July 02, 2013

কাকতালীয়



কাকতালীয় ব্যাপারটা খুব অদ্ভুত। এই কিছুক্ষণ আগেই আমি মা’কে ফোন করে পাড়ার সবার খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। মায়ের কথার ফাঁকে ফাঁকে ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা চেনা আওয়াজ পেয়ে পিএনপিসি থামাতে হল।

-ব্যাং ডাকছে নাকি মা? অত জোরে?

আমাদের বাড়ির পেছনে একটা বড় জঙ্গল ছিল। জঙ্গল মানে পতিত জমি। জমির মালিক একজন কেউ ছিলেন নিশ্চয়, কিন্তু তিনি রিষড়ায় জমি কিনে ফেলে রেখে নিজে দ্বারভাঙা না কোথায় থাকতেন। হয়ত মনের কোণে একদিন দেশে ফেরার আশা ছিল, কিন্তু জীবদ্দশায় সে আশা পূর্ণ হয়নি। কাকতালীয় ভাবে জমির পরের মালিকও প্রবাসী ছিলেন, তিনিও জমি কিনেই ক্ষান্ত দিয়েছিলেন, বাড়ি আর করে উঠতে পারেননি। জমিটা অভিশপ্তটপ্ত কিছু ছিল কি না কে জানে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জমি ফাঁকা পড়ে থাকতে থাকতে ছোটখাটো একটা জঙ্গলে পরিণত হয়েছিল। ক্লাবের লোকেরা নিজেরাই গরজ করে মাঝে মাঝে চাঁদা তুলে সে জঙ্গল খানিক পরিষ্কার করে দিত, তখন কিছুদিন গরু ছাগল সেখানে চরে বেড়াত। দুপুরবেলা রান্নাঘরের মেঝেতে বসে দেড় ঘণ্টা ধরে ভাত খাওয়াতে খাওয়াতে ঠাকুমা আমাকে ‘গোট’ আর ‘কাউ’ দেখাতেন। তারপর বর্ষা নামতে না নামতেই আগাছার দল ঝাড়াপাড়া দিয়ে উঠে আবার জায়গাটাকে জঙ্গলে পরিণত করে ফেলত।

আর সারাদিন সারারাত সেখান থেকে ঘ্যাঙর ঘ্যাং ঘ্যাঙর ঘ্যাং চলতেই থাকত চলতেই থাকত চলতেই থাকত। কান থাকলেই যেমন মাথা থাকে তেমনি ব্যাং থাকলেও আরেকটা জিনিস থাকতে হয়। কী বলুন তো? জানতাম পারবেন না। শহুরে লোকেদের এসব ব্যাপারে আনাড়িপনার সীমা নেই, আগেও দেখেছি। ব্যাং থাকলেই সাপ থাকে। প্রতি বর্ষা সিজনে আমাদের পাড়ার সব বাড়িতেই নিয়ম করে এক-দুখানা সাপ ঢুকত। ঢোঁড়া, লাউডগা, হেলে, নানারকম ভ্যারাইটির।

জমির অভিশাপ অবশ্য এখন কেটে গেছে। বছর দুই আগে কুন্ডুবাবুর দুই ছেলে, শুভদা আর পাপানদা, জমিটা কিনে চারদিকে পাঁচিল দিয়ে পাঁচিলের ধার ঘেঁষে ফুলফলের গাছ পুঁতে দিয়েছে। সাপের বংশ কবেই নির্বংশ হয়েছে। গোটা দশেক ব্যাং এখনও বেঁচে বর্তে আছে, তারা প্রতি বছর আষাঢ় শ্রাবণ মাসে গলায় যত জোর আছে সর্বস্ব দিয়ে এখনও চেঁচায়।

মা জানালেন আমার সন্দেহ একেবারে ঠিক, ব্যাং-ই বটে। বাড়িতে নাকি গত ক’দিন ধরেই অঝোর বর্ষা নেমেছে, সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত থামার নামটি নেই। প্রতিবছরের মতই কুয়োতলায় জল থই থই, সিঁড়ির দড়িতে লাইন দিয়ে ভেজা শাড়ি জামা শার্ট বালিশের ওয়াড় তিন দিন ধরে শুকোচ্ছে তো শুকোচ্ছেই।

শুনে ফোঁস করে দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে, “আচ্ছা, টা টা বাই বাই”, বলে যেই না কান থেকে ফোন এক ইঞ্চি সরিয়েছি, অমনি ফাঁক গলে কানের ভেতর সুড়ুৎ করে কীসের যেন একটা শব্দ ঢুকে পড়ল। কে যেন ডাকছে।

ব্যাং নাকি!

