October 07, 2018

Lethal White, Cormoran Strike #4






(স্পয়লার থাকতে পারে।)

জে কে রোলিং বলেছেন, লিথ্যাল হোয়াইট লিখতে তাঁর ভয়ানক পরিশ্রম হয়েছে। কিন্তু বইটা লিখে তিনি আনন্দও পেয়েছেন খুব।

রবার্ট গ্যালব্রেথ ছদ্মনামে লেখা জে কে রোলিং-এর করমোরান স্ট্রাইক সিরিজের চতুর্থ বই লিথ্যাল হোয়াইট। আমি লিখতে যাচ্ছিলাম যে হ্যারি পটারের মতো এই সিরিজেও জে কে রোলিং ক্রমশ মোটা থেকে মোটাতর বই লিখছেন, তারপর গুডরিডস ঘেঁটে দেখলাম যে আগের তিনটে বই-ই সাড়ে চারশো থেকে পাঁচশো পাতার মধ্যে ছিল। এইবারেই একলাফে ছশো ছাপ্পান্ন।

ছশো ছাপ্পান্ন পাতার একটাই ডিটেকটিভ গল্প আগে খুব বেশি কিংবা আদৌ পড়েছি কিনা মনে পড়ছিল না, কিন্তু সবেরই প্রথমবার আছে। পড়তে শুরু করলাম এবং বুঝলাম লিথ্যাল হোয়াইট আসলে দুটো বই। একটা রোম্যান্স, অন্যটা ডিটেকটিভ। পাঠকদের বোঝার সুবিধের জন্য পার্ট ওয়ান পার্ট টু আলাদা করেও দেওয়া আছে, ছোটখাটো ব্যতিক্রম বাদ দিলে পার্ট ওয়ানের অধিকাংশ জুড়ে রয়েছে রবিন করমোরানের রোম্যান্স আর দ্বিতীয়ার্ধে রয়েছে রহস্য গল্পটি।

এর আগের বইগুলোতেও স্ট্রাইক আর রবিনের ব্যক্তিগত জীবন ফোকাসে ছিল, তবে চারশো শব্দের মধ্যে আরেকটা রহস্য ফেঁদে তার জট ছাড়ানোর ঝামেলা ছিল বলে অল্প কথায় সারতে হয়েছিল। লিথ্যাল হোয়াইটে অত সংযম করেননি লেখক, শ'তিনেক পাতা হিরো হিরোইনকে বিনা শর্তে ছেড়ে দিয়েছেন।

করমোরান স্ট্রাইক আর রবিনে এলাকটের প্রেমের গল্পটার প্রতি আমার সমালোচনা প্রধানতঃ এই যে গল্পটা বোরিং। গত তিনটে বই ধরে আমরা দুজনের দুজনের প্রতি দুর্বলতার কথা জেনে আসছি। দুজনে ক্রমাগত একে অন্যের কথা ভাবছে এবং দেখা হবে মনে পড়লে ফাঁকা ঘরে বসে হেসে ফেলছে, অতি ঘোর সংকটের মুহূর্তে নিজেদের রোম্যান্টিক পার্টনার কিংবা বরবউকে ফোন না করে একে অপরের নম্বর টিপছে এবং তার পরেও ভাবছে, আমি কি তার মানে ওর প্রেমে পড়েছি? এটা অবশ্য এক্সক্লুসিভলি রবিনের ভাবনা। ওপরের প্রতিটি আচরণ তিন পাতা অন্তর অন্তর রিপিট করার পরও করমোরান স্ট্রাইকের মাথায় এ ধরণের কোনও সন্দেহের উদয় হচ্ছে না।)

যে কোনও সার্থক গল্পেই প্রধান উপাদান নায়কনায়িকার উদ্দেশ্য সফল হওয়ার পথে বাধাবিপত্তি। করমোরান রবিনের রোম্যান্সে অন্যতম প্রধান বাধা হচ্ছে রবিনের গত তিন বইয়ের বাগদত্ত এবং এই বইয়ে স্বামী ম্যাথিউ। অর্ডার দিয়ে বানানো। ড্রেকো ম্যালফয়েরও ফ্যান ক্লাব আছে শুনেছি, ম্যাথিউর চরিত্রের একটা ভালো দিকও যদি কেউ বার করতে পারেন তাহলে তাঁর চোখকে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে রাখার প্রস্তাব রইল আমার।

