April 07, 2019

মার্চ মাসের বই/২




The Left Hand of Darkness/ Ursula Le Guin






Light is the left hand of darkness
and darkness the right hand of light.
Two are one, life and death, lying
together like lovers in kemmer,
like hands joined together,
like the end and the way.


উপন্যাসের মুখবন্ধে লেখক বলছেন,

Science fiction is not predictive; it is descriptive. ….Prediction is the business of prophets, clairvoyants, and futurologists. It is not the business of novelists. A novelist’s business is lying. 

কিন্তু লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস পড়লে আপনার গুইনকে প্রফেট ছাড়া আর কিছু মনে হবে না। মিথ্যুক তো নয়ই। মনে হবে এত সত্যি কথা এত দূরে বসে, স্থান কাল পাত্রের এত দূরে বসে তিনি জানলেন কী করে?

লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস ‘হাইনিশ’ সিরিজের চার নম্বর উপন্যাস। সিরিজের বাকি গল্পগুলো না পড়লেও (আমি পড়িনি) আপনি দিব্যি লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস বুঝতে পারবেন। স্ট্যান্ড অ্যালোন হিসেবে এ বই সমান জোরদার। ঘটনা ঘটছে Ekumenical year 1490-97 এ। গুইন যদিও ভূত ভবিষ্যৎ কিছু নির্দিষ্ট করেননি, বিজ্ঞানের অগ্রগতি, বিবর্তন ইত্যাদি দেখে একে অতি দূর ভবিষ্যতে বলেই ধরে নেওয়া যায়। ঘটনাস্থল গেথেন নামের একটি গ্রহ। এই সিরিজ অনুযায়ী মানবসভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল পৃথিবীতে (এই সিরিজে টেরা) নয়, হাইন নামের একটি বিশ্বে। হাইনিশরা ক্রমে টেরা এবং গেথেন এবং আরও নানা গ্রহপুঞ্জে উপনিবেশ স্থাপন করে। আপাতত হাইনিশদের নেতৃত্বে তিরাশিটি গ্রহপুঞ্জের একটা সম্মিলিত লিগ গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে। যার নাম একিউমেন। একিউমেনে যোগ দিতে উদ্ধুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে গ্রহপুঞ্জে গ্রহপুঞ্জে দূত (এনভয়) পাঠানো হচ্ছে। 

জেনলি আই একজন এনভয়। তিনি টেরা গ্রহের বাসিন্দা (অর্থাৎ আমার আপনার মতো পৃথিবীর মানুষ।) তাঁর কাজ হচ্ছে গেথেনকে বুঝিয়েসুঝিয়ে একিউমেনে নিয়ে আসা। গেথেন চিরশীতের গ্রহ বলে ব্রহ্মাণ্ডে গেথেনকে সবাই ‘উইন্টার’ বলে জানে। গেথেনের প্রধান দুই দেশ কারহাইড আর অরগোরেইন। একটি ভূখণ্ডের অধিকার নিয়ে ঝগড়া তাদের একে অপরের শত্রু বানিয়ে তুলেছে। (বলেছিলাম, গুইন মিথ্যে গল্প লিখছেন না)। আমাদের এনভয় আই প্রথমে কারহাইডে গিয়ে নামেন এবং সেখানকার প্রধানমন্ত্রী এস্ত্রেভান-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন। এস্ত্রেভান জেনলি আই-এর মিশনে আস্থা রাখেন এবং রাজার সঙ্গে আই-এর মধ্যস্থতার ভার নেন। যাতে আই রাজাকে বুঝিয়েসুঝিয়ে কারহাইডকে একিউমেন-লিগে যুক্ত হওয়ার জন্য রাজি করাতে পারেন। কিন্তু কারহাইডের রাজবাড়িতে রাজনীতির ঘুঁটি চালাচালিতে এস্ত্রেভান রাজদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হন এবং তাঁকে প্রাণ হাতে করে অরগোরেইনে পালাতে হয়। কারহাইড রাজি না হলে অন্তত যদি অরগোরেইন রাজি হয় এই আশায় কলকাঠি নেড়ে তিনি আইকে অরগোরেইনে আনান। অরগোরেইন কারহাইডের থেকে বড়লোক দেশ, কাজেই সেখানে নিয়মিত রিফিউজিরা ঢুকে থাকে। আই, 'লেস ট্র্যাভেলড রোড' নিতে গিয়ে আই সেই সব রিফিউজিদের সঙ্গে অরগোরেইনে ঢোকেন এবং রিফিউজি ক্যাম্পে কয়েকদিন থাকার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। এই অংশটাও রোমহর্ষক রকম রিয়েল। কারহাইডের থেকে অরগোরেইন সব দিক থেকেই এগিয়ে, কূটবুদ্ধিতেও। তারা প্রথমে আইকে খুব খাতিরযত্ন করে, টেবিলে বসিয়ে দামি পাত্রে দামি খাবার খাওয়ায় কিন্তু এক রাতে আচমকা বন্দী করে নিয়ে ফেলে রেখে আসে বহুদূরের এক জেলখানায়, যেখানে চারদিকে বরফ ছাড়া আর কিছু নেই। জেলখানা নামেই, কিন্তু পাহারা বিশেষ জোরদার নয়। ইচ্ছে হলে বন্দীরা যে কেউ বেরিয়ে হেঁটে চলে যেতে পারে বরফের ওপর দিয়ে। 

কিন্তু যাবে কোথায়? আদিগন্ত জুড়ে শুধু বরফ। বিপদ নেই, খাবার নেই, জল নেই। অতি প্রাচীন কালে কোনও এক অসীমসাহসী এই বরফরাজ্য পায়ে হেঁটে পার করার সাহস দেখিয়েছিলেন, গেথেনের বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর সময় যার গল্প শোনানো হয়। তারপর আর কোনও রক্তমাংসের মানুষ এই সাহস কিংবা বোকামো করেনি। করে থাকলেও সফল হওয়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। 

যদিও এই গল্পে স্পয়লার দেওয়ার কিছু নেই, কিন্তু এর পর কী হবে আমি আর ভাঙলাম না। আপনারা ইচ্ছে হলে পড়ে নেবেন।  

এই হচ্ছে গল্প। গল্পের মধ্য দিয়ে উরসুলা বিবিধ ধারণা তুলে এনেছেন। বন্ধুত্ব, বিট্রেয়াল, রাজনীতি, দেশপ্রেম। 

How does one hate a country, or love one? Tibe talks about it; I lack the trick of it. I know people, I know towns, farms, hills and rivers and rocks, I know how the sun at sunset in autumn falls on the side of a certain plowland in the hills; but what is the sense of giving a boundary to all that, of giving it a name and ceasing to love where the name ceases to apply? What is love of one's country; is it hate of one's uncountry? Then it's not a good thing. Is it simply self-love? That's a good thing, but one mustn't make a virtue of it, or a profession... Insofar as I love life, I love the hills of the Domain of Estre, but that sort of love does not have a boundary-line of hate. And beyond that, I am ignorant, I hope.

“No, I don't mean love, when I say patriotism. I mean fear. The fear of the other. And its expressions are political, not poetical: hate, rivalry, aggression.” 

লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস কল্পবিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি লিজেন্ড এবং তার আমার মতে সেটা গল্পের মাধ্যমে এই সব ইস্যুর বিশদ আলোচনার জন্য নয়। অন্যতম কারণ হল এই বইতে গুইন একটি অসামান্য, অভিনব ধারণার সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় করিয়েছিলেন। একটি যৌনতার ধারণা। 

যে যৌনতার নমুনা সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডে কেবল গেথেনেই দেখা যায়। বহুযুগ আগে হাইনিশ বিজ্ঞানীরা গেথেনে একটি এক্সপেরিমেন্ট করেছিলেন, যে জন্য ব্রহ্মাণ্ডের আর কোথাও এ জিনিস দেখা যায় না। গেথেনিয়ানরা একাধারে নারী এবং পুরুষ। মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মধ্যে যৌনতার উন্মেষ হয়। সেটাকে বলে কেমার অবস্থা প্রাপ্ত হওয়া। কেমারে গেথেনিয়ানদের সুপ্ত যৌনাঙ্গ আত্মপ্রকাশ করে এবং কামেচ্ছা জাগে। কেমারে থাকা দুই বিপরীত লিঙ্গের মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলিত হলে সন্তানের জন্ম হতে পারে। 

সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হচ্ছে, কেমারে কার কোন যৌনাঙ্গের প্রকাশ ঘটবে তা র‍্যান্ডম। কেউ এ মাসে নারী হল, পরের মাসেই তার পুরুষ হতে কোনও বাধা নেই। হয়ও। সন্তানের ঔরসদায়ী পিতা এবং গর্ভধারিণী মাতা দুইই হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে গেথেমের সতেরো থেকে পঁয়ত্রিশ পর্যন্ত বয়সী বেশিরভাগ মানুষের। এস্ত্রেভান এবং রাজামশাইয়েরও।

The structure of their societies, the management of their industry, agriculture, commerce, the size of their settlements, the subjects of their stories, everything is shaped to fit the somer-kemmer cycle. Everybody has his holiday once a month; no one, whatever his position, is obliged or forced to work when in kemmer. No one is barred from the kemmerhouse, however poor or strange. Everything gives way before the recurring torment and festivity of passion. This is easy for us to understand. What is very hard for us to understand is that, four-fifths of the time, these people are not sexually motivated at all. Room is made for sex, plenty of room; but a room, as it were, apart. The society of Gethen, in its daily functioning and in its continuity, is without sex.

বলা বাহুল্য, বৈশিষ্ট্যের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আপনারা নিজেরা ভেবে বার করতে পারেন, কয়েকটি সম্ভাবনা লেখকনিজেই পয়েন্ট আউট করে দিয়েছেন।

Consider: Anyone can turn his hand to anything. This sounds very simple, but its psychological effects are incalculable. The fact that everyone between seventeen and thirty-five or so is liable to be (as Nim put it) "tied down to childbearing," implies that no one is quite so thoroughly "tied down" here as women, elsewhere, are likely to be—psychologically or physically. Burden and privilege are shared out pretty equally; everybody has the same risk to run or choice to make. Therefore nobody here is quite so free as a free male anywhere else.

Consider: A child has no psycho-sexual relationship to his mother and father. There is no myth of Oedipus on Winter.

কেমারে যাওয়া মানেই কিন্তু যৌনতা গ্যারান্টিড নয়। ধরা যাক, একজনের কেমার শুরু হল। এরপর সে চাইবে একজনের সঙ্গে প্রেমে লিপ্ত হতে। কিন্তু সে শুধু তখনই লিপ্ত হতে পারবে যদি তার সঙ্গে শরীর এবং মনের কম্প্যাটিবিলিটিওয়ালা অন্য কেউ সেই মুহূর্তে কেমারে অবস্থান করে এবং তার সঙ্গে যৌনাচরণে রাজি হয়।

Consider: There is no unconsenting sex, no rape. As with most mammals other than man, coitus can be performed only by mutual invitation and consent; otherwise it is not possible. Seduction certainly is possible, but it must have to be awfully well timed.

Consider: There is no division of humanity into strong and weak halves, protective/protected, dominant/submissive, owner/chattel, active/passive. In fact the whole tendency to dualism that pervades human thinking may be found to be lessened, or changed, on Winter.

গোলমেলে ব্যাপার বুঝতেই পারছেন। গেথেনিয়ানদের জন্য গোলমেলে নয় কারণ তাঁরা এই জীবনে অভ্যস্ত। অন্য কিছু তাঁরা দেখেননি কখনও, ভাবতেও পারেন না। কারহাইডের লোকেরা যখন জানল যে জেনলি আই এবং জেনলি আই-এর গ্রহের (এবং ব্রহ্মাণ্ডের আরও সব গ্রহপুঞ্জের) লোকজন সর্বদা চিরস্থায়ী পুরুষ কিংবা নারী হয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং যখন তখন যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার ক্ষমতা রাখে, তাদের বলা বাহুল্য, চোখ কপালে উঠেছিল। এই রকম মানুষদের সম্পর্কে একটি শব্দই তারা উচ্চারণ করতে পেরেছিল, ‘পারভার্ট’। জেনলি আই অবশ্য এমত প্রতিক্রিয়ায় চমকাননি। পূর্ববর্তী একজন হাইনিশ গবেষক/পরিব্রাজকের সতর্কবাণী তাঁর মাথায় ছিল।

When you meet a Gethenian you cannot and must not do what a bisexual naturally does, which is to cast him in the role of Man or Woman, while adopting towards him a corresponding role dependent on your expectations of the patterned or possible interactions between persons of the same of the opposite sex. Our entire pattern of socio-sexual interaction is nonexistent here. They cannot play the game. They do not see one another as men or women. 

The First Mobile, if one is sent, must be warned that unless he is very self-assured, or senile, his pride will suffer. A man wants his virility regarded, a woman wants her femininity appreciated, however indirect and subtle the indications of regard and appreciation. On Winter they will not exist. One is respected and judged only as a human being. It is an appalling experience.

দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস গেথেনিয়ান যৌনতার সমাজসংসারের ওপর সোমার-কেমারের প্রভাব প্রকাশ করে। কিন্তু এই বই আরও একটা কাজ একইসঙ্গে করে। আমাদের যৌনতার নিয়মগুলো আমাদের সমাজটাকে কীভাবে গড়েপিটে নিয়েছে, নেয় সর্বক্ষণ সেটাও মনে পড়ায়। গেথেনিয়ানদের ওপর যৌনতার এই এক্সপেরিমেন্ট চালানোর আসল উদ্দেশ্য কী সেই নিয়েও হয়তো ভাবিয়ে তোলে। হয়তো উদ্দেশ্য নিছক একটা অন্যরকম কিছুর আমদানি ঘটানো ছিল না। হয়তো উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বশান্তির মতো গুরুতর কিছু।

Another guess concerning the hypothetical experiment's object: The elimination of war. Did the Ancient Hainish postulate that continuous sexual capacity and organized social aggression, neither of which are attributes of any mammal but man, are cause and effect? Or, like Tumass Song Angot, did they consider war to be a purely masculine displacement-activity, a vast Rape, and therefore in their experiment eliminate the masculinity that rapes and the femininity that is raped? God knows. The fact is that Gethenians, though highly competitive (as proved by the elaborate social channels provided for competition for prestige, etc.) seem not to be very aggressive; at least they apparently have never yet had what one could call a war. They kill one another readily by ones and twos; seldom by tens or twenties; never by hundreds or thousands. Why?

