রোদ্দুরের কেরামতি


অল আউট আর আলুর থলে বাঁ কনুইয়ে ঝুলিয়ে, বাঁ হাতে ধরা কুরকুরের প্যাকেট থেকে ডান হাত দিয়ে কুরকুরে মুখে পুরতে পুরতে বাড়ির গলিটায় ঢুকলাম আর 'গাঙ্গুলি'জ' ফলক সাঁটা বাড়িটার চিলেকোঠার কোণায় ঠোক্কর খেয়ে বোগেনভিলিয়ার গোলাপিতে ফিল্টার হয়ে এককণা রোদ্দুর আমার চশমায় ঝাঁপিয়ে পড়ে ধাঁধিয়ে দিল।

পনেরো প্রজন্ম ধরে যারা আছেন তাঁদের হয় কি না জানি না, কিন্তু খেপে খেপে পনেরো বছর এই শহরে কাটানোর পরেও বছরের এই ক'টা দিন দিল্লি আমাকে চমকে দেয়। থমকে দেয়। বলে, 'কী হাবিজাবি ভেবে পথ চলছ, দেখ, বসন্ত এসে গেছে।'

দিল্লির বসন্ত ভালো বলে যে দমদমের বসন্ত বাজে এমনটা বলছি না কিন্তু। দিল্লির কথা বলছি কারণ দিল্লিতে আসার আগে আমি বসন্তের মহিমা বুঝিনি। তখন বর্ষা বলতে অজ্ঞান। জানালায় বসা নির্ঝঞ্ঝাট বর্ষা, কালভার্টে কোমরজল (আক্ষরিক) বর্ষা, ব্যাঙডাকা বর্ষা, হ্যারিকেনের আলোয় কুয়োতলা দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে যাওয়া ঢোঁড়াসাপ বর্ষা। যে ফর্মে দেবেন, ছাতা ভুলে গেছি ভান করে আগাপাশতলা ভিজে নেব। বর্ষা ছাড়া আর সব ঋতু তখন আমার কাছে একই, গ্রীষ্মের রকমফের। উনিশবিশ।

একটা অন্যায্য অ্যাডভান্টেজ পেয়েছে দিল্লি, এ শহরে বর্ষা নেই। শীত এবং গ্রীষ্ম যে মূর্তিতে আছে তাদের সঙ্গে অন্য কোনও ঋতুকে গোলানো নেহাত ইন্দ্রিয়ভোঁতা লোকের পক্ষেও অসম্ভব।

এ বছর বার্ষিক বসন্তের সঙ্গে আরেকটা বাড়তি বসন্তের আভাসও আসছে। অনেকের হয়তো অনেক আগেই খুলেছে, বা অনেকের হয়তো সেভাবে বন্ধই হয়নি কখনও, কিন্তু আমার এবং আমার চারপাশের লোকদের জীবনে বাড়ি থেকে রেগুলার বেরোনোর অলীক আশাটা রীতিমত রক্তমাংসের হয়ে উঠছে।

বিশ্বস্তসূত্রে খবর পেয়েছি অফিসে ঝাড়পোঁছ শুরু হয়েছে। দুয়েকজন সরেজমিনে গিয়েছিলেন, বললেন, কী অদ্ভুত লাগল জানো। সি পি ইউ ওপর বসানো পুঁচকে ক্যালেন্ডারের পাতায় আঠেরোই মার্চের পাতাটা এখনও খোলা। এমনি দিনে সাঁটার সাত সেকেন্ডের মধ্যে খুলে পড়ে, আর এই একবছর ধরে ব্যাটা পোস্ট ইট মনিটরের কানা ধরে যেমন কে তেমন ঝুলে আছে, স্রেফ আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে যে এক বছর আগের টু ডু আইটেম আমি এখনও সেরে উঠতে পারিনি।

অগস্ট নাগাদ আমাকে একবার অফিস যেতে হয়েছিল। এসির ঠাণ্ডায় একরকম জাগাত, কিন্তু মানুষের পা না পড়া ফাঁকা ঘর অন্যরকম কাঁটা জাগিয়েছিল গায়ে। ঘুরলাম ফিরলাম, ড্রয়ার টানলাম ঠেললাম, চেয়ারে বসে অকারণেই এক পাক ঘুরলাম। ঘর নির্বিকার, ততোধিক নির্বিকার আমার চেয়ারটেবিল। এই চেয়ারে বসে এই টেবিলে কত টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়ো ছড়িয়েছি, লাকি ব্যাম্বুর বোতল উল্টে ফেলে জলময় করেছি। সব নিশ্চিহ্ন।