উঁহু, ব্যাং নয় কিন্তু প্রায় ব্যাঙের মতই গম্ভীর গলা। দেখি গুড়গুড় করে মেঘ ডাকতে লেগেছে। জার্মানির মত অদ্ভুত ওয়েদার আমি জীবনে আর দেখিনি, দেখবও কি না সন্দেহ। এই বৃষ্টি, এই রোদ, এই ভ্যাপসা গরম, এই হুহু হাওয়া। ছাতা সোয়েটার রুমাল হাতপাখা সব ব্যাগে পুরে ঘাড়ে করে সারাদিন বয়ে বেড়াতে বেড়াতে স্পন্ডিলাইটিস হওয়ার উপক্রম। আজ সারাদিন দিব্যি ঝলমলে রোদ ছিল, ওয়েদার ডট কমের ফোরকাস্টেও সূর্যের হাসিমুখ স্মাইলি এঁকে রেখেছিল। হঠাৎ সন্ধ্যেবেলা এ কী উপদ্রব।

মেঘটা এমন অদ্ভুত করে ডাকছিল যে কী বলব। আমাদের মেঘেদের ডাক যেমন শুরুতে টুকটাক গুড়গুড়ানি থেকে গমগমানি হয়ে শেষে ঝমঝমানিতে পরিণত হয় মোটেই সেরকম নয়। ঘ্যানঘেনে বাচ্চার মত সে ডাক একই তালে একই লয়ে টানা পনেরো মিনিট ধরে চলল। জানালার বাইরে আকাশ ঘন কালো হয়ে এসেছিল। শেষটায় যখন আর সাসপেন্স নেওয়া যাচ্ছে না, তখন দেখি ঝরঝর করে বৃষ্টি নেমেছে।

এখানের বৃষ্টির ধাতও আমাদের থেকে আলাদা। আমাদের যেমন বড়বড় ফোঁটার বৃষ্টি হয়, ভারি ভারি ফোঁটা ভীষণ বেগে ছুটে এসে মাটিতে বিঁধে গিয়ে সোঁদা গন্ধ বার করে আনে, অত তেজ নেই এদের বৃষ্টির। ফিনফিনে, হালকা সাদা রূপোর ফলার মতো। বাড়ির ভেতর থাকলে অনেকসময় টেরই পাওয়া যায় না যে বৃষ্টি হচ্ছে।

সে যেমনই হোক বৃষ্টি তো। অপ্রত্যাশিত বলে আরও সুন্দর। এই এক্ষুনি সাতসমুদ্র পারে মায়ের জানালার বাইরের ব্যাঙের ডাক শুনলাম আর অমনি কথা নেই বার্তা নেই ফোরকাস্ট পর্যন্ত নেই, আমার জানালার বাইরে মেঘের ডাক শুরু হয়ে গেল। কাকতালীয় কি না বলুন?

কাকতালীয়র কথায় আরও একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। বেশিদিন আগের নয়, এই গত সপ্তাহের। রবীন্দ্রনাথ সেই যে নিজের শৈশবের সদ্য কবিতা লিখতে শেখা অবস্থাকে নতুন শিং গজানো বাছুরের (নাকি হরিণ?) সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, আমারও এখন সেই দশা চলছে। তবে আমার সদ্য গজানো শিং কবিতার নয়, জার্মান ভাষার।