তাছাড়া করমোরান স্ট্রাইকের প্রেমিকারা তো আছেই। স্ট্রাইক কনভেনশনালি খারাপ দেখতে হলেও মেয়েদের কাছে তার আকর্ষণ অপ্রতিরোধ্য। এবং সে সব মেয়েরা হচ্ছে গিয়ে লন্ডনের উচ্চকোটি পার্টির প্রাণ। মডেল, সোশ্যালাইট। করমোরান স্ট্রাইক কমিটমেন্টে বিশ্বাস না করলেও মেয়েদের আকুতিতে মাঝে মাঝে সাড়া দিয়েই ফেলেন (পার বই অন্তত একবার) এবং তাঁর 'নো স্ট্রিংস' স্ট্যান্ডে অনড় থাকেন। বলাই বাহুল্য, মেয়েরা সেটা পারে না। তারা মুখে বলে 'নো স্ট্রিং' এদিকে মনে ইচ্ছে খেলিয়ে সংসার পাতার। তারপর যা হওয়ার তাই হয়, ব্রেক আপ এবং স্ট্রাইকের নিতান্ত মানসিক চাপ।

অন্য মেয়েদের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক হলেও করমোরান আসলে মনে মনে রবিনের ফ্যান। গল্পের নব্বই শতাংশ পুরুষ চরিত্ররাই অবশ্য রবিনের ফ্যান কারণ রবিন টেক্সটবই থেকে উঠে আসা সুন্দরী। যদিও সোনালি চুল, সরু কোমর ইত্যাদি জরাজীর্ণ কারণে নয়, স্ট্রাইক রবিনকে পছন্দ করে রবিন অন্য মেয়েদের মতো নয় বলে। রবিন দারুণ গাড়ি চালায়, বারো ঘণ্টায় বাইশটা সিগারেট খেলেও মুখে বড়া দিয়ে থাকে, বলে না হাতির মতো মুটোচ্ছ একটু কম খাও, এমন কী বনজঙ্গল হাঁটকাতে গিয়ে খোঁড়া পা নিয়ে স্ট্রাইক হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেও রবিন অন্য মেয়েদের মতো আহা বলে ছুটে আসে না, প্রশংসনীয় অ-নারীসুলভ উদাসীনতায় গাছের ডাল এগিয়ে দেয়।

তবে রবিন করমোরানের প্রেমের পথে প্রধান ভিলেন হচ্ছে করমোরান স্ট্রাইকের প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ড শার্লট। ম্যাথিউর জন্য একপিস বিশেষণটা খরচ করে ফেলে এখন আফসোস করছি, কারণ শার্লট ম্যাথিউর থেকেও সরেস। অ্যাকচুয়ালি, শার্লটের শয়তানির মধ্যে একটা দৈবী ব্যাপার আছে। যুদ্ধক্ষেত্রের বোম ফেটে পা উড়ে যাওয়ার থেকেও শার্লটের সঙ্গে কাটানো ষোল বছরের ট্রমা বেশি করমোরানের। তবু শার্লটকে স্ট্রাইক এড়াতে পারে না। হাড়ে হাড়ে চেনা সত্ত্বেও যেই না ঝকমকে গাউন পরে সেজেগুজে শার্লট সামনে এসে দাঁড়ায়, স্ট্রাইক আবার শার্লটের জালে জড়িয়ে পড়তে থাকে। ঘুমের ভেতর দুঃস্বপ্নে শার্লট স্ট্রাইকের মগজের ভুলভুলাইয়ায় ঘুরে ঘুরে ব্ল্যাক ম্যাজিক করে সমস্ত গোপন দরজা উন্মুক্ত করতে থাকে।

চারটে গল্প লাগল বুঝতে, কিন্তু অবশেষে আমি বুঝতে পেরেছি, শার্লট হচ্ছে স্ট্রাইক সিরিজের ‘ইউ নো হু’। শার্লটের হরক্রাক্স কটা কোথায় লুকোনো আছে আমি জানি না, তবে সিরিজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত শার্লট থাকছে সেটুকু জানি।