একটা চিহ্ন দেখব ভেবে ভয় পেয়েছিলাম। গাছেদের মৃতদেহ। করোনা শুরুর দিনগুলোয় আর পাঁচটা অবান্তর চিন্তার মধ্যে অফিসের গাছেদের চিন্তাটাই রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার কাছাকাছি গিয়েছিল। ওরা তো যেচে আমার কাছে থাকতে আসেনি। সেধে এনেছি। এনে খেতে না দিয়ে, জল শুকিয়ে, মারছি। এ যদি মার্ডার না হয় তবে আর কিছুই না। অনেকবার ভেবেছিলাম সাহস করে গাড়ি ভাড়া করে গিয়ে সবগুলোকে নিয়ে আসি। কিন্তু তখন গাড়িঘোড়া বন্ধ ছিল, নিজের প্রাণের দামটা ওদের প্রাণের তুলনায় মস্ত বড় বেশি বলে প্রতিভাত হচ্ছিল। কা তব কান্তা, এই দুনিয়ায় ইমোশনের কোনও জায়গা নেই, নিজেকে বাঁচানোটাই একমাত্র প্রায়োরিটি এই সব ভুজুংভাজুং দিয়ে গাছেদের ভাবনা ত্যাগ দিয়েছিলাম।

গিয়ে যে টেবিলময়, জানালার পাশময় গাছেদের কবরখানা দেখব সে নিয়ে সন্দেহ ছিল না, কতখানি ধাক্কা খাব সেটার জল্পনা আর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম সারা রাস্তা। গিয়ে দেখি কোথাও কিছু নেই, সব ফয়লা। যাক, কেউ সরিয়ে নিয়ে গেছে পরিষ্কার করে। মার্ডারের শাস্তি তো পেলামই না, লাশ প্রত্যক্ষ করার বিবেকদংশন থেকেও বেকসুর খালাস। কাজ সেরে এককাপ নস্ট্যালজিক চা খাওয়ার উদ্দেশ্যে প্যান্ট্রির দিকে রওনা দিলাম।

করিডর দিয়ে হাঁটছি আর দেখছি বারান্দার চওড়া রেলিং-এর খোপে খোপে এসে পড়া রোদ্দুরে হলুদ টবে ফোয়ারার মতো আমার স্পাইডার প্ল্যান্ট, তার পরের খোপটায় সাদা টবে আমার সোনালি আরালিয়া। কত বড় হয়ে গেছে, কোঁকড়া কোঁকড়া পাতাগুলো কেমন ঝেঁপে এসেছে। পরের খোপে আমার পেপেরোমিয়ার মোমমাখানো চকচকে সবুজ পাতা। এই গোটা ডালটাই ছিল না মার্চ মাসে যখন দেখেছিলাম শেষ বারের মতো। স্নেক প্ল্যান্টটায় বয়ঃসন্ধির টান লেগেছে যেন, সাঁ সাঁ করে লাফ মেরেছে আকাশের দিকে। রাবার প্ল্যান্টটাও আছে বরাবরের মতো গম্ভীর হয়ে, বাকিদের থেকে সামান্য তফাতে। পথোস, সিংগোনিয়াম, আর আইভি, যেগুলো মালি ভাইসাব আমার উৎসাহ দেখে জোগাড় করে দিয়েছিলেন, সবক'টার সঙ্গে দেখা হল। সবক'টাকে চিনতে পারলাম।

জলজ্যান্ত, তরতাজা। রোদে কেউ দুলছে, কেউ উদাস দাঁতে ঘাস কাটছে। চা স্থগিত রইল। দাঁড়িয়ে ডাল ছুঁলাম, পাতায় হাত বোলালাম। চেনার চেষ্টা করলাম কোন পাতাগুলো নতুন, কোনগুলো পুরোনো চেনা। যখন জল খাওয়ার ছুতোয় সিট ছেড়ে উঠে গিয়ে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতাম, গত পঁচিশ মিনিটে কিছু ইন্টারেস্টিং ঘটলটটল নাকি খবর নিতাম, যেমন সাড়া পেতাম, পেলাম না। আমি যেমন ওদের ভুলে চলে গেছিলাম, ওরাও আমাকে ভুলে গেছে।

একমুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল বাড়িতে নিয়ে আসি। আফটার অল, ওরা আমার। তারপর চেতনা হল। যে মুহূর্তে আমি ওদের ফেলে নিজের প্রাণ বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেই মুহূর্ত থেকে ওরা আর আমার নয়। ওখানে যে কেউ ওদের যত্ন করছে সেটা স্পষ্ট। তাছাড়া মায়া নতুন করে বাড়িয়ে লাভ কী। একাই বাড়ি ফিরে এলাম।

যতদিন বাধ্য হয়ে বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছিল, ততদিন কত স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম নিজেদের, একবার অসুখ সেরে গেলেই কেমন ছুটে বেরোব। এই আঙুলে গোনা জীবৎকালের থেকে একটা বছর চুরি করে নেওয়ার শোধ কীভাবে তুলব। প্রথম প্রতিশোধটা নিয়ে চমক নেই, বেড়াতে যাব। কোথায় যাব সে নিয়েই যা মাথাব্যথা। লাহুল স্পিতি গেলেও হয়, গ্যাংটক গেলেও, নবদ্বীপ-মায়াপুরও টানছে বহুদিন। আমাদের দু'জোড়া বন্ধু অলরেডি গোয়া ঘুরে এসেছে।

অর্চিষ্মানের প্রতিশোধের লিস্টের এক নম্বরে রয়েছে হলে গিয়ে সিনেমা দেখা। যতই নেটফ্লিক্স থাকুক আর অ্যামাজন প্রাইম, অর্চিষ্মান মাথা নেড়ে বলবে, হল্ হল-ই। অন্ধকার ঘরে কোলে পপকর্নের বালতি আর কোল্ড ড্রিংক্সের গামলা নিয়ে বসব, বিরাট পর্দায় কান ফাটিয়ে ডাইনোসর দৌড়বে, নায়কনায়িকা নাচবেন গাইবেন, সুখদুঃখ ভয় উল্লাস সব একশো গুণ হয়ে এসে বুকের ভেতর ধাক্কা দেব। বন্দীদশায় গুমে গুমে এমন অবস্থা হয়েছে যে এমনি সময়ে তাচ্ছিল্য করা কাজগুলো করতে পেলেও বর্তে যাব। ভিড়ের উল্টোদিকে যাব, ডবল মাস্ক পরব, প্রতি স্টেশনে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোব ইত্যাদি মুচলেকা দিয়ে ট্রেন চালু হওয়ার পর প্রথম রবিবার ট্রেনে করে তারকেশ্বর না কতদূর অবধি গিয়ে আবার ফিরে এসেছিলেন বাবা। পরদিন ভিডিও কলে বাবার মুখের হাসিটা এখনও মনে আছে।

বাবাকে দোষ দিই না। ভূগোল বই যাই বলুক না কেন, আমরা ট্রেনলাইনের লোকরা আসলে রেলমাতৃক সভ্যতার অধিবাসী। মানচিত্রই হোক বা গুগল ম্যাপ, মাছের কাঁটার মতো চলে যাওয়া লাইনটাই আমাদের আয়ুরেখা।

আমার অবস্থাও কিছু অন্যরকম নয়। শেষদিকে অর্চিষ্মান প্রস্তাব দিলে, 'সারাভানা ভবন? আবার?' বলে কাঁদোকাঁদো হতাম, এখন সারাভানার সামনে রবিবার বেলা একটার লাইনে লাফিয়ে দাঁড়াব। অর্চিষ্মান সেদিন টুইটার খুলে দেখাল, অন্ধ্র ভবন খুলেছে। অন্ধ্র ভবন আমার পছন্দের স্টেট ভবনের লিস্টে রীতিমত পেছন দিকে, ওই মাছের বাজারকে লজ্জা দেওয়ার মতো কলকাকলি যেটার জন্য অর্চিষ্মানের জায়গাটা পছন্দ আর আমার নাপছন্দ, সেটা খোলার খবর পেয়ে রীতিমত অভিভূত হয়ে পড়লাম।

