April 10, 2012

ভালো গোয়েন্দা মন্দ গোয়েন্দা


কেমন আছেন? কেমন কাটলো আপনাদের সপ্তাহান্ত? কী কী খেলেন? কোথায় কোথায় ঘুরলেন? কী কী সিনেমা দেখলেন?

আমার উইকএন্ড যেমন কাটার কথা ছিলো তেমনি কেটেছে। শুয়ে বসে, মাথা চুলকে, কোথাকার জল কোথায় গড়াচ্ছে বস, কিচ্ছু ভেবে না পেয়ে। পিসফুল। কুলকাল। এক গত শুক্রবার রাত্তিরে FFC তে L.A. Confidential দেখানো নিয়ে বান্টির সাথে কিঞ্চিৎ গলাবাজি বাদ দিলে। 

L.A. Confidential-এর দোষটা কী? না একে হলিউড, তায় গোয়েন্দাগিরি। গোয়েন্দা গল্পের প্রতি লোকজনের এই অসীম অবজ্ঞাটা আমি সিরিয়াসলি বুঝে উঠতে পারিনা। গোয়েন্দা সিনেমা নাকি সিনেমাই নয়, গোয়েন্দা গল্প নাকি সাহিত্যই না। 

"ইন ফ্যাক্ট, ওটা সাহিত্যের নামে কলঙ্ক।"            

সে হতে পারে, কিন্তু আমার গোয়েন্দা সিনেমা দেখতে ভালোলাগে, গোয়েন্দা গল্প পড়তে ভালোলাগে। এতোটাই ভালোলাগে যে আমি আমার ইমেজ, সমাজ, সংসার, পুলিস---কিচ্ছুর তোয়াক্কা না করে বিকেলবেলা মিলেনিয়াম পার্কে বসে তার গলা জড়িয়ে তাকে চুমু খেতে পারি।

শুধু আমি কেন, আমার ধারণা অনেকেই পারে। 

গোয়েন্দাগল্পের মধ্যেই এই ব্যাপারটা আছে যে, চরম অবহেলা, লাঞ্ছনা, অপমান সয়েও সে যুগে যুগে, দেশে দেশে, কালে কালে চুম্বকের মতো নিজের চারপাশে পাঠকদের টেনে এনেছে। মক্ষিরানি যেমন চাকশুদ্ধু মৌমাছিকে নিজের মধুবলয়ের গণ্ডির ভেতর বেঁধে রাখে, পল্টুদা যেমন নিত্যনতুন চুটকি বলে বলে গোটা পাড়ার বেবাক কিশোরীর বৈকালিক মনোযোগ পকেটে পুরে রাখে, ঠিক তেমন। এবং একা গোয়েন্দাগল্পই এটা পারে। চারপাশে তাকিয়ে দেখুন, নিমেষে তিন চারটে গোয়েন্দাগল্পের পোকা বেরিয়ে পড়বে, কিন্তু মহাকাব্যের পোকা? ভ্রমণকাহিনির পোকা?

ওসব হয়না। ওসব সোনার পাথরবাটি।    

এই অন্ধ আনুগত্যের বদলে অবশ্য গোয়েন্দাগল্পকে তার পাঠকদের অনেক কিছু দিতে হয়। তাদের অজস্র বায়নাক্কা সামলাতে হয়। ‘সাহিত্য’ আমাদের মগজে না ঢুকতে পারে, কিন্তু তা বলে সাপব্যাঙ যাতা কিছু একটা লিখে আমাদের মাথায় টুপি পরানোর সাধ্য শিবের বাবারও নেই। আমাদের কষ্টিপাথর অতি নির্মম, মানদণ্ড অতি সূক্ষ্ম। তিলমাত্র গোঁজামিল আমাদের কাছে ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, প্রতিভার চুলচেরা উনিশবিশ আমাদের চোখে পর্বতপ্রমাণ হয়ে ধরা পড়ে।     

