বঙ্গ ভবন

স্টেট ক্যান্টিনে যাওয়ার খাতা যদি আবার খুলতেই হয় তাহলে চেনা স্টেট দিয়ে খোলাই ভালো, ভেবে আমরা রবিবার চলে গেলাম বঙ্গভবন। যদিও আমরা বঙ্গভবনের ক্যান্টিনে খাইনি, খেয়েছি ক্যান্টিনকে দু’ভাগ করে একভাগে বিজলি গ্রিলের যে রেস্টোর্যান্ট খুলেছে সেখানে। কাজেই এটাকে স্টেট ক্যান্টিন তালিকায় ঢোকানো যাবে কি না সে নিয়ে তর্ক চলতে পারে। এখন দিল্লির আবহাওয়া চমৎকার রকম ভালো যাচ্ছে। ভালো মানে রিষড়ার সঙ্গে তুলনা করলে অবশ্য হবে না, যেখানে ফোন করলে ওপার থেকে ব্যাঙের ডাক শোনা যায়। কিংবা বম্বের সঙ্গে তুলনা করলেও হবে না, যেখানে দুপুরে শ্যাম্পু করলে সন্ধ্যেতেও চুল পুরো শুকোয় না। কিন্তু দিল্লির তুলনা আমি রিষড়া বা বম্বের সঙ্গে করবই বা কেন? যে কোনও তুলনাই, এই সাড়ে পঁয়ত্রিশ বছরে পৌঁছে বুঝতে পারছি, আসলে হওয়া উচিত নিজের সঙ্গে। নিজের গতকালের সঙ্গে। একমাস আগের দিল্লির আবহাওয়া কেমন ছিল? ভয়াবহ। ড্রয়ারের মারি বিস্কুট/ ডাইজেস্টিভ ফুরিয়ে গেলেও, চায়ের সঙ্গে টা না থাকলেও, বেলা চারটেয় অফিস থেকে বেরিয়ে দোকানে যাওয়ার উপায় ছিল না। আমাদের বাড়ির সামনের বুলেভার্ডে সদ্য পুঁতে যাওয়া গাছগুলো ধুলোয় ধূসর হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে ...