June 28, 2020

হেস্তনেস্ত গার্হস্থ্য



অর্চিষ্মান বাড়ি চলে এসেছে। বাবা নিজের বাড়িতে ফিরে গেছেন। আমার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বৃত্তের সবাই যে যার স্থানেমানে গুছিয়ে বসেছে, কেউ মাঝপথে ঝুলে নেই। এতদিনে আমি লকডাউনের আনন্দ যথার্থ উপলব্ধি করতে পারছি। নিজের সমস্যা সব আন্ডার কন্ট্রোল থাকায় অন্যের বিপদে সহমর্মিতা দেখানো অনেক স্বচ্ছন্দ বোধ করছি।

দিনতিনেক আগে সকালে অর্চিষ্মান খবর দিল পাশের পাড়ার এক কমপ্লেক্সে একই বাড়ির দুজন কোভিড পজিটিভ। বাবা বললেন, রিষড়ারও পাশের পাড়ার কে যেন মারা গেছে। অর্চিষ্মান টুইটার থেকে খবর এনেছে বলে আমি ভয়ে কাঁপতে লাগলাম আর বাবাকে পাঁচশোটা প্রশ্ন করে সোর্সের সত্যতা যাচাই করতে বসলাম। বাবা স্বীকার করলেন ভিকটিমের নামধাম কিছুই উনি জানেন না, পাশের বাড়ির জেঠি গাছে জল দিতে দিতে বাবাকে চেঁচিয়ে বলেছেন, জেঠি খবর পেয়েছেন কুট্টিপিসির কাছ থেকে। শুনেটুনে আমার সন্দেহ হল কে জানে লোকটা আসলে করোনায় মরেছে কি না, যে কোনও রোগে মরলেই আজকাল করোনা বলে চালিয়ে দিচ্ছে সবাই। অত ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

বোকা সাহস ব্যাপারটা আমার চিরকালই ছিল। পরীক্ষার আগে পড়ছি না, প্রেমে পড়ার আগে ভাবছি না। করোনাতেও ব্যত্যয় নেই। লোকে শুনছি আলুপটল সার্ফ এক্সেল দিয়ে মেজে খাচ্ছে, আমি আগের মতোই কলের জলে ধুয়ে কেটেকুটে রেঁধেবেড়ে খেয়ে নিচ্ছি। খাতায়কলমে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর, বাসিন্দা ওয়েলফেয়ার সমিতির অনুমতিদায়ক হলুদ প্যামফ্লেট বাড়িওয়ালার বারান্দায় উড়ে এসে পড়ার পর, রীতাগীতাদি যখন আসা শুরু করতে চাইলেন নির্দ্বিধায় হ্যাঁ বলে দিয়েছিলাম। তখনও অর্চিষ্মান ফেরেনি। সে ফিরেই চোখ কপালে তুলে বলল, পাগল নাকি? এখন বাড়তি মনুষ্যসংসর্গের প্রশ্নই ওঠে না। নেহাত আমারতোমার এক ছাদের তলায় না থাকার যুক্তিগ্রাহ্য কারণ এত শর্ট নোটিসে জোগাড় করা কঠিন। কাজেই ওঁরা আবার ছুটিতে ফিরে গেছেন। রীতা আমার বাজার সরকারের দায়িত্ব নিয়েছে। সকালবেলা অন্য কাজের বাড়ি (যারা আমার মতো সাহসী এবং ওকে বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছে) যাওয়ার আগে আমার বাজার পৌঁছে দিয়ে যায়। আলু, পটল, ধনেপাতা, কলমিশাক, আম, তরমুজ, অর্চিষ্মানের জন্য ট্যাংরামাছ - নিজেই বেছেবুছে, দেখেশুনে আনে। গত দু'বছর ধরে আমাকে রামঠকা ঠকতে দেখার আফসোস ওর অবশেষে ঘুচেছে। থলি হস্তান্তর করে জানতে চায়, বল তো কত দাম নিয়েছে? আন্দাজ করে যা বলি তার তিনগুণ কম একটা দাম বলে মাস্কের ওপারে হাসে।

কাজেই সকালবিকেল রান্না চলছে। রোজের রান্না তো আর শখে করা যায় না, ফ্রিজে কী পচে যাবে সেই দেখে, কোন তরকারির দাম কম সেই বুঝে করতে হয়। যেহেতু একদু'দিনের ব্যাপার নয়, তাই রুটিও বানাচ্ছি। চাঁদের মতো গোল আর রুমালের মতো পাতলা রুটি বেলায় অর্চিষ্মানের প্রতিভা বিয়ের সাত বছর পর আবিষ্কার করে নতুন করে ওর প্রেমে পড়েছি। জোম্যাটো সুইগি মাথা খুঁড়ছে, সকালবিকেল ইনবক্সে লোভ দেখাচ্ছে "ইউ ডিজার্ভ আ ব্রেক।" মাই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অলসো ডিজার্ভস মোর মানি। এখন বাইরের খাওয়া খতরনাক হতে পারে সে সব তো বটেই তাছাড়া আমার মতো কিপ... ওয়েল, মিতব্যয়ী লোকের পক্ষে টাকা বাঁচানোর মোটিভেশনটাও বেশ কাজ দিচ্ছে।

পকেটের কথা যদি উড়িয়েও দিই, পেটের দায়েও রোজ বাইরে থেকে কিনে খাওয়া যায় না। আগে একশিশি চানাচুর হেসে হজম করে ফেলতাম, পরশু মাত্র হাফশিশি খেয়ে সারারাত স্বপ্ন দেখলাম নিঃশ্বাস নিতে পারছি না। এদিকে দিল্লির কোনও হাসপাতালে অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছে না। বলছে পার্মানেন্ট অ্যাড্রেস পশ্চিমবঙ্গের তো পশ্চিমবঙ্গের হাসপাতালে চিকিৎসা করাও গে, আমরা করাব কেন? এসি চলা সত্ত্বেও ঘামতে ঘামতে দুটো সাতচল্লিশে সেই যে ঘুম ভাঙল আর এল না।

সাধারণ জিনিসপত্রই রাঁধছি। ডাল ভাত শাক তরকারি মাছের ঝোল। হাত ঘুরিয়ে বিরিয়ানি রেঁধে ফেলার কিংবা দেশবিদেশের মশলা প্যান্ট্রিতে সাজানোর বা গবেষণা করে লুপ্ত রেসিপি খুঁড়ে বার করার অ্যাসপিরেশন আমার কখনওই ছিল না। সত্যি বলতে ওগুলোকে আমি রান্না করতে পারার প্রমাণ বলে গণ্যও করি না। আমার কাছে রান্না করতে পারা মানে হচ্ছে কারও খিদে পেয়েছে শুনে রান্নাঘরে ঢুকে আটা মেখে, বেলে, দুটো রুটি সেঁকে আর চার পিস বেগুন মুচমুচে করে ভেজে, পনেরো মিনিটের মধ্যে থালায় বেড়ে দিতে পারা। মায়ের মতো তো হওয়া যায় না, কিন্তু গত কয়েক মাসে ডালের সঙ্গে কিছু নেই আবিষ্কার করে এক্সটেম্পোর পেঁয়াজি ভেজে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস এবং পটুত্ব জোগাড় করতে পেরেছি। আমি তাতেই খুশি।

নিজে রাঁধতে গিয়ে আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করেছি -- তেল, চিনি, শর্করা ইত্যাদির প্রতি শত্রুভাবটা কমে এসেছে। মা পইপই করে বলতেন, ওরে ভাতরুটি ডালতরকারিতে ওজন বাড়ে না, ওজন বাড়ে আধপেটা ভাত খেয়ে উঠে একঘণ্টা পর খিদের চোটে কপাকপ তিনখানা বিস্কুট খেয়ে ফেলায়। আমি পুষ্টিবিশারদ নই কাজেই আমার কথা সিরিয়াসলি নেওয়ার দরকার নেই, কিন্তু ডুবো তেলে ভাজা পেঁয়াজি (কটা আর লজ্জার খাতিরে বলছি না), পাঁচফোড়ন সম্বার দেওয়া মুসুরডাল আর বেড়ালকে হাইজাম্পের চ্যালেঞ্জ দেওয়া পরিমাণ ভাত খেয়ে উঠে অন্নপূর্ণার আতা সন্দেশ ডেইলি একটা করে খেয়েও আমার ওজন একশো গ্রামও বাড়েনি। হ্যাঁ, খুচুরমুচুর খাওয়ার ইচ্ছে এবং ক্ষমতা সম্পূর্ণ অন্তর্হিত হয়েছে; ওই পরিমাণ গলাধঃকরণ করে সাত ঘণ্টার আগে আর দাঁতে কিছু কাটার কল্পনা করা সম্ভব নয়।