তাছাড়াও ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ, বাছবিচার তো আছেই। কারো খুন চাই, কারো একাধিক খুন চাই, কারো অতি চালাক ডিটেকটিভের প্রায় হাবাগোবা স্যাঙাৎ চাই, কারো ধুতি পরা ডিটেকটিভ চাই, কারো সিগারেট খাওয়া ডিটেকটিভ চাই, কারো একেবারে প্রখর রুদ্র না হলে মন ওঠে না। আরও কতরকম যে আছে, এই মুহূর্তে মনে আসছে না। তবে একজায়গায় এক ছুঁৎমার্গী পাঠকের কথা পড়েছিলাম, যিনি নাকি প্রায় শেষ হয়ে আসা ভিক্টোরিয়া আমলের ছোঁয়াচলাগা ইংল্যান্ডের গ্রামের পটভূমিকায় রচিত না হলে, আর সে গল্পে চার্চ না থাকলে, আর সাসপেক্টদের মধ্যে সে চার্চের ভিকার না থাকলে, সে গোয়েন্দা গল্প পড়তে পারতেন না।     

আমার এতো প্যাকনা নেই বাবা। একটা পাতে দেওয়ার মতো গোয়েন্দা আর চার পাঁচটা রক্তাক্ত মৃতদেহ হলেই, আর শেষের দুতিন পাতার আগে মোটামুটি কিছু টের না পাওয়া গেলেই, ব্যস। আমার চলে যাবে। 

কিন্তু সেটুকুও কি শান্তিতে পাওয়ার জো আছে? কয়েকদিন আগে হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙে মনে হলো, যদি বড় হয়ে গোয়েন্দাগল্প লিখে বিশ্বজয় করতেই হয়, তাহলে বোধহয় ওই ভিক্টোরিয়া আমলের ইংল্যান্ডের গ্রামের চৌহদ্দি থেকে আমারও বেরোনোর দরকার আছে। কনটেম্পোরারি বিশ্বগোয়েন্দাসাহিত্যে কোথায় কী হচ্ছেটচ্ছে, কে কী লিখছেটিখছে, অ্যাওয়ার্ড-শ্যাওয়ারড পাচ্ছেটাচ্ছে এসব একটু সমীক্ষা করে দেখা দরকার। মনে আসা মাত্র আমি পয়েন্টটা ছোট্ট নোটবুকটায় টুকে রাখলাম, (যেটা আজকাল রোজ মনে করে রাতে মাথার পাশে নিয়ে শুচ্ছি পাছে স্বপ্নের মধ্যে মাস্টারপিসের আইডিয়া এলেই ফস করে লিখে রাখতে পারি) যাতে সকালে উঠে ভুলে না যাই। পরদিন উঠে লাইব্রেরিতে একটা প্রাইজ পাওয়া আধুনিক গোয়েন্দা গল্পের অনুরোধ পাঠিয়ে দিলাম, সে বই দুদিনের মধ্যে B-এর র‍্যাকে ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ ট্যাগ লাগিয়ে হাজিরও হয়ে গেলো।    

সে বই পড়ে আমার যে কী দশা হলো কী আর বলবো আপনাদের। প্রথম পাঁচ পাতার মধ্যে সেই যে একখানা খুন হলো, তারপরের আড়াইশো পাতা ধরে চললো সেই নিয়ে ভ্যানতাড়া। শহরসুদ্ধু লোকের সাইকোলজিক্যাল সমস্যার নাড়িনক্ষত্র জানা হয়ে গেলো, তিনজোড়া প্রেম, একজোড়া এক্সট্রাম্যারিটাল, হেড গোয়েন্দার বিবাহবিচ্ছেদ, বিচ্ছেদোত্তর ডিপ্রেশন, সবের প্যাঁচাল পড়তে হলো বসে বসে। তার মধ্যে আবার প্রাকৃতিক বর্ণনা, ভাষার কারুকার্য, স্বপ্ন, দুঃস্বপ্ন, ফ্যান্টাসি, প্রলাপ। লেখিকার কলমের কারিকুরি দেখতে হলো বসে বসে।