আসলে তো শুধু অন্ধ্র ভবন খুলছে নয়, আসলে আমার চুরি যাওয়া জীবনটা ফেরত পাচ্ছি।

অর্চিষ্মান সেদিন বলল, ডিসিশন চেঞ্জ। ভ্যাকসিন নিয়ে ও নাকি প্রথমে সিনেমা হলে যাবে না, প্রথমে খাবে আলুর চপ। বাজারে কাউকে খুব আয়েশ করে খেতে এসে দেখেছে নির্ঘাত। বেচারা। আমারও বিভিন্ন সময় পুরোনো জীবনটার একেকটা ছবি মাথায় আসে সেটাকেই জাপটে ধরি। একবার ভাবি করোনা গেলে প্রথমে ম্যাকলয়েডগঞ্জ যাব, একবার ভাবি গ্যাংটক, একবার ভাবি কোথাও না গিয়ে দু'নম্বরে গিয়ে তিনপ্লেট ফুচকা একসঙ্গে খাব। তারপর দু'প্লেট আলুকাবলি।

সব প্ল্যান বদলে দিল কালকের রোদ। চশমায় এসে পড়ল আর আমার মনে পড়ে গেল আমার আর অর্চিষ্মানের ছবি। কয়েকটা ল্যাপটপের গ্যালারিতে সেভ করা আছে, কতগুলো মগজে। ছবিগুলোর বিশেষত্ব হচ্ছে প্রত্যেকটাতেই আমরা দু'জন আছি কিন্তু ছবিগুলো আমাদের নয়। ছবিগুলো আসলে দিল্লির বসন্তের রোদ্দুরের। আর হয়তো আমাদের জীবনের বসন্তেরও। হুমায়ুন'স টুম্বের গেটে তিন্নি ছবি তুলে দিয়েছিল, আমার চুলে রোদ, অর্চিষ্মানের চশমায়। মেলা গ্রাউন্ডের ছবিটাতে আমি আর অর্চিষ্মান পা মেলে বসে আছি, পাশের চেয়ারে লেমন টি-র ফাঁকা কাপের লাইন। বসে বসে কুইজ শুনছি আর বলছি, 'ছ্যা ছ্যা এই উত্তরটাও জানে না? বাঙালি ফিনিশ।' আরেকটা ছবি, আমার ভীষণ প্রিয়, কোথাও সেভ করা নেই আমার মগজে ছাড়া (অর্চিষ্মানকে জিজ্ঞাসা করে জানলাম ওই ছবিটা ওর মগজেও জমানো আছে)। ত্রিবেণী ক্যাফের ওপেন এয়ার মঞ্চের উল্টোদিকের ধাপগুলোতে বসে আছি। বেজায় ভিড়। সিট পাওয়ার লিস্টে বেয়াল্লিশ না কত নম্বরে আমাদের নাম। সেই আরেকটু বেশি গরম, আরেকটু বেশি গরম সহ্য করতে করতে ব্যাঙের অবশেষে সেদ্ধ হয়ে যাওয়ার গল্পের মতো আমরাও আর আধঘণ্টা, আর দশ মিনিট, আর পাঁচ মিনিট করতে করতে, বাড়িয়ে বলছি না, সাড়ে তিনঘণ্টা বসে ছিলাম। আমাদের সঙ্গে কিংবা পরে অপেক্ষা শুরু করে কত লোক বুদ্ধিমানের মতো প্যান্ট সালওয়ার শাড়ি ঝেড়ে উঠে চলে গেল, চোখে এসে পড়া রোদ্দুর চোখ থেকে গাল থেকে পিঠ থেকে ফিকির গামবাট বিল্ডিংটার ওপারে টাটা করে হাওয়া হয়ে গেল। বসে বসে আমরা লোক দেখলাম, যারা টেবিল জুড়ে বসে খাচ্ছে কম প্রেম করছে বেশি তাদের শাপশাপান্ত করলাম, রাজাউজির মারলাম, বাংলার সাহিত্যসংস্কৃতির বর্তমান অবস্থা নিয়ে সাতানব্বইটা ঐকমত্য আর তিনটে মতভেদে উপনীত হলাম। তারপর হাতে লিস্ট আর পেন বাগানো থাকা দয়ালু মুখের ছেলেটা ইশারায় ডাকল। খেতে খেতে বলাবলি করলাম, কোনও মানে হয়? আর কোনওদিন এত সময় নষ্ট করব না, এই নাক মুলছি, কান মুলছি।

এখন দেখা যাচ্ছে জীবনভরের ফেলাছড়ানোর মধ্যে ওই সাড়ে তিনঘণ্টার প্রতিটি সেকেন্ড আসলে জমার খাতায়।