পার্ট ওয়ানের বেশির ভাগ রবিন করমোরানের ব্যক্তিগত জীবন চর্চার মাঝে মাঝে রোলিং পার্ট টু-র গোয়েন্দা গল্পটার ভিত্তিস্থাপন করে রাখেন। সিরিজের তৃতীয় গল্প কেরিয়ার অফ ইভিল-এ কুখ্যাত সিরিয়াল কিলারকে ধরে দেওয়ার পর করমোরান স্ট্রাইক এখন সেলিব্রিটি গোয়েন্দা। রাস্তাঘাটে লোকজন অটোগ্রাফ টটোগ্রাফ নেয়। দেখা হলে মেয়েদের গাল গোলাপি হয়, পুরুষেরা হিংসে করে। এর মধ্যে একজন মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষ, বিলি, স্ট্রাইকের অফিসে এসে জানায় যে কুড়ি বছর আগে সে একটি বাচ্চাকে খুন হতে দেখেছে। স্ট্রাইক তার কথা একেবারে উড়িয়ে দিতে পারে না এবং অল্পস্বল্প খোঁজাখুঁজি শুরু করে। ঠিক এই সময় আরেকজন ক্লায়েন্ট আসেন স্ট্রাইকের কাছে। যে সে ক্লায়েন্ট নন, একেবারে সংস্কৃতি মন্ত্রী। তিনি ব্ল্যাকমেলড হচ্ছেন এবং মন্ত্রীর বিশ্বাস তাঁকে ব্ল্যাকমেল করছেন ক্রীড়ামন্ত্রী এবং ক্রীড়ামন্ত্রীর স্বামী। সংস্কৃতিমন্ত্রী কিছুতেই ভাঙতে চান না কেন তিনি ব্ল্যাকমেলড হচ্ছেন, তাঁর শুধু দাবি ক্রীড়ামন্ত্রী এবং তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে এই ব্ল্যাকমেলের প্রমাণ জোগাড় করে দিতে হবে।

স্ট্রাইক কেস নেয় এবং অচিরেই বুঝতে পারে যে অসুস্থ লোকটির বাচ্চা খুন হতে দেখার অভিযোগের সঙ্গে এই কেস একেবারে সম্পর্করহিত নয়। তদন্ত শুরু হওয়ার অব্যবহিত পরে সংস্কৃতিমন্ত্রী খুন হয়ে যান। মন্ত্রীর মেয়ে স্ট্রাইকের পুরোনো চেনা। (তারও যথারীতি স্ট্রাইকের প্রতি মনকেমন।) সে স্ট্রাইককে অনুরোধ করে বাবার খুনের সমাধান করে দিতে। মন্ত্রীর খুন আর বিলির কুড়ি বছর আগে দেখা বাচ্চা-খুনের তদন্ত পাশাপাশি চলতে থাকে।

লিথ্যাল হোয়াইট-এর গোয়েন্দা-অর্ধের ব্যাপারে আমার মত হচ্ছে যে গল্পটা অ্যাকচুয়ালি খারাপ না। প্রচুর চরিত্র, অগুন্তি সাবপ্লট। লিথ্যাল হোয়াইট লিখতে জে কে রোলিং-এর এত পরিশ্রম কেন হল বোঝা শক্ত নয়। ঘোড়া, ছবি, হোমিওপ্যাথি, ল্যাটিন কবিতা - সব নিয়ে ঘোরতর রিসার্চ করতে হয়েছে। চরিত্ররা শুধু অগুন্তি নয়, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডও বিবিধ। মন্ত্রীসান্ত্রীর পারিবারিক ড্রামা থেকে অতিবাম রাজনীতির প্রাঙ্গণ থেকে পার্লামেন্ট হাউসের অলিগলি। কুড়ি বছরের তফাতে দুটো রহস্যকে জড়াতে প্যাঁচও প্রচুর খেলিয়েছেন রোলিং। কিন্তু যখনই গল্প দানা বাঁধতে শুরু করেছে তখনই রবিন করমোরানের ব্যক্তিগত জীবন এসে রাস্তা আটকে দাঁড়িয়েছে। হয় রবিন ম্যাথিউর ঝগড়া হচ্ছে, নয় করমোরানের গার্লফ্রেন্ড কমিটমেন্ট দাবি করে বসছে, আর এ সবের স্টক ফুরোলেই সর্বনাশ! ও কে রাস্তা পেরোচ্ছে! শার্লট নাকি?!