একেবারে যাচ্ছেতাই। ছ্যা ছ্যা।

যদি কালোর ভেতর ভালো কিছু খুঁজে বার করতেই হয়, তাহলে বলবো বইটা পড়ে আমার একটাই লাভ হয়েছে---আমি নিজে পাঠক হিসেবে গোয়েন্দাগল্পের থেকে ঠিক কী চাই, সেটা পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রেম চাইনা। চাইলে টুইলাইট পড়বো’খন। কবিতা চাইনা, সেটা পাওয়ারও অন্য জায়গা আছে। আমি চাই হাড়হিম করা শয়তানি। খুন, জখম, রক্তারক্তি। আর চাই একজন তীরের ফলার মতো সোজা মানুষ। ভালোমন্দ, ঠিকবেঠিক, উচিতঅনুচিতের দ্বন্দ্বহীন একজন মানুষ, যিনি সেই শয়তানি আর শয়তানকে ঢিট করবেন। যাকে দেখতে আর পাঁচটা রক্তমাংসের মানুষের মতই হবে, কিন্তু যিনি আর পাঁচটা রক্তমাংসের মানুষের থেকে আলাদা হবেন। যিনি পয়সার জন্য নয়, সত্যের জন্য রহস্যের পিছু ধাওয়া করবেন। যিনি প্রেমকে ক্ষমার চোখে দেখবেন, কিন্তু নিজে ফস করে সাসপেক্টের প্রেমে পড়ে যাবেননা। যিনি দয়ালু হবেন, কিন্তু দুর্বল কক্ষনো হবেন না। তাঁর OCD থাকতে পারে, কিন্তু তাই বলে অন্যায়ের প্রতি পক্ষপাত? মরে গেলেও না।

এসব লিখেটিখে মনে হচ্ছে, কে জানে হয়তো সত্যিই আমি সাহিত্যচর্চা করার জন্য গোয়েন্দাগল্প পড়ি না। কেউই হয়তো পড়ে না। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন প্রত্যক্ষ করার আমাদের যে গভীর অবচেতন আকাঙ্ক্ষা; খারাপ আর বদমাশ লোকদের, গায়ের জোর না খাটিয়ে, অহিংস উপায়ে মেরে ঠাণ্ডা করে দেওয়ার আমাদের যে আজীবনের সাধ, সেটা মেটাতে পড়ি। অহিংস, কাজেই জেমস বন্ড চলবে না। মগজাস্ত্র নয়তো উলের কাঁটা সম্বল করে খুনি ধরে দিতে হবে আমাদের, তবে না বুঝবো কত বড় গোয়েন্দা? তাই বলে আবার একেবারে পার্থমেসো আর বুমবুমকে নিয়ে আলুপোস্ত সংসারও যেন কেমন কেমন। তাই না? আমার আদর্শ গোয়েন্দা হবেন এর মাঝামাঝি। সাধারণ লোকের ভিড়ের মাঝে মিশে থাকবেন, কিন্তু যার ওয়াক, হাইট, লুক, কুছ ভি অরডিনারি লোকের মতো না হোবে।   


ছবি Google Images থেকে


ব্যস, আমার মূল্যবান মতামত শেষ, এইবার আপনাদের পালা। আপনি কেন রাত জেগে গোয়েন্দাগল্প পড়েন? আপনার লেখা গোয়েন্দাগল্পের নায়ক কেমন হবেন?

29 comments:

  1. Replies
    1. জানতাম জানতাম। তবেই বল, কী অন্যরকম একটা চরিত্র। পাতিস্য পাতি বহিরঙ্গে কী অদ্ভুত বিশ্লেষণী ক্ষমতা। তোমার পছন্দটা খুবই ভালো।

      Delete
  2. amar chai yashim togalu. bosphorus er paare istanbul, sekhane ottoman raja der rajprasad tar madhe shundori nari, singhashon aar shorojontro, yashim er ranna ebong sange goyenda-giri. aha!

    tobe tumi jakhon british period crime bhalo basho tahole ekbar Charles Finch er lekha dekhte paro. Victorian era'r goppo aar onar goyenda holo Charles Lenox, a wealthy Londoner whose hobby is solving crimes. Try a beautiful blue death!

    aar medieval crime jodi bolo tahole umberto eco'r "name of the rose". er opore base kore ekta cinema baniyechen jean jacques annaud (amar hebby priyo porichalok). tate sean connery hoyechen "monk detective" William. daroon hoyechilo cinema ta like other works of annaud.