একটাই অসুবিধে, সহজে যার থেকে রেসিপি জেনে নেওয়া যেত তিনি নেই। ইউটিউব আছে। ইউটিউবে রান্না শেখার আবার অন্য অসুবিধে। আলুপোস্ত, ঝিঙেপোস্ত যে কোনও ধরণের পোস্ত রান্না করতে গেলেই লোকে ফটাস করে তেলের মধ্যে এক চামচ কালোজিরে সম্বার দিয়ে বসে। আমি সপ্তাহে পাঁচবার পোস্ত খেয়ে বড় হয়েছি, কোনওদিন সম্বারের ছায়া পর্যন্ত দেখিনি। সর্বদা তেলের মধ্যে ডিরেক্ট আলুই ছাড়তে দেখেছি। কালোজিরে যদি বা মেনে নেওয়া গেল, নুনের পিছুপিছু যখন কড়াইয়ে হলুদ উড়ে এসে পড়ে, শিউরে উঠে ভিডিও বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকে না। আর চিনি। বাপরে বাপরে বাপ। ডালে, ঝোলে, তেতোয়, অম্বলে হাতা হাতা চিনি ঢালছে লোকজন। কী না, স্বাদে ব্যালেন্স হবে। বাড়িতে কোনওদিন আনব্যালেন্সড রান্না খেয়েছি তো মনে পড়ছে না।

আমি জানি, কেউ আমাকে খারাপ রান্না খাইয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ফাঁদছেন না, সকলেই নিজের বাড়ির ধরণধারণ, ট্রেনিং মেনেই রাঁধছেন। যত রাঁধুনি, তত রকম রেসিপি, তত রকম ফোড়ন, তত রকম নুনচিনির বেশিকম। কিন্তু বুড়ো হয়েছি বলেই বোধহয়, নিজের বাড়ির খাবারের স্বাদ ধরে রাখার একটা দায় এবং ইচ্ছে চাগাড় দিচ্ছে। কাজেই ডাল ঝোল আলুপোস্তর রেসিপি দেখা বন্ধ করেছি, স্মৃতিতে যতটুকু আছে, যেমন আছে তাই রাঁধছি

তা বলে তো আর ইউটিউব দেখা বন্ধ করা যায় না। না দেখলে করবই বা কী? পড়াশুনো? লেখালিখি? কাজেই দেখি। সে সব রেসিপিই দেখি যেগুলো নিজে কোনওদিন অ্যাটেম্পট করব না। রুটি সয়াবিনের তরকারি খেতে খেতে দম বিরিয়ানি আর খেয়ে উঠে প্লেটে গুঁড়োদুধ আর চিনি নিয়ে চামচে করে খেতে খেতে পাঁচ লিটার দুধ লো আঁচে জ্বাল দিয়ে রাবড়ি বানানো দেখি। আজ শুরু করলে, কপাল ভালো থাকলে পরশুর আগে শেষ হলেও হতে পারে। ততক্ষণে রাঁধুনিও শেষ, রান্নাঘর কুরুক্ষেত্র, ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুতো ছেঁড়ে ছেঁড়ে। দোকানের মতো ছেড়েই দিন, জীবনে প্রথমবার বিরিয়ানি রান্না করলে যেমন খেতে হওয়ার আশা করা যায় এক্স্যাক্টলি সেরকমই হয়েছে। এক্সপার্ট বলবেন, আলুবোখরা দিয়েছিলে? আপনি যদি মিনমিন করেন যে অমুক রেসিপিওয়ালা যে বললেন আলুবোখরার বদলে টমেটো দিলেও একই ব্যাপার, তিনি খাঁড়া হাতে লাফিয়ে পড়বেন। বলবেন, ব্যাটারা বিরিয়ানির উৎস সম্পর্কে জানে কী? ওয়ার্ল্ড ম্যাপে বিরিয়ানির মহাদেশ থেকে মহাদেশ ভ্রমণের যাত্রাপথ এঁকে দেখাতে পারবে? বিন্দুমাত্র পড়াশোনা নেই, কুলিনারি হিস্ট্রির আগামাথা জ্ঞান নেই, বিরিয়ানি রাঁধতে গেছে।

