গান শুনতে গিয়ে
পৌষমেলার শেষদিনে ছিলেন জয়তী চক্রবর্তী। জয়তীর গান আমার খুবই পছন্দ। জয়তীকেও আমার পছন্দ। জয়তীর ইন্টারভিউ হলে আমি হাঁ করে শুনি এবং নতুন করে সিদ্ধান্তে পৌঁছই, নাহ্ মহিলা সত্যিই পছন্দসই। আমার ধারণা জয়তীর গান আমার এমনিতে যত পছন্দ হওয়ার কথা তার থেকে বেশি পছন্দ জয়তীকে আমার পছন্দ বলে। সবই যে পলিটিক্যাল অ্যাদ্দিনে সবাই জেনে গেছে, আমি টের পাচ্ছি সবই কী সাংঘাতিক পরিমাণ পার্সোন্যালও। অর্চিষ্মান বলল, স্পিক ফর ইয়োরসেলফ, কুন্তলা। সবাই (গৌরবে বহুবচন ব্যবহারের বদভ্যেস আছে অর্চিষ্মানের, এখানে সবাই মানে ওকে ধরতে হবে) তোমার মতো ব্যক্তিগত অনুভূতির ক্রীতদাস নয়। হতে পারে। হওয়াই উচিত। যারা ইমপার্সোন্যালি পৃথিবীর মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতে পারেন তাদের আমি হিংসে করি, কারণ তাঁরাই ঠিক আমি ভুল, কিন্তু কিছু কিছু ভুল ঠিক করার জন্য পঁয়তাল্লিশ টু লেট। আমার বিশ্বদর্শনের বেসিস মূলতঃ ব্যক্তিগত। ব্যক্তিগত অনুভূতি অতিক্রম করতে আমার দম বেরিয়ে যায়। তা বলে কি সবটাই ব্যক্তিগত? আমি যদি জয়তীকে দু'চক্ষে দেখতেও না পারতাম তবু আমাকে মেনে নিতেই হত জয়তী একজন দরের গায়ক। আমার পছন্দঅপছন্দ নিরপেক্ষে। জয়তীর গলায় প্রথমবার 'নিবিড় অমা তিমির...