এই যদি শহরের গরু হত, গাড়ি ঘাড়ের ওপর এসে গেলেও বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। মর্জি না হলে এক ইঞ্চি নড়ত না।

প্রায় একঘণ্টার রাস্তায় একটাও গাড়ি দেখলাম বলে মনে পড়ল না। সেজন্যই মোড়ে মোড়ে লিফটের অপেক্ষায় কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন সম্ভবত। আশিসের মেজাজ প্রসন্ন ছিল, দুজনকে গাড়িতে তুলে নিল। কিছুক্ষণ পর পাহাড়ের মাথার ওপর কতগুলো ঘরবাড়ি দেখিয়ে বলল, ওটাই ক্ষিরসু। পাহাড়ের গায়ে পুতুলের গ্রাম।

সেই গ্রামের দিকে যত এগোতে লাগলাম একটা শব্দ আসতে লাগল। পাখির ডাক না, পাহাড়ি কুকুরের ওয়েলকামসূচক ঘেউ ঘেউ না, পাতার শনশনানি না। নীল আকাশ, ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে মানানসই এমন কোনও শব্দই না। বরং আমাদের চেনা একটা শব্দ। 

সহযাত্রী সামনের সিট থেকে হাসি হাসি মুখ ফিরিয়ে বললেন, খুব ভালো সময়ে এসেছ তোমরা, আজ আমাদের ক্ষিরসুতে সম্বৎসরের মেলা। 

*****


অর্চিষ্মানের শত সান্ত্বনাতেও আমার শোক বাধা মানল না। বেড়াতে গেলে যে একটি জিনিস আমি অ্যাভয়েড করতে চাই সেটা হচ্ছে মানুষ। ক্ষিরসু আমি বেছেছিলাম জায়গাটার একটেরেপনার জন্য,সেখানে কিনা বেছে বেছে বার্ষিক মেলার দিন গিয়ে পৌঁছনো?

বাকিরা আমার মতো বেরসিক নয় বলাই বাহুল্য। আশিস আমাদের নামিয়ে কোনওমতে গাড়ি পার্ক করে দৌড়ে মেলা দেখতে বেরিয়ে  গেল। আমরাও ঘরে ব্যাগ রেখে চা খেয়ে বেরোলাম। অর্চিষ্মান টেনে বার করল। ভালো লাগবে, চল। 

রীতিমত বড় মেলা। আশেপাশের গ্রামের লোক এসেছে। পিলপিল করছে লোক, পাঁচ থেকে পঁচাশি, তবে পনেরো থেকে পঁচিশেরাই বেশি চোখে পড়ে। তারা রাস্তা জুড়ে হাঁটে, যেখানে সেখানে থেমে সেলফি নেয়, কে জানে কাকে দেখে মুচকি হাসে, চুলে আঙুল বোলায়। রাস্তার পাশে বুড়ির চুল, কানের দুল, বস্তার ওপর ঢিবি করা রকমারি ডাল। দরাদরি করে সবাই একই প্লাসটিকে সবরকমের ডাল একসঙ্গে ভরে নিয়ে চলে যাচ্ছে। বাড়ি গিয়ে নিশ্চয় বাছতে বসবে না, আজ রাতের মেনুতে নিশ্চয় পাঁচমেশালি ডাল।


ক্ষিরসুর জি এম ভি এন-এর বারান্দায় বসে হিমালয়ের বিস্তৃত বরফাবৃত রেঞ্জ তো দেখাই যায়, সঙ্গে লাল গোলাপি বেগুনি সাদা হলুদ গোলাপের বাগান ফাউ। বারান্দায় বসে এই সব ভালো ভালো জিনিস দেখে মনে বেশ একটা উচ্চমার্গের ভাব আনার চেষ্টা করছি কিন্তু মন কেবলই দশ হাত দূরে বসা জনাচারেক নারীপুরুষের দিকে চলে যাচ্ছে। কে কী বলছে, কার সঙ্গে কার কী সম্পর্ক ইত্যাদি রহস্যভেদের আকাঙ্ক্ষায় আনচান করছে। 

এমন সময় অর্চিষ্মান আর্তনাদ করে উঠল। কী সাংঘাতিক! এগুলো গোলাপ! আমি বললাম, তুমি কী ভাবছিলে? অর্চিষ্মান নাকি ভেবেছে পাটুলির প্রতি পাঁচিল থেকে র‍্যান্ডম যে সব বারোয়ারি লাল ফুল ফুটে থাকে সে সব হবেটবে। 

বেচারাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ভালো জিনিস একসঙ্গে এত দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত হয়। কাজিরাঙায় প্রথমবার যখন গেছিলাম বাবামার সঙ্গে, গাইড গাড়ি দাঁড় করিয়ে বলেছিলেন, ওই দেখুন গণ্ডার। দূরে একটা সবুজ ঘাসের মাঠে কালো কালো বিন্দু। শতশত না হলেও খুব কমও নয়। আমরা বিশ্বাসীরা তো আহা ওহো করে অস্থির, খালি মা ভুরু কুঁচকে বলেছিলেন, এত গণ্ডার? ছাগল নয় তো? 


বিকেল যত ঢলল আলো কমে এল, কালো মেঘের পটে সাদা পাহাড়চুড়ো স্পষ্ট হয়ে ফুটল। হাওয়ার বেগ বাড়তে বাড়তে রীতিমত ঝড়। লাল গোলাপের পাপড়ি গড়াগড়ি খেতে লাগল সবুজ ঘাসের ওপর। দৌড়ে ঘর থেকে কোট পরে এলাম। ঝড়ের হাওয়ায় বাংলোর সীমানাচিহ্নক রঙিন পতাকা পতপত করে উড়তে লাগল। চোখ বন্ধ করে শুনলে অবিকল জলের ফোঁটা পড়ার শব্দ।

ক্ষিরসুতে বিশেষ কিছু করার নেই। ইন্টারনেটে লিখে রেখেছে বটে আপেলের বাগানের কথা কিন্তু ম্যানেজারবাবু বললেন ওসব একসময় ছিল এখন নেই। সত্যিই নেই নাকি ভদ্রলোকের ক্ষিরসুর ওপর বেশি টুরিস্টের নজর পড়ুক চান না তাই কমসম করে বলছেন সরেজমিনে পরদিন সকালে দেখতে বেরোনো যেত। আবার ঘুমোনোও যেত। আপেলবাগানে হাঁটার সুযোগও যেমন হয় না তেমন মঙ্গলবার সকালে জানালার বাইরে হিমালয়ের আবছা উপস্থিতি নিয়ে ভোঁসভোঁসিয়ে ঘুমের সুযোগই বা কটা আসে? 

আমরা ঘুমোলাম। যতক্ষণ না শরীরের সমস্ত রন্ধ্র, তন্তু, রক্তবিন্দু, মাংসপেশী পূর্ণ করে বিশ্রাম উপচে পড়ল ততক্ষণ। 

অবশেষে আড়মোড়া ভেঙে কফির খোঁজে বেরিয়ে দেখি রান্নাঘরে কেউ নেই। রাতের ঝড়ে পুরোনো পতাকা ছিঁড়েখুঁড়ে একশা, সবাই মই জোগাড় করে হলুদ রঙের ছেঁড়া পতাকা নামিয়ে বেগুনি রঙের ঝকঝকে নতুন পতাকা টাঙাচ্ছে।

*****

হরিদ্বারে পৌঁছনো আর ট্রেন ছাড়ার মধ্যে আড়াইঘণ্টা সময় ছিল। তার মধ্যে আমরা চোটিওয়ালার দোকানে খেলাম। খুব আস্তে আরাম করে খেয়েও একঘণ্টার বেশি খরচ হল না, বাকি দেড়ঘণ্টা ক্যাফে কফি ডে আর হর কি পৌড়ির ঘাটের ওপরের ফুটব্রিজে দাঁড়িয়ে দৌড়ে চলা ঘোলা জল আর মারাত্মক সাহসী পোশাকপরিহিত লোকজনের সে জলে ডুব দেওয়া, নাক ঝাড়া, থুতু ফেলা দেখে কেটে গেল।

হরিদ্বারের রাস্তায় দু’হাত দূরে কাঁচের বয়াম গলা পর্যন্ত ভর্তি পানিপুরি বা গোলগাপ্পার ঠেলা। ভাবলাম খাই, কিন্তু পেটে সত্যিই জায়গা ছিল না। অনেক বছর আগে, স্কুলের ছোট ক্লাসে পড়ার সময় বেড়াতে এসে হরিদ্বারের ফুচকা খেয়েছিলাম মনে আছে। আমাদের সঙ্গে ঠাকুমাও খেয়েছিলেন। বাড়িতে ফুচকাটুচকা ছুঁতেন না, হয়তো দেবস্থানে খেলে পাপ হবে না বা কম হবে না মনে হয়েছিল।