ইউটিউবে একটা কম্পিটিশন চলে খেয়াল করেছি, কে কত কম যন্ত্র/উপকরণ ব্যবহার করে রান্না করতে পারেন। একজন যদি ওভেন ছাড়া পিৎজা বানিয়ে হাততালি পান, আরেকজন পত্রপাঠ ওভেন এবং ইস্ট ছাড়া পিৎজা বানিয়ে ভিডিও ছাড়বেন। রাত পোয়াতে না পোয়াতে রেকোমেন্ডেশন আসবে, 'ওভেন, ইস্ট এবং চিজ ছাড়া পিৎজার রেসিপি জানতে হলে হামলে পড়ুন!' যে রেটে চলছে, যে কোনওদিন লোকে গ্যাস ছাড়াও যে রান্না করা যায় প্রমাণ করতে ফ্ল্যাটের বারান্দায় কাঠকুটো জ্বেলে রান্না চড়াবে।

ভালোই হবে, আমার টাইমপাস হবে।

একদিন এ রকমই টাইমপাস করছিলাম, অর্চিষ্মান বিনা ওয়ার্নিং-এ নিজের ল্যাপটপ থেকে মনোযোগ সরিয়ে আমার ঘাড়ের পাশ দিয়ে উঁকি মেরে বলল,এত হাসি হাসি মুখে কী দেখছ গো?

চমকে উঠে স্ক্রিন মিনিমাইজ করলাম। অর্চিষ্মান সন্দেহজনক দৃষ্টি দেখে আবার ম্যাক্সিমাইজ করে দেখাতে হল। ছানার জিলিপির রেসিপি।

অর্চিষ্মান বলল, প্লিজ বানাই চল। দেখে তো হেবি সোজা মনে হচ্ছে।

বাইরে থেকে দেখে ঠিক উল্টোটা মনে হলেও, তলে তলে অর্চিষ্মান আমার থেকে একশোগুণ বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী। আমি বললাম, গোড়াতেই ছানার জিলিপিতে নেমে পড়া হঠকারিতা হয়ে যেতে পারে, এই দেখো #লকডাউনমিষ্টি বলে পাঁচমিনিটে কালাকাঁদের রেসিপি ছেপেছে, সেটাই মনে হয় আমাদের পক্ষে উপযুক্ত হবে।

সব ফেল পড়ল।

রেসিপি দেখে রান্নার সমস্যা হচ্ছে, অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললেও কোথাও না কোথাও গোলমাল হবেই। যেমন ভিডিওতে যে কাপড়ে ছানা ঝোলানো হয়েছিল অত পাতলা সাদা সুতির কাপড় পাওয়া গেল না, একটা মোটা রুমালে ঝোলালাম, আধঘণ্টা পরেও ছানা তেমন ভালো শুকোলো না। সে ছানা মাখতে বসে যে রেটে হাতে চিপকোলো, আমি হলে দশ মিনিট বাদে নমস্কার দিয়ে উঠে পড়তাম, নেহাত অর্চিষ্মান প্রশান্ত মহাসাগরের মতো ধৈর্য নিয়ে জন্মেছে, চল্লিশ মিনিট সাধনার পর বাদে কোনওমতে একটা গোল্লা পাকাতে সমর্থ হল। তারপর জিলিপির প্যাঁচ দিয়ে, এক গঙ্গা তেলে ভেজে, এক গামলা চিনির সিরায় ডুবিয়ে তাদের তোলা হল।