    ReplyDelete
    Replies
    1. ইয়াশিম তোগালুর আমিও ফ্যান হয়ে গেছি শম্পা। ভদ্রলোকের জবাব নেই। ভাবছিলাম এই পোস্টেই সেটা লিখবো, কিন্তু আর লিখিনি আরকি। ভালোই হলো তুমি বললে।

      চার্লস ফিঞ্চ পড়ে দেখবো নিশ্চয়। আর 'নেম অফ দা রোজ' বই আর সিনেমা দুটোই পড়েছি আর দেখেছি। বইটা বেশি ভালো, কিন্তু তুমি ঠিকই বলেছো, সিনেমাটাও দুর্দান্ত।

      Delete
  3. hyan satyi bhadralok er jawab nei. aar ki guchiye torkari, mangsho kete kutey ranna koren. jodio beshir bhag samay moshla pati bhinno ebong naam na jana...tobe cloves, cinnamon stick etc o thake onar ranna te.

    aami abar ektu middle eastern/central asian background e set goppo'r proti partial....tai arekjon lekhika Zoe Ferraris er detective fiction besh lage....set in saudi arabia onar goyenda team e achey ekjon purush aar ekti nari. "finding nouf" amar daroon legechey. good inside view of saudi society!

    jai hok aami je goyenda kahini'r poka seta hoyto etokhone bujhe gecho. tobe jai pori na keno majhe majhei abar bole feli "bhalo lagche na re topshe, bhalo lagchey na"

    ReplyDelete
    Replies
    1. হ্যাঁ হ্যাঁ শম্পা বুঝে গেছি, এবং বুঝে যা তা খুশি হয়ে গেছি। ইয়াশিম তোগালুর রান্নার দৃশ্যগুলো জিভে জল আনা, সত্যি। তোমার কমেন্ট থেকে আমার একটা দারুণ লাভ, নতুন নতুন বইয়ের খোঁজ পাওয়া। থ্যাঙ্ক ইউ, থ্যাঙ্ক ইউ। চার্লস ফিঞ্চ আসছে, কাজেই আজকে যার নাম বললে, তাঁকে একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।

      Delete
  4. ছোটবেলায় অনেকে "bracket এ first " হত মনে আছে? আমার সেই অবস্থা - Sherlock Holmes , ব্যোমকেশ আর আমাদের ফেলু মিত্তির ! এদের মধ্যে তফাত করা খুব মুশকিল এর | তাও খুব টানাটানি করলে দেখে যাবে Holmes হয়ত neatness এর জন্যে আরো half নম্বর বেশি পাবে | আমার backdrop বা setting নিয়ে অত চিন্তা নেই, তবু "গোরস্থানে সাবধান" ভালো লাগবার একটা অত্যন্ত বড় কারণ হলো পুরনো কলকাতা | খুব ভয়ানক খুন জখম আমার ভালো লাগে না, বরং "মগজাস্ত্র" যেখানে খাটানো যাবে সেরকম গল্প হলেই চলবে :-)

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা সায়রী, যা বলেছো। না মানে খুন জখম বলতে আমি বুঝিয়েছি, কেউ মারা গেলে ভালো হয় আরকি। খুনখারাপি ছাড়া গপ্প ফাঁদতে বসলে সেটা ওই অম্বর মিত্র অন্তর্ধান রহস্যের মতো জোলো হয়ে যাওয়ার চান্স থাকে। কিন্তু সলিউশন সর্বদা মগজাস্ত্র দিয়ে হবে বইকি। নাহলে মিস মারপল, বাতের ব্যথায় নিজেই কাবু, তিনি বদমাশদের কাবু করবেন কী করে?

