Posts

সাপ্তাহিকী

Image
নাসায় তখনও পাওয়ার পয়েন্ট আসেনি। উনিশশো ষাটের দশকে ছবিটি তুলেছিলেন J R Eyerman. A wounded deer leaps the highest .                                                                                         --- Emily Dickinson সায়েন্স। নয়ে হয়নি তো কী হয়েছে, নব্বইয়ে হবে। দিল্লির রাশ আওয়ারের চেহারা যে কবে এমন হবে। ব্রেকিং নিউজ। একটু পুরোনো হয়ে গেছে যদিও। Tsundoku রোগ আপনার আছে নাকি? In reverse. আপনার আর্টের জ্ঞান কেমন? টুপি আর খরগোশের দিন শেষ। এটা আইপ্যাড ম্যাজিকের যুগ। (সৌজন্যে সুগত) আমার প্রিয় রাগ + আমার প্রিয় শিল্পী = আমার প্রিয় ম্যাজিক।

পাঁচটি বই

সেদিন এ কথা ও কথার পর চ্যাটবাক্সে এসে সুগত বললেন বাজারে একটা খেলা নাকি খুব চলছে।   খেলতে চান? খেলতে আমি কখনওই চাই না। খেলানোয় বরং আমার উৎসাহ আছে। না না এ সেরকম খেলা নয়। সুগত আশ্বাস দিলেন। এ খেলায় দৌড়োদৌড়ির ব্যাপার নেই। সবটাই ব্রেনের কাজ। শুনে আবার দমে যাচ্ছি এমন সময় চ্যাটবাক্সে লেখা ফুটে উঠল। আপনার জীবনে সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলা দশটি বইয়ের তালিকা তৈরি করতে হবে। এটাই খেলা। দয়াপরবশ হয়ে সুগত একবার খেলাটা নিজে খেলে দেখিয়েও দিলেন। এর পরেও যদি না পারি তা হলে আর কিছু বলার নেই। সত্যি বলতে কি, পারব যে সে সাহস ছিল মনে। এত বছর ধরে এত বই পড়েছি, তার মধ্যে থেকে দশটা বইয়ের নাম বেছে বলে দেওয়া কী এমন শক্ত কাজ। বাছতে গিয়ে বুঝলাম কাজটা শক্ত নয়। মারাত্মক শক্ত। এখানে আমাকে আমার প্রিয় বইয়ের নাম করতে বলা হচ্ছে না। জানতে চাওয়া হচ্ছে না কোন বই পড়ে আমি মুগ্ধ হয়েছি। সে রকম বইয়ের দেখা আকছার না হলেও মাঝেসাঝে মেলে। একা ঘরে বসে চেঁচিয়ে উঠি, ‘উফ কী লিখেছে!’ দৌড়ে গিয়ে সেই লেখকের আরও তিনখানা বই কিনে বগলে করে বাড়ি নিয়ে আসি। আমাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে না কোন বই আমার ছোটবেলার সঙ্গে...

জাকোই/ অসম ভবন ক্যান্টিন

Image
ভারতের বাকি রাজ্যগুলো সম্পর্কে আমার ধারণা এতই কম যে পরজন্মে কোন রাজ্যের অধিবাসী হয়ে জন্মাতে চাও জিজ্ঞাসা করলে আমি মাথাটাথা চুলকে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ই বলব। কিন্তু যদি আমাকে কেউ বলে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া ভারতবর্ষের অন্য কোন রাজ্যের বাসিন্দা হয়ে জন্মাতে চাও, তা হলে আমি এক সেকেন্ডও না ভেবে বলব ‘আসাম’। আমার আসাম ভালো লাগে, আসামের আকাশবাতাস নদীপাহাড় বনজঙ্গল ভালো লাগে, আসামের মানুষজন ভালো লাগে। অথচ আসামের খাবারদাবারের সঙ্গে আমার পরিচয় প্রায় শূন্য কেন সেটা একটা রহস্য। আবার রহস্য নয়ও। আসাম এবং আসামের যাবতীয় ভালো জিনিসের সঙ্গে আমার পরিচয় শুরু যখন আমি দিল্লি শহরে একা একা হোস্টেলে থাকি, মেসের অকথ্য খাবার খাই, পড়াশুনো করার বদলে ধাবায় বসে আড্ডা মারি। আমার মা তখন আসামের ধুবড়ি শহরে একা একা থেকে চাকরি করেন, প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলা গৌরীপুরের প্রকাণ্ড মাঠ আর মাঠের কোণে দাঁড়িয়ে থাকা অশ্বত্থগাছ পেরিয়ে বাড়ি ফেরেন, শনিরবিবার বিকেলে ব্রহ্মপুত্রের ঘাটে বসে দূরে সবুজ চরের দিকে তাকিয়ে বাদামভাজা খান। মায়ের বাদামভাজায় ভাগ বসাবো বলে ছুটি পেলেই আমি ধুবড়ি রওনা দিতাম। ট্রেনের জানালা দিয়ে গলা বাড়িয়ে দেখতাম খাঁ খাঁ প্ল্...

সাপ্তাহিকী

Image
তিন মাস ধরে এক লাখেরও বেশি ছবি তুলে তবে ধোঁয়ার ভেতর নিজের পছন্দের ছবি খুঁজে পেয়েছেন আলোকচিত্রী Thomas Herbrich. Whenever I feel the need to exercise, I lie down until it goes away .                                                                      --- Paul Terry Wes Anderson -এর বেশি ছবি আমি দেখিনি, কিন্তু যা দেখেছি ভালোলাগা জন্মানোর তা-ই যথেষ্ট। অদ্ভুত সুন্দর সব দৃশ্য তৈরি করতে পারেন ভদ্রলোক। তাঁর তৈরি করা কিছু গাড়িঘোড়ার দৃশ্য জড়ো করে এই ভিডিওটা বানানো হয়েছে। আমার তো খুব ভালো লেগেছে দেখতে। কেনেডির আমলে হোয়াইট হাউসের ভেতরটা যেমন ছিল। একটা আস্ত বোয়িং প্লেনের সমান ছিল এক একটা ডাইনোসর। সুগত খবর দিলেন, সেদিন নাকি পা...