ধাঁধাটার বিষয়ে বলতে হলে বলি, দু’এক জায়গায় বোঝা যায় যে যে গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন চেপে যাওয়া হল যেমন সংস্কৃতিমন্ত্রী কেন ব্ল্যাকমেলড হচ্ছিলেন সে খবরটা। মন্ত্রী নিজে তো বলেনইনি, তাঁর মৃত্যুর পর যেচে করমোরান স্ট্রাইককে তদন্ত করতে ডেকে আনার পরেও বাড়ির লোকেরা কিছুতেই ব্ল্যাকমেলের কারণ ভাঙলেন না। সেটা জানা গেল বইয়ের একেবারে লাস্টে পৌঁছে। আর জানা মাত্র হুড়মুড়িয়ে রহস্য সমাধান হয়ে গেল। তবে এগুলো তুচ্ছ অসন্তোষ। বলার জন্য বলা।

লিথ্যাল হোয়াইট-এর ব্যাপারে রোলিং-এর সঙ্গে আমার একটা জায়গায় মিলেছে, আমারও লিথ্যাল হোয়াইট পড়তে ভয়ানক পরিশ্রম হয়েছে। আনন্দের অংশটুকু মেলাতে পারলে ভালো লাগত, স্যাডলি, পারলাম না।



18 comments:

  1. Replies
    1. শেষ হলে জানিয়ো কেমন লাগল।

      Delete
  2. Strike er chaar khana uponyaser modhye 'Lethal White' nihsondehe sobtheke durbol. Fantasy, goyenda, contemporary fiction lekhay tukhor holeo romance lekhay Rowling ekkebare daha fail. 600 pata jora Robin er self pity bhorti monologue pore pore matha dhore galo mairi.


    Tobe Rowling amar Achilles heel. Tai porer uponyas ti ber holei abar gograase gilbo. Ki ar kora. :/

    ReplyDelete
    Replies
    1. হ্যাঁ, বদভ্যেসটা অনেকটা শারদীয়া আনন্দমেলা টাইপ দাঁড়িয়েছে। ক্যাজুয়াল ভেকেন্সি আর লিথ্যাল হোয়াইটের লেখক এক, আবারও প্রমাণ হল কিছু দিয়েই কিছুর বিচার হয় না।

      Delete
  3. আমি আপনার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। সত্যি বলতে কি, এই সিরিজের তৃতীয় বই থেকেই দুই প্রটাগনিস্টের ব্যক্তিগত জীবন ও ভেতরে থেকে যাওয়া ক্ষতচিহ্নের প্রভাব এত বেশি জায়গা নিচ্ছে, যে কেন্দ্রীয় রহস্য ক্রমেই পেছনে চলে যাচ্ছে। আমি ইদানীং সিরিজটা নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সত্যিই মনে হয়, আমাদের আবার চ্যান্ডলারেস্ক গোয়েন্দার জগতে ফিরে যাওয়া দরকার, যে নিজের কাজের জায়গায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের সাহায্যে অপারেট করবে, আর অন্যান্য অঙ্গগুলোকে আইস-বক্সে তুলে রাখবে সাময়িকভাবে হলেও। একজন পেশাদারের কাজে যদি এইভাবে তার নিজস্ব জীবনের ছায়াপাত ঘটে, তাহলে তার পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন জাগে। আর একবার সেটা হলে মন উঠে যেতে কতক্ষণ?

    ReplyDelete
    Replies
    1. চ্যান্ডলার আবার আরেক এক্সট্রিম এবং আমার একেবারেই পোষায় না, তবে লিথ্যাল হোয়াইট মার্কা বই পড়ার পর চ্যান্ডলারের জন্য মন কেমন করতে পারে, সেটা মানছি। মন আমার অলরেডি উঠতে শুরু করেছে, পাঁচ নম্বর স্ট্রাইক পড়ব কি না শিওর নই।

      Delete
  4. হ‍্যা৺, ঘটনার থেকে চরিত্র র detailing যেন প্রধান হয়ে উঠেছে, প্রথম ব‌ইটি শেষ করে উঠতে পারিনি। তবে আপনার লেখা পড়ে একটা কথা মনে এল- হ‍্যারি পটারে কিন্তু চরিত্রে র জোর টা সামান্য বেশি,এটা তার একটা side effect কিনা কে জানে?