      Delete
  5. গোয়েন্দা গল্পের আমিও পোকা, আর আমার তালিকাতেও অনেকের মতন সরলাক্ষ হোম ইয়ে মানে শার্লক হোমস, এর্ক্যুল পোয়ারো, মিস মার্পল, ব্যোমকেশ আর ফেলুদা থাকবে| তার মানে এই নয় অবশ্য যে এর বাইরে গোয়েন্দাদের আমার পছন্দ না, তবে এঁরা সবার ওপরে| আর গোয়েন্দা গল্পে মগজাস্ত্র টা যাকে বলে "মাস্ট" - শুধু মারপিট থাকলে তো জেমস বন্ড হয়ে যাবে, সেটা গোয়েন্দা গল্প কোথায়?
    মন্দ গোয়েন্দার কথা যদি বলেন তাহলে সাবধান করে দি, ফেয়ে কেলারম্যান-এর লেখা "মুন মিউজিক" বইটি কখনো পড়বেননা| বইটি আমাদের কলেজের লাইব্রেরির বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল দেখে আমি কুড়িয়ে আনি| তখন বুঝিনি ভিতরে কেন "যতদিন খুশি রাখতে পারো, ইচ্ছে হলে ফেরত দিও নাহলে দিওনা" গোছের জিনিস ছাপানো রয়েছে| প্রথমদিকটা পড়তে মন্দ লাগছিলনা, কিন্তু টুইস্টের অপেক্ষায় বইয়ের ৮০% মতন পড়বার পর আবিষ্কার করলাম প্রথম ৫ পাতার মধ্যে যাকে খুনি বলে সন্দেহ হয়েছিল সেই খুনি, এবং তার মোডাস অপারেন্ডি হলো - হাসবেন না - সে ইচ্ছে মতন কখনো নেকড়ে আর কখনো বাজপাখি হয়ে যায়| অথচ এটা কিন্তু হ্যারি পটার মার্কা ফ্যান্টাসি নয়, আধুনিক লাস ভেগাসের একটা মার্ডার মিস্ট্রি| অন গড ফাদার মাদার এমন বাজে গোয়েন্দা গল্প জীবনে পড়িনি!

    ReplyDelete
    Replies
    1. ভাগ্যিস বললেন সুগত, বইয়ের নামটা নোট করে নিলাম, আশেপাশে দেখলেই ছুটে পালাব।

      সরলাক্ষ হোম, শারলক হোমসের আরেক নাম বুঝি? জানতাম না।

      Delete
    2. সরলাক্ষ হোম হলো পরশুরামের লেখা একটি গল্প যেখানে শার্লক হোমস-এর বাঙালি অবতারের দেখা পাওয়া যায়| প্যারডি মতন, আর পরশুরামের লেখা, বুঝতেই পারছেন মজার গল্প| দুঃখের বিষয় এর বেশি আর আমার মনে নেই গল্পটা সম্পর্কে| নাম টা শুধু মনে পড়ল| পরেরবার বাড়ি যাব যখন তখন আবার পড়ে নেব|

      Delete
    3. ওহ, আমি সরলাক্ষ হোম-টা যে শারলকের প্যারডি এটা পড়বার সময়ে একেবারেই টের পাইনি। কী বোকা ভাবুন তো।

      Delete
  6. hercule poirot ar byomkesh boksi!! ar kauke chai na boss..even feluda na holeo chole jabe..mardhor kheye morbo last line tar jonyo.. :P

    ReplyDelete
  7. ei kuntaladi blog e akta google search box rakho na, purono lekha khuje pete ektu subidhe hoy..

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা কুহেলি, না তোমাকে কেউ মারবে না নিশ্চিন্ত থাকো। তোমার গুগল সার্চ বাক্সের আইডিয়াটা ভালো, কিন্তু বাংলা লেখা কী সার্চে আসবে? আমি ব্যাপারটা খোঁজ করে দেখছি বুঝলে, তোমার সাজেশনের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

      Delete
    2. tomar sei cycle chor lekha ta khujchilam, akta bondhu ke porabo bole..tai oi search box er idea ta mathaye elo.. :P

      Delete
    3. কুহেলি, দেখো তো কাজে দিল কিনা।

      Delete
  8. "Goenda golpo shahityo na" montobyo kora bhodroloktike ekbaar amaar kaache pathiyo to...aastin gutiye du-round jompesh torko kora jaabe....E chhara, Bangla shaahitye goto du-doshoke kono ekjon-o notun goendaar aabirbhaab hoyni kheyaal korechho ? Goenda golper bhandaar-e goenda baaronto, emonta shesh kobe Bangla shaahitye hoyechhe mone porena.....Lekhata besh bhalo laaglo....