বড় হলে লোকের লজ্জাঘেন্না কমে জানতাম, এতখানি যে কমে নিজেকে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারতাম না। ব্রেনের ঝুলিতে ডয়েশ শব্দ জমেছে মাত্র গোটা বিশেক, অথচ আমাকে দেখলে সেটা বলবে কার সাধ্য। ওই গুটিকয় শব্দ দিয়েই আমি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যখন পারছি যেখানে পারছি কথোপকথনের খাতা খুলে বসছি। স্ট্রাসে ঘাটে, বানে ট্রামে। যাকে পাচ্ছি তাকেই পাকড়াও করছি। পাশের সিটে বসা হেভিমেটাল ডুড, বেখারাইয়ের কাউন্টারের ওপারের মিষ্টিহাসির মেয়ে। হ্যালোর উত্তরে ভেরি গুড বলছি, ভেরি গুডের উত্তরে গুড মর্নিং, গুড মর্নিং-এর উত্তরে এই তো ভালোই চলে যাচ্ছে, আপনার?

গত সপ্তাহে সুপারমার্কেটে একটা বিশেষ রকমের কাঁচা কনভারসেশন সেরে এসে সিদ্ধান্ত নিলাম যথেষ্ট হয়েছে, এবার শব্দভান্ডার কিছু না বাড়ালেই নয়। বইয়ের দোকানে ঢুকে সোজা ডিকশনারির আইলের সামনে চলে গেলাম। গিয়ে ঘণ্টাখানেক ধরে বেছে, শব্দ বেশি দাম কম এইরকম নানারকম কস্টবেনিফিট অ্যানালিসিস করেটরে, অবশেষে একটা বই পছন্দ হল।

বাসে উঠেই জানালা দেখে বসে ব্যাগ থেকে বই বার করে উল্টেপাল্টে দেখতে লাগলাম। ডিকশনারির বাকি ব্যাপারটা ভয়ানক বোরিং হলেও শেষের পাতাগুলো ততোধিক ইন্টারেস্টিং হয়। নানারকম সময় দেখানো ঘড়ির ছবি, নানা দেশের পতাকার ছবি, রাজধানীর নাম। টুকটাক ট্রিভিয়া। সে সব দেখছিলাম। এমন সময় একটা স্টপে ট্রামটা থামল, ঘটাং করে দরজা খুলল, বন্ধ হল, ট্রাম চলতে শুরু করল।

আর তক্ষুনি আমার ঠিক সামনের সিটে এক ভদ্রলোক এসে বসলেন।

আমি একঝলক বই থেকে মুখ তুলে ভদ্রলোককে দেখলাম। এদেশেরই লোক। আমার মতই বয়স, কি বছর দু’তিন এদিকওদিক হবে। চশমা পরা, মাথায় শার্লক হোমস মার্কা টুপি। জিনসের সঙ্গে সাদা শার্ট হাতা গুটিয়ে পরা। সঙ্গে একগাদা বোঝাই প্যাকেট। তার মধ্যে কয়েকটার ভেতর থেকে শাকসবজিমুলোগাজর উঁকি মারছে, আর কয়েকটা বাইরে থেকেই বোঝা যাচ্ছে বইয়ের প্যাকেট। হুম্‌, অর্গ্যানিক লিভিং-এ বিশ্বাস করে মনে হচ্ছে।

এই ভেবে মনে মনে চোখ ঘুরিয়ে আবার বইয়ের পাতার দিকে তাকাতে যাব এমন সময় চোখের কোণা দিয়ে দেখতে পেলাম ভদ্রলোক শতশত প্লাস্টিকের একটা হাতড়ে একখানা বই বার করেছেন। বইটার মলাটটা একনিমেষের জন্য আমার চোখে পড়ল আর আমি সিটের ওপরেই জমে গেলাম।

আমি কি ঠিক দেখলাম? এটা কি আদৌ হওয়া সম্ভব? না কি আমি পুরো ব্যাপারটাই কল্পনা করছি?