হরিদ্বার- মুম্বাই লোকমান্য তিলক টার্মিনাস সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের কামরায় সকলেই বাঙালি ছিলেন, যদিও কেউই কারও সঙ্গে আলাপের চেষ্টা করিনি। ট্রেন টাইমে ছেড়ে টাইমে নিজামুদ্দিনে ঢুকে গেল। ওলাভাইসাব বাড়ির গেটে নামিয়ে দিয়ে গেলেন যখন, রাত বারোটা বেজে গেছে।

                                                                                                                      (শেষ)



19 comments:

  1. Baah sundar beriye esechhen. Tabe pahare eto lok tirtho korte gele boro mushkil. Pahar amar boroi priyo kintu orokom traffic jam hole kemon laagbe jaani na. Apnader himalay bhromoner golpo shunei aamar gadoyal, kumayun, himachal berano hoye jai.

    ReplyDelete
    Replies
    1. সব তীর্থস্থানগুলো তো পাহাড়েই, কাজেই ওঁদেরও পাহাড়ে যাওয়া ছাড়া গতি নেই, সুস্মিতা। আসলে ভারতে এত লোক যে পাহাড়, সমুদ্র, মরুভূমি সর্বত্রই জ্যাম।

      Delete
    2. Ta bote....kintu shanto himalay boroi lobhoniyo

      Delete
  2. Ami recently Chindi bole ekta jaiga ghure elam. Chandigarh theke 7 ghonta gadite. Okhane apel-er bagan ar no bheed. Jaoar rasta ta ekebaare chhobir boi theke baar kore sente deoa. Ar raasta-te Shatadru nodi pode. HP tourism er hotel. Jyamon porishkar, tyamon superb service. Ar best byapar holo in the middle of nowhere. Aram kora chhada ar kissu korar upay nei, mon-o chai na. Eirokom jaiga khub kom benche achhe amader deshe. Developed howar age ghure ashar jonyo recommend korchhi!!

    iti
    Shuteertho

    ReplyDelete
    Replies
    1. কী কাণ্ড। চিনডি তো আমার টু গো লিস্টের একেবারে ওপরে রয়েছে। আপনার রেকমেন্ডেশন পেয়ে গেলাম, এবার যাবই। থ্যাংক ইউ, সুতীর্থ।

      Delete
    2. Chindi jaoar duto raasta. Ekta Shimla hoye. Avoid. Onyota Subathu hoye. Oi rasta ta superb. Dutoi giye podchhe Tattapaani bole ekta jaigate, jekhane gorom joler kundo royechhe, ar achhe Shatadru nodi.

      Delete
    3. আচ্ছা। যাওয়া প্ল্যান করলে খেয়াল রাখব। থ্যাংক ইউ।

      Delete
  3. এতো সুন্দর জায়গা আর কি সুন্দর করে লেখো তুমি কুন্তলা দিদি। আরো ভালো লাগে কেন জানো , কারণ আমিও ঠিক বেছে বেছে মানুষ এভয়েড করা যায় এমন জায়গাই খুঁজি। সত্যি সত্যি কবে চোপতা যাওয়া হবে জানিনা, তোমার লেখায় মানসভ্রমণ হয়ে গেলো। কিন্তু বড্ডো তাড়াতাড়ি পড়া শেষ হয়ে যায় ব্লগ, এবার থেকে আর একটু বড় বড় পোস্ট লিখো , কেমন।

    ReplyDelete
    Replies
    1. লোক অ্যাভয়েড করায় হাই ফাইভ, সূচনা। আচ্ছা এবার থেকে আরেকটু বড় পোস্ট লেখার চেষ্টা করব।

      Delete
  4. Eki ei trip e tomar kono photo nei kano Kuntala di? Aro ektu photo asha korechilam..