    ReplyDelete
    Replies
    1. শ্রমণ, আমি তো বলি শুধু তর্ক কেন, আস্তিন গুটিয়ে ঘা কতক বসিয়েই দিও। হ্যাঁ, গোয়েন্দা এসেছেন দুচারজন, কিন্তু তাঁরা কেউই জুত করতে পারেননি। আসলে কম্পিটিশনটা ফেলুদা আর ব্যোমকেশ হলে, মুশকিল।

      Delete
  9. Pochhondo milbe kina jani naa. Mone toh hochhe naa. Tobe amar jagat ey ek nombor holen kina Adam Dalgliesh. :) Khub pochhondo, ekdom khub. Fantasise korar level er pochhondo aar ki.

    ReplyDelete
    Replies
    1. সোমদত্তা, ডালগ্লিয়েশ এত পছন্দ? চরিত্রটা না রয় মার্সডেন, কাকে বেশি পছন্দ?

      Delete
  10. Lekhata pore besh moja pelam.
    Porichito jader naam kora holo, tader charao Inspector Maigret, Inspector Morse ar Inspector Frost (third jonke oboshyo kebol TV series e dekhechi, porini) - ei teen inspector keo amar besh lage. :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রথম জনকে সবে দেখতে শুরু করেছি, আর তিন নম্বরকে চিনিই না। নামটা টুকে নিলাম, খোঁজ করছি।

      Delete
  11. Marsden er Anglia TV dramatisation taa onek porey dekhechhi. Amar boi ey futey otha choritro taa kei orokom bhalo laage. Taa chhara Ruth Rendell er Wexford keo besh laage. Poirot, Holmes, Bakshi, Mittir ei sab toh achhei, tobe ami private eye er jaygay police detection er katha bolchhilam. Btw, ekhon "Three Act Tragedy" porchhi. :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. ওহ, আমার ওই গল্পটা খুব প্রিয়।

      Delete
  12. গোয়েন্দা গল্প পড়তে আমার খুব ভাল লাগে, ইনফ্যাক্ট, সবরকম বিষয়ের মধ্যে গোয়েন্দা গল্প পড়তেই সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে। :D

    স্বদেশীদের মধ্যে ফেলুদা-ব্যোমকেশ সবচেয়ে প্রিয়, কিরীটি পোষায় না, পি কে বাসু ভাল লাগে। ইদানিং খন্ড ধরে ধরে কর্নেল পড়া শুরু করেছি, আপাতত দ্বিতীয় খন্ডে, খারাপ লাগছে না, কয়েকটা গল্প অবশ্য বাজে।

    বিদেশীদের মধ্যে একনম্বর লাগে সেই গুম্ফগর্বী বেলজিয়ানটিকে, অবিবাহিতা বৃদ্ধাটিকেও বেশ লাগে। হোমস্‌ তো ভালই।

    ইদানিং রুথ রেন্ডেল পড়া শুরু করেছি, সঙ্গে কলিন ডেক্সটার, ভালই লাগছে। এখনও অবধি ইন্সপেক্টর মর্স এগিয়ে আছেন ইন্সপেক্টার ওয়েক্সফোর্ডের চেয়ে।

    এলিস পিটার্সের 'ব্রাদার ক্যাডভেল' সিরিজটাও ভাল লেগেছিল, সবগুলো পড়িনি যদিও।

    দেখেছেন, কমেন্টটা কি বিশাল হয়ে গেল! অনেক কষ্টে থামালাম নিজেকে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. বাঃ বাঃ, গোয়েন্দা গল্প যারা ভালোবাসে আমি তাদের খুব পছন্দ করি অরিজিত। আমি কলিন ডেক্সটার পড়িনি। ইনস্পেকটর মর্সকে শুধু টিভি সিরিজে দেখেছি। ব্রাদার ক্যাডভেলের নামই জানতাম না, এবার খুঁজে পড়তে হবে তো। থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.