    ReplyDelete
    Replies
    1. বেশি শব্দ খরচ করলেই যে চরিত্রচিত্রণ বেটার হবে এমন তো নয়, এককথা একশোবার লিখেও পাতা ভরানো যায়। সম্ভবতঃ লেখকরা বিখ্যাত হয়ে গেলে তাঁদের ইনডালজেন্ট হওয়া আটকানো কোনও এডিটরের সাধ্য না। তবে এটা রোলিং-এর প্যাটার্নও হতে পারে, হ্যারি পটারের শেষ গল্পগুলোতেও এক্স্যাক্টলি এই ঘটনা ঘটেছিল।

      Delete
  5. Boita kinbo bhabechilum, kintu apnar review pore thik korlam ar kinbo na. Amar mote Rowling er srestho (praptoboyesko-der) uponyas Casual Vacancy.

    ReplyDelete
  6. Hmmm....besh asha-hoto holam lekhata pore. Emnitei amar Career of Evil bhalo lageni, tai choturtho golpota porbo kina, ei niye dwidhay chhilam. Ekhon mone hocche aar porbo na. Review tar jonyo dhonyobad Kuntala :)

    The Casual Vacancy boita jogar hoyechhe, kintu ekhono pora hoyni. Otai pore felbo tahole. :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. লিথ্যাল হোয়াইট রেকমেন্ড করছি না অরিজিত, ক্যাজুয়াল ভেকেন্সি করছি। পড়লে জানাবেন কেমন লাগল।

      Delete
  7. স্ট্রাইকের স্ট্রাইক রেট প্রতি উপন্যাসেই কমছে| এটা আমারও মত|

    আর " মুখে বড়া দিয়ে থাকে" ... আহাহাহা :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. চতুর্থ গল্পটা সত্যিই বিরক্তিকর।

      Delete
  8. Satyi ... amaro mone hoyechhe .. Robin aar Cormoran -r prem likhte giye lekhok ashol golpota te bishesh mon dite paren ni ... tai kemon ekta soja sapta khuni jogaar korechhen ... aar Robin -r moton ekjon character -r nijer opore eto kom confidence ki bhabe hote paare .. bhebe bhebe o kul kinaara korte pari ni ...

    "শার্লট হচ্ছে স্ট্রাইক সিরিজের ‘ইউ নো হু’।" .. haa haaa .. eta darun bolechhiss ...

    ReplyDelete
    Replies
    1. রবিনকে ওইরকম দেখানোটা সম্ভবত "বাস্তব"-এর খাতিরে। যদিও এ ব্যাপারে একটু কল্পনার আশ্রয় নিলেই লেখক ভালো করতেন বলে আমার মনে হয়েছে।

      Delete
  9. অন্য প্রশ্ন। আপনি কি এখনও খাতা-কলমেই লিখছেন? না এমএস ওয়ার্ডে ফিরেছেন?

    ReplyDelete
    Replies
    1. ফার্স্ট ড্রাফটেরও আগের যে খসড়া (ব্রেনডাম্প) সেটা খাতায় কলমে করি। তার পরের খসড়াগুলো স্ক্রিভনার বলে একটা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রামে লিখি। সেটা অটোমেটিক্যালি গুগল ড্রাইভে ব্যাক আপ হয়। (কিন্তু সে প্রোগ্রামটা আমার ম্যাকের জন্য কেনা আর ম্যাকের চার্জার গেছে খারাপ হয়ে, কাজেই যতদিন না নতুন চার্জার বা নতুন কম্পিউটার আসছে, অর্চিষ্মানের বাড়তি ল্যাপটপখানা ধার করে সবকিছু ডিরেক্টলি গুগল ডকসে টাইপ করছি।) সম্পাদকেরা সব কিছু এম এস ওয়ার্ডে চান কাজেই লেখা শেষ হলে সেটা ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করে পাঠিয়ে দিই।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.