আমি জানি না কী ছুঁয়ে বললে আপনারা আমাকে বিশ্বাস করবেন, কিন্তু আমি আমার বই খাতা মা বাবা অবান্তর অবান্তরের পেজভিউস সবের দিব্যি কেটে বলছি, ভদ্রলোক প্যাকেট থেকে যে বইটা বার করলেন সেটা একটা ডয়েশ-হিন্দি ডিকশনারি।

অন গড ফাদার মাদার অবান্তর।

তারপর আর কী। তারপর বন শহরের তিন লাখ তিরিশ হাজার লোকের মধ্যে একটা লোক আমার দু-হাত দূরে বসে হিন্দি ডিকশনারি পড়তে পড়তে আর আমি তার দু-হাত দূরে বসে ডয়েশ ডিকশনারি পড়তে পড়তে বাকি রাস্তাটা এলাম।  

বৃষ্টি দেখে এত মন ভালো হয়ে গেল যে মা’কে ফোন করে খবরটা দিতেই হল। ওদিক থেকে হ্যালো শুনেই বুঝলাম মা কিছু একটা চিবোচ্ছেন। চোর ধরার ভাব করে আমি ঝাঁপিয়ে পড়লাম।

-কী খাচ্ছ মাআআআ?

মা-ও খুব লজ্জা পেয়ে গিয়ে বললেন, আসলে এই বৃষ্টিটা একটু ধরতে তোর বাবা গুলিবাগান থেকে একটু বেগুনি আর ফুলুরি নিয়ে এসেছে। সেগুলোই আরকি...এত বারণ করি, খেলেই অম্বল হয়, তবু শুনবে না।

কাকতালীয় এত কিছু ঘটে, খটখটে আকাশে বৃষ্টি নামে, চলন্ত ট্রামে ডিকশনারির সঙ্গে ডিকশনারির দেখা হয়ে যায়। ঠিক সেই রকম কাকতালীয় ভাবে ফুলুরি বেগুনি খাওয়াটা কখনই মিলে যায় না কে জানে। জঘন্য।




32 comments:

  1. Tomar "Deutshe-hindi ghotona" tar sathe aamar ekta recent abhiggotar besh mil. shedin boi er dokane amar ulto aisle e deklam ekjon bishon shundari stylish mohila, chosma pora, besh mota mota boi ghantchen. mone mone bhablam je hoyto spanish ba central american....dibbi uttar bharatiyo, kashmiri boleo chaliye deya jay.
    hatat onar cell phone ta bajlo....uni tule aste aste bolen..."shuno aami barnes e azzi...tumar zodi kaaj hoiye giya thake toile ei hanei choila aso! aami just ulte pore jachhilam :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. এটা দারুণ !
      মিঠু

      Delete
    2. সিরিয়াসলি দারুণ। কত রকম যে অভিজ্ঞতা হয়।

      Delete
  2. haha ei lekhata bejay mojar hoyeche.. ish tumi oi bhodrolok ke ektu hindi dhorte parte to, tomar German hinomonyota akkebare kete jeto :P

    ReplyDelete
    Replies
    1. যা বলেছ স্বাগতা। ভাবছিলাম একবার জিজ্ঞাসা করে দেখি বলুন তো বাস পুংলিঙ্গ না স্ত্রীলিঙ্গ?

      Delete
    2. ebaba, egulo amio janina! strilingo na? saara jibon hindi bhaasi der khota kheye morlam!

      Delete
    3. সুমনা, আমি শুনেছিলাম বাস দাঁড়িয়ে থাকলে পুংলিঙ্গ, চললে স্ত্রীলিঙ্গ।

      Delete
    4. jah! bus shob samay strilingo...as in "bus chal rahee hai, bus khari hai, bus rukh gayee hai"...kintu truck pu~lingo. amar maa, bango desher meye..amake hindi porate giye anek honchat kheye finally ghoshona korlen je choto jinish holey stri aar size e boro holey pun~lingo. seta dekhchi hold kore :)

      Delete
    5. ওহ, সরি সরি। তোমার মায়ের যুক্তিটা মেনে চলব এবার থেকে।।

      Delete
    6. Apnara seshmesh esob o alochona korchen!'দাঁড়িয়ে থাকলে পুংলিঙ্গ, চললে স্ত্রীলিঙ্গ।' !! eto sai Kochi Sanshad er Dodool Dey ar Lalima Paler case...jara naki bracket e পুং likhto.. :D

      Delete
    7. ishhh ki kando! dariye thakle punglingo cholle streelingo!!! tahole bhenge gele ki kleeblingo? :P