ভিডিওর স্রষ্টা যেমন নরম হবে বলে দাবি করেছিলেন, শুধু দাবি নয়, চামচ দিয়ে অবহেলে কেটে প্রমাণও দেখিয়েছিলেন, আমাদের জিলিপিগুলো অত নরম হয়নি। তবে খেতে চমৎকার হয়েছিল। "রাখলে যদি আরও শক্ত হয়ে যায়?" -- একে অপরকে ভয় দেখিয়ে পার হেড তিনটে করে জিলিপি সাঁটিয়ে ফেললাম।

আড়াইঘণ্টার খাটুনি সাড়ে সাত মিনিটে উবে গেল।

বাড়তি চিনির সিরা রান্নাঘরের সিংকে ফেলে (#লকডাউনসাশ্রয় হিসেবে বেঁচে যাওয়া রসে ময়দা গুলে গোলারুটি বানিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া ছিল, কিন্তু আজ সন্ধেবেলা জিলিপির প্যাঁচপয়জারের পর কাল সকালে উঠে আবার গোলারুটির যুদ্ধের প্রশ্নই নেই), তিনটে কড়াই আর চারটে বাটি মেজে, গ্যাসের ওপর এবং আশেপাশে ছিটকোনো গরম তেল আর চ্যাটচেটে রস রগড়ে যখন বিছানায় বডি ফেললাম, ঘুমটা চমৎকার এল।

অর্চিষ্মান এখন তেতেছে রসগোল্লা বানাবে বলে। ঘাপটি মেরে আছি, কিন্তু বেশিদিন ঠেকানো যাবে বলে মনে হয় না।


17 comments:

  1. "আমার কাছে রান্না করতে পারা মানে হচ্ছে কারও খিদে পেয়েছে শুনে রান্নাঘরে ঢুকে আটা মেখে, বেলে, দুটো রুটি সেঁকে আর চার পিস বেগুন মুচমুচে করে ভেজে, পনেরো মিনিটের মধ্যে থালায় বেড়ে দিতে পারা।" .... <3

    ReplyDelete
  2. বেশ মুখে হাসি নিয়ে লেখাটা পড়লাম। মানে খলবলে হা হা হাসি না, মাস্কের আড়ালে দেখা না যাওয়ার মতো ডাক ভাত হাসি।

    ReplyDelete
    Replies
    1. তোমার কমেন্ট পড়ে আমারও মুখ হাসি হাসি হয়ে গেল, প্রদীপ্ত। থ্যাংক ইউ।

      Delete
  3. Without omuk, without tomuker hujog je harey berechhe tatey khub shiggiri shudhu jol hawa alo diye shalokshongslesh gochher kichhu ekta korey phelbo amra.
    Tobe no oven no yeast no cheese er hatchhani tey amio ghonta duek gham jhorie phelechhi ar besh bhalo pizza kheychhi. Shikar korchhi, youTube er guru na pele orom marattok without er risk nitam na.

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা, সালোকসংশ্লেষের সম্ভাবনাটা সত্যি রিয়েল। পিৎজার হাতছানিটা আমিও টের পাচ্ছি। বেকিং সোডা বাড়িতে ছিল, বেকিং পাউডার আনিয়েছি। দেখি এবার বানিয়ে ফেলব।

      Delete
  4. comfort food niye ja likhechho.. jiboner ekta stage e mukhe debar moto kichhu thakle mone jibon sarthok. kichhu chef er ranna r ingredient dekhle Honolulu thek Kamchatka jete hobe mone hoto.. ei lockdown er bazar e ekdin Foccassiya bread baniyechhilam.. jeta berolo seta diye flying disc khela jai.: PAPIYA