সেও কি আর আমাদের দৌলতে? সব ওই বসন্তের রোদ্দুরের কেরামতি।

গোয়া গ্যাংটক যেতে চাই না, কোর্মাকালিয়া খেতে চাই না,  বাড়ি গাড়ি প্রোমোশন পর্যন্ত ছেড়ে দিতে রাজি আছি, শুধু যদি বাসন্তী রোদ্দুরে অর্চিষ্মানের সঙ্গে দিল্লির রাস্তায় রাস্তায় টোটো কোম্পানি জীবনটা ফেরত পাই।


Comments

  1. লেখাটায় বসন্ত আর ভ্যালেন্টাইনের (যদিও উল্লেখ নেই, তবু এই সপ্তাহান্তের লেখা তো!) গন্ধ একেবারে মাখামাখি হয়ে আছে।

    রেলমাতৃক টা বেশ বলেছেন।

    আপনি এখনও ভাবছেন? নভেম্বরে কাশিদ গেছিলাম। ডিসেম্বরে কলকাতা। জানুয়ারিতে চিকমগলুর। মার্চে তাডোবা। মে যে অরুণাচল।
    করোনাকে কাঁচকলা আর আপনাকে জ্বালাতে বলেই দিলাম। বেরিয়ে পড়ুন। করোনা কিচ্ছু করবে না।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ওরেবাবা, কত ঘুরে ফেলেছেন? নাঃ, এবার আমাদেরও কোমর বেঁধে নামতে হচ্ছে দেখছি। কাশিদ জায়গাটার নাম শুনিনি আগে, সুন্দর দেখতে তো বেশ। দেখি কখনও তিন্নির বাড়ি যাওয়া হয় বম্বেতে, ওখান থেকে ঘুরে আসা যেতে পারে।

      Delete
    2. খুব শান্তি হয়েছিল গিয়ে জানেন? মেয়েটাও হাঁপিয়ে উঠেছিল। সমুদ্রের ধারে আর ৩/৪ টে কুচোর সাথে জুটে খুব আনন্দ করেছিল। হোম stayও খুব ভাল ছিল। দেখে রাখতে পারেনঃ https://goo.gl/maps/sNPS9URWBWVPuRxS6

      Delete
    3. থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ।

      Delete
  2. আমরাও আগস্টে তাজপুর, অক্টোবরে আবার দীঘা - উদয়পুর , আর ডিসেম্বরে দার্জিলিং ঘুরে এসেছি।বেড়াতে একটু বেশিই ভালবাসি দুজনে, এমনিতেও ২০২০ তে অনেকগুলো বড় ট্যুরের পরিকল্পনা ছিল, বলাই বাহুল্য কিছুই হয়নি।তাই ছোট সপ্তাহান্তের ভ্রমণ সেরে ফেলেছি।তবে ফিরে এসে এক সপ্তাহ সেলফ কোয়ারান্টাইনে থেকেছি প্রতিবার।
    হলে গিয়ে যে সিনেমা ও দেখবো, কিন্তু সেরকম সিনেমা আসছে কোথায়? সবই তো দেখি পুরোনো সিনেমা চালাচ্ছে। আপনারাও ঘুরেই আসুন।অবশ্যই স্যানিটাইজার স্প্রে নেবেন আর কোন জায়গায় বসার বা হাত দেওয়ায় আগে স্প্রে করে নেবেন। না বেড়িয়ে মানুষ বাঁচে নাকি?

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে আরে তোমরাও কত ঘুরে ফেলেছ, ঋতম। ভেরি গুড। আমি উদয়পুর শুনেই বাড়ির পাশের উদয়পুর ভাবলাম, দীঘার পাশে উদয়পুর আছে জানতাম না। ভালো জায়গা?