      Delete
    8. ar start newar somoy ubhoy-lingo :D

      Delete
  3. Tumi to dibyi German hoye gechho dekhte pachchi. Nijei khunjepete kemon Langenscheidt-er dictionary kine felechho! Abar Cafe-Kuchen khaoatao obhyes korechho! Tahole ar weather.com dekho keno? ARD othoba ZDF-er text page-e chole jabe, nirbhul forecast peye jabe. Chhata, laathi sob niye ghure berate hobe na! :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. টুকে নিই, টুকে নিই। গুড। এবার থেকে আবহাওয়া জানতে হলে এগুলোই কনসাল্ট করব। থ্যাংক ইউ শীর্ষ।

      Delete
  4. :-) darun laglo. Ar phuluri ar begunir bodole jeta khachho setate sanghatik lobh dilam.

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধুস, গরম বেগুনির কাছে এ জিনিস লাগে না ইচ্ছাডানা।

      Delete
    2. thik thik....netaji aar pyanji'r thekchey :)

      Delete
  5. e bishaye akmat...barshay fuluri ar beguni ta amio bhishan miss karchhi...ekhane pao (bara-samosa-bhaji) nie barabarita ar neoa jachhena...!
    ta, bai na pare oi bhadro loker sathe bhab jamale shekha ta taratari hato na??
    bang er dak o miss karchhi :-(
    amader paray akchilte fanka jamite barshar jal jamto ar kichhu kachhi bang sekhane pranprane gala sadhto-aha kothay galo tara!

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে এরা খুব একটা আলাপ করা টাইপ হয় না গো সায়ক। চেনা অচেনা যাকেই দেখলাম লাফিয়ে পড়ে হাত নেড়ে "হাউ আর ইউ?" বলার অ্যামেরিকান ফ্রেন্ডলিনেসটা এদের একেবারেই নেই। কাজেই আমি ঘাঁটালাম না আরকি।

      একবার চল বৃষ্টির সময় একটা কোথাও বেড়াতে যাই, তারপর নিজেরাই আলুর চপ, বেগুনি ভেজে ভেজে খাওয়া যাবে।

      Delete
    2. ahha...aloor chop. amar fave experience holo aloor chop aar muri in our dhaka baranda...sitting on madur...baire brishti porchey aar aami agatha porchi...maa classical kono raag gungun korchey!

      Delete
    3. মারকাটারি কম্বিনেশন শম্পা।

      Delete
  6. tomar lekhar sathe aaj ekhaneo akash futo kore bristi hochee..ei kodin roj bristir prediction chilo tao bristi ektuo hoyni..r aaj desh theke baba-maa der pathano ekta 10kg er parcel elo..tate kotto ki moner moto..barir chade sukono amlaki theke bhaja bori..ki je anondo hochee ki bolbo..tomar lekhe pore jotota bhalo lage tottotai...

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে হিংসে করছি তো রীতিমত সুমনা। বাড়ি থেকে পার্সেল এলে যে কী মজা লাগে, যে বেচারার না এসেছে সে বোঝেনি। ভাজা বড়ি আমার ফেভারিট। আশা করছি তোমার এই মন ভালোটা আগামী অনেকদিন স্থায়ী হোক।।

      Delete
  7. boi ar cup plate ta kemon jano beshi perfect, anekta photoshop kore laganor mato! :) khub sundor

    aj tin din amar khub matha byatha jor jor bhab, kotodin dhore bhalo kichhu khai na, fuluri begunir katha shune chokhe jol ese porlo. Kabe je bari jabo!

    ReplyDelete
    Replies
    1. আশা করি তুমি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠ মনস্বিতা।

      Delete
  8. কিভাবে হাসবো? হাহা হোহো না অন্য কোনভাবে? তোমার ভাষা আর ডিক্সনারী নিয়ে ধ্বস্তাধ্বস্তি পড়ে মনে বারেবারেই হাস্যরসের উদ্রেক হইতেছে।একটা পুরোনো কথা মনে পড়ল। দার্জিলিংএ গিয়ে আমার মা, প্রায় হিন্দি জানে না, কাঞ্চি, বজু আর বাজারের ফলওয়ালিদের সঙ্গে নিয়মিত দরাদরি করতে করতে তিন বছর পর কি চোস্ত নেপালিবলিয়ে হয