উরসুলা গুইন-এর লেখা আমার কাছে ইজি রিডিং নয়। যে ঝরঝরে ভাষার প্রশংসায় আমি মুখর থাকি, উরসুলা এল কে গুইন-এর লেখা সেই গোত্রে পড়ে না। (এই প্রসঙ্গে গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভ্যাকের একটা বক্তব্য মনে পড়ে গেল। ওঁর বক্তব্য ছিল, সহজ করে বোঝানোর দাবির পেছনে আসলে সহজ ভাবনার দাবি থাকে। অবশ্য উনি এটা এত সহজ করে বলেননি, কাজেই আমি ঠিক বুঝেছি কি না জানি না। আমাকে কোট করবেন না দয়া করে।) তাছাড়া থ্রি অ্যাক্ট, ফোর অ্যাক্ট, ফাইভ অ্যাক্ট স্ট্রাকচার ইত্যাদি আরও যা যা ছকের গল্প আমরা পড়ে অভ্যস্ত, যেখানে প্লটের বিবিধ মোচড়, নির্দিষ্ট স্থানাঙ্কে ফেলা হয় যাতে টেনশন সাসপেন্স ইত্যাদি বজায় থাকে, সে সব গুইনের উপন্যাসে নেই। নেই বলেই, কখনও কখনও গল্প অকারণ দীর্ঘও মনে হয়। তবে তাৎক্ষনিক সুখপাঠ্যতার মায়ায় না ভুলে, চেপে বসে পড়লে আজ পর্যন্ত যে সব জিনিস একরকম দৃষ্টিতে দেখে এসেছেন সেগুলো অন্যরকম দৃষ্টিতে দেখতে পাওয়ার একটা সুযোগ আসতে পারে। যা আগে কখনও দেখা হয়নি সে রকমও কিছু দেখে ফেলা অসম্ভব নয়। দুটোর কোনওটাই খুব বেশি লেখক বা লেখার ক্ষেত্রে বলতে পারা সুলভ নয়। 



12 comments:

  1. Apekkhay chhilam. Khub bhalo ekta boi niye likhechhen. :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. Porte hobe. Wish list e rakhlam.

      Delete
    2. পড়ে দেখতে পারেন, সায়ন।

      Delete
  2. Hmm....besh sundor review.
    Ami ashole science fiction golpo thhik bujhe uthhte parina (oi Professor Shonku chhara), kaajei ei boita porbo na hoyto. Tobe review ta pore besh bhalo laglo. :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. সায়েন্স ফিকশন আমারও ফেভারিট নয়, অরিজিত। আমারও কঠিং ঠেকে। কিন্তু এই বইটা ভালো লেগেছে। ভাবছি একটু একটু করে পড়া অভ্যেস করব।

      Delete
  3. লেখা পড়ে বুঝলাম গায়ত্রী ম‍্যাডাম যাদের কথা বলেছেন তাদের মধ্যে আমিও পড়ি। একজনের কাছে শুনেছিলাম যে উনি সুনীল পড়েন না কারণ এত তাড়াতাড়ি পড়া যায় যে পড়ার পর মনে হয় যে কিছুই পড়লাম না।

    ReplyDelete
    Replies
    1. আমিও ওই দলেই পড়ি, নালক। তবে আমার মনে হয় গায়ত্রী ম্যাডামের কথাটা একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। আমার সহজ করে বোঝানোর দাবির পেছনে শক্ত জিনিস বোঝার পরিশ্রম এড়ানোর ফাঁকিবাজি খানিকটা আছে বলেই আমার বিশ্বাস। সবার সে রকম হতে হবে তেমন কথা নেই।

      Delete
  4. উরশুলা লে গুইনের একটি গল্প পড়ে ছিলাম যেখানে উদ্ভিদজাতীয় প্রানী মানুষের চেতনা খেয়ে নিয়েছিল। এখন আর পুরোটা মনে নেই। হাইনিশ সিরিজের নাম শুনেছি, তবে এত বড় যে পড়া শুরু করতে ভয় পাই। যেমন ডিউন।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ওই একই কারণে ডিউন-এ আমিও নেই।

      Delete
  5. তবে june এর আগে Dune পড়ব বলে ঠিক করেছি। ভিলেনিউভে সিনেমা করছে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. এটা ভালো ইনসেনটিভ।

      Delete
  6. Ursula Le Guin amar priyotomo lekhak der onyotomo. Apnar review ta khub bhalo hoyeche. Kau jodi ei boi er bangla onubad korto. Le Guin er bhasa khub sohoj noi, ei byapare ami ekmot. Onar kichu choto-golper collection ache, segulo pore dekhte paren. Amar khub i bhalo lageche.

    ReplyDelete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.