    ReplyDelete
    Replies
    1. তুই বলার পর খেয়াল হল ঊর্মি, সত্যিই আমার কোনও ছবি নেই এই ট্রিপের পোস্টে। পরের ট্রিপে এর প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।

      Delete
  5. Tumi banglaye lekhar comparative advantage niye akta post likhechile. korbo korbo kore ar comment kore hoyni tate. tomar himachali gaan ar gondaar er golpo pore ar samlate parlam na. tai bolchi ekhane. amar mone hoy kono desh jodi comparative advantage e bhabte thake tale sei desher konodin paradigm shift hobe na, kono R&D department toiri hobe na. kintu seta ekhane obantor. ami onek bangla blog tomar blog er sutro dhore visit korechi, porar chesta korechi. but parini. antlami ar sottikarer lekhar modhye je balance dorkar seta ropto korao akta art. bhasha matter kore na sekhane. amar mone hoy tumi jodi sahos kore oi paradigm shift er rasta niye english eo blog likhte taleo tumi euqlally bhalo likhte. hoyto ektu beshi somoy lagto, matribhasha noy bole. but bhasha matter korto na bolei amar mone hoy. it's all about that ingenious mind of yours, and the heart of course.

    ReplyDelete
    Replies
    1. থ্যাংক ইউ, কুহেলি।

      Delete
  6. Aha, boro bhalo laglo ei bhromon kahini :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধন্যবাদ, অরিজিত। আমাদের ভ্রমণটাও ভালো হয়েছিল বেশ।

      Delete
  7. আপনি মানুষজনের ভিড় এড়িয়ে যদি বেড়াতে চান, তাহলে অধম এইটুকু নিবেদন করতে পারে, যে অল্প কিছুটা হাঁটা অভ্যেস রাখুন। অল্প বলতে ঠিক অত অল্পও নয়, দিনে ১২-১৪ কিলোমিটার অনায়াসে হাঁটতে পারেন এমন। এটা এক সপ্তাহে হয়না বটে, কিন্তু তিন চার মাস চেষ্টা করলেই পারবেন। আর তখন, হিমালয় আপনার সামনে এমন অনেক জায়গার দুয়ার খুলে দেবে, যেগুলো আপনি গাড়ী চড়ে পৌঁছতে পারবেন না। অথচ, সামান্য একটু শারীরিক সক্ষমতা বাড়ালেই অনায়াসে পৌঁছে যাবেন। অবশ্য সম্প্রতি Indiahikes বা এধরনের কিছু সংগঠন প্রচুর হুজুগে লোকজন (সিংহভাগই ব্যাঙ্গালোরের) নিয়ে ট্রেকিং এর বিশাল ব্যবসা ফেঁদে বসেছে। তাদের জ্বালায় কিছু অঞ্চলে সারা বছর কালিঘাট মন্দিরের মত ভিড় লেগে থাকে, আর নোংরাও হয়। সেই সঙ্গে তাদের এক খানা জুতো বা পেনটুলের দামে আমার এক খানা হিমালয় ভ্রমন হয়ে যায়। তবুও এসব সত্ত্বেও হিমালয়ের সুবিধে হচ্ছে, অতিকায় বিস্তার। কটা জায়গায় আর হানাদারি করা যেতে পারে? আর একটু কঠিন রাস্তা হলেই সৌখিন হুজুগেরা হাওয়া। সামনের মাসে আমি যাচ্ছি বাগিনি হিমবাহ আর ঋষিকুন্ড। জোশীমঠ থেকে ৪৪ কিলোমিটার গিয়ে তার পর হাঁটা শুরু। চাইলে কিছু হদিস দিতে পারি এরকম জায়গার। আমার পাওনা হবে, আপনার থেকে এরকম সুন্দর সুন্দর লেখা গুলো পাওয়া। চলতে থাকুন, আর লিখতে থাকুন।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধন্যবাদ, সোমনাথ। ভালো করে ঘুরে আসুন এই কামনা করি।

      Delete
  8. tomar ei lekhata pore hotat amar ek bikeler decision e Vaishnodevi jaoar kotha mone holo...trekking noy bote kintu oi 26 km stretch paye hete jaoa bhorrate pouchono ebong bhorer surjodoy dekhte dekhte pray khorate khorate nama..osombhob sharirik koshto ar atuloniyo proshanti dutor somapoton kibhabe sombhob age jane chilo na...ekhon shudhu tomar lekha pore rate chokh bondho kore korchi manoshbhromon..majhe majhe gholer sadh dudher thekeo bhalo hoy...:)

    ReplyDelete
    Replies
    1. ছাব্বিশ কিলোমিটার! তোর তো মারাত্মক মনের জোর পারমিতা।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.