    ReplyDelete
    Replies
    1. যে যাই বলুক, কমফর্ট ফুড আমার কাছে ম্যাগি। চিলি ম্যাগি না, চিজ ম্যাগি না, তন্দুরি ম্যাগি না, এমনকী ডিম ম্যাগিও না, স্রেফ জলে সেদ্ধ করে টেস্টমেকার গোলা ম্যাগি। অধিকাংশ রেসিপিরই সমস্যা উপকরণের আধিক্য। কার বাড়িতে স্টার আনিস থাকে? আর স্টার আনিস কে-ই বা কাঁচকলার কোপ্তার ঝোলে "ডেপথ" আনার জন্য দেয়? তাঁদের ক্ষুরে আমার নমস্কার রইল।

      Delete
    2. star annis mone hoi eljom treND. last barite goye delhechi, mangso ranna y dichhe.

      Delete
  5. একেবারে ছানার জিলিপি? ধন্য তোমরা! আমি gluten free লুচি বানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি- কয়েকরকম flour জমেছে প্যান্ট্রিতে, হাহা|

    ReplyDelete
    Replies
    1. জানাবেন, অমিতা, কেমন হল।

      Delete
  6. অনেকদিন বাদে এসেই বেশ একটা মন ভালো করা পোস্ট পেলাম। লকডাউনের মধ্যে আমার বউ অনেকগুলো খাবার জিনিস বানিয়েছিল আর আমি কিছুটা হেল্প করেছিলাম। কিছু বেশ সুস্বাদু হয়েছিল আর কিছু ফ্লপ করেছিল বলাই বাহুল্য। তার মধ্যে একটা ঘটনা বলি, প্রথম একদিন সিঙারা বানানোর সময় আলুর পুর শেষ হয়ে যাওয়াতে বাড়িতে থাকা বাঁধাকপির চচ্চড়ি-র পুর ভরে কয়েকটা শিঙাড়া বানানো হয়েছিল। দেখা গেল সেটা আলুর পুর ভরা শিঙাড়ার থেকেও খেতে ভালো হয়েছে! তারপর একদিন ম্যাগির পুর ভরা শিঙাড়া বানিয়ে দেখা গেল ব্যাপারটা ঠিক জমেনি, শেষে তৃতীয়দিন আবার বাঁধাকপির পুর ভরা শিঙাড়া বানিয়ে খাওয়া হল।

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে, থ্যাংকস ফর দ্য টিপ, সৌগত। সিঙাড়া আমার 'কোনও একদিন' লিস্টে আছে। বাঁধাকপি পুর দিয়ে ট্রাই করা যেতে পারে।

      Delete
    2. ও, ম্যাগি-ভরা সিঙাড়া যে কল্কিঅবতারের আরেক রূপ সে বিষয়ে আমি হাফ-নিশ্চিত ছিলাম। কনফার্ম করার জন্য ধন্যবাদ।

      Delete
  7. Uff Archishman eshe jaoa te kintu tumi real lockdown er upokarita bujhecho. Amader ekta faankibaaji Chhanar Jilipi recipe ache, kintu oi ingredients bodhoy Delhi te paabena ekhon. Rashogolla ta khub ekta difficult noy kintu oi rokom dynamic jinish dekhini kokhono, same recipe te ekdin perfect noron roshalo hoy to porerdin shokto dhil. Ek week e everyday korle ekdom thik thak naame!!
    Tumi borong chaat e uthe gaan geye video karo, oi ta khub lockdown favorite :-D

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহাহাহা,ওই লাস্টের যে আইডিয়াটা দিলেন, বং মম, ওইটা করলে অর্চিষ্মান হাহতোস্মি বলে অজ্ঞান হয়ে পড়বে। পইপই করে বলছি মিষ্টি খাওয়ার সবথেকে সোজা এবং টেঁকসই উপায় হচ্ছে হচ্ছে রসরাজ/কমলা মিষ্টান্ন/অন্নপূর্ণা সুইটসের কোনও একটায় মানিব্যাগ নিয়ে উপস্থিত হওয়া, বাড়ির উদ্যোগী পুরুষ কথা কানে তুলছে না। পরিস্থিতি যা বুঝছি, আজকালপরশুর মধ্যে আমরা জিলিপি ভেজে খাব। বাঁচলে হয়।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.