      Delete
  3. Bah... mone hocche amar favourite topic ghoraghuri er modhye ekta lekha asbe ... :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা, সে আসার দেরি আছে, ঊর্মি। আগে তো বেড়াতে যেতে হবে, ফিরতে হবে, তারপর। তবে সবাই যখন যাচ্ছে সাহস করে যাওয়া যেতে পারে।

      Delete
  4. "গোয়া গ্যাংটক যেতে চাই না, কোর্মাকালিয়া খেতে চাই না, বাড়ি গাড়ি প্রোমোশন পর্যন্ত ছেড়ে দিতে রাজি আছি, শুধু যদি বাসন্তী রোদ্দুরে অর্চিষ্মানের সঙ্গে দিল্লির রাস্তায় রাস্তায় টোটো কোম্পানি জীবনটা ফেরত পাই।" <3

    ReplyDelete
    Replies
    1. একেবারে তামাতুলসী ছুঁয়ে বলা, অন্বেষা।

      Delete
  5. Bosonto ar kothay? ebar to ritimoto gorom pore gechhe? 'Machine ka thanda paani' elo bole - just ar 2 weeks achhe ei pleasant weather er - amra kintu berie porechhi - December a Shimla/Kashauli holo, tar age Dilii te Lodhi garden, Sunder Nursey esob e picnic ,, Next to next week - Chandigarh e biye attend + Road trip..
    Covid to kome gechhe - apnio akbar Sunder Nursey te picnic kore asun :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. আহা, ওই আরকি চিলতেচালতা বসন্ত। গ্রীষ্মের ফাঁকে ফাঁকে। সুন্দর নার্সারির কথা এই কাল না পরশুই হচ্ছিল। অর্চিষ্মানের অফিসের প্রাণের বন্ধুও গেছিল সুন্দর নার্সারিতে পিকনিক করতে আর ফিরে এসে থেকে ওকেও খুব করে যেতে বলছে। তোমাদের ভালো লেগেছে?

      রোড ট্রিপ শুনলেই চনমনে লাগে। আমি রাস্তাঘাট কিছু চিনি না তাই ভুলভাল বলতে পারি, তোমাদেরচণ্ডীগড় যাওয়ার পথে কি ওই মুর্থলের বোম্বেটে ধাবাগুলো পড়বে? আর পড়লে তোমরা সেখানে থেমে আলুপরোটা খাবে কি?

      Delete
    2. Ha ..se to nischoi, Dharmendra' r 'Garam Dharam' dhaba to darun! - ageo kheyechhi, abar khabo. Sunder Nursery khub bhalo.

      BTW, apnar office khulche eta khub bhalo khobor. Amader erokom kono notice nei + amader office location tai change hoye gechhe.. bhabun, sesh jecdin office gechhi, bhabtei parini je eta sei building e last jaoa - :( Sobai ke kono garir ad dekhlei boltam - ota 9A , eta amader office!
      Notun office hobe cyber city's ulto dike - jai hok! ora sob jinish box e courier kore pathiye diyechhe - joto taratari notun building/office khulbe toto bhalo - ar bhalo lagchhena :(

      Delete
    3. অ্যাঁ, তোমাদের অনুপস্থিতিতেই তোমাদের সব জিনিস শিফট করে দিয়েছে? কী সাংঘাতিক! আমি হলে মারাত্মক নার্ভাস বোধ করতাম। যাই হোক, সব ভালো হবে নিশ্চয়।

      আমার একসময় খুব সাধ ছিল 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'-এর। মনে হত না জানি কী মহার্ঘ ব্যাপার। যারা পায় তারা না জানি কোন স্বর্গে বিচরণ করে। এ জন্মের মতো করোনা সে সাধ ঘুচিয়ে ছেড়েছে। বাপ রে বাপ রে বাপ।

      Delete
  6. "মাছের কাঁটার মতো চলে যাওয়া লাইনটাই আমাদের আয়ুরেখা" - অপূর্ব!

    ReplyDelete
    Replies
    1. সত্যি কি না বলুন? আপনি বুঝবেন।

      Delete
  7. একটা অবান্তর কথা বলি। আমার এক বন্ধু একটা হোমস্টে খুলেছে। হিমালয়ে। আপনি আর আপনার ঊনি তো পাহাড় ভালোবাসেন। একবার try করবেন নাকি?

    Metta Dhura

    https://www.airbnb.co.in/rooms/47554648?check_in=2021-03-31&check_out=2021-04-01&s=67&unique_share_id=992ab20c-46f4-4681-b485-2a26ddd9e3d2

    ReplyDelete
    Replies
    1. কী সুন্দর ছবিগুলো! ট্রাই করতে আমাদের উৎসাহ প্রচুর, (অদূর) ভবিষ্যতে বেড়াতে গেলে মৃগাঙ্কর হোমস্টে নিশ্চিত করে মাথায় রাখব। থ্যাংক ইউ।

      Delete
    2. থ্যাংক ইউ।

      Delete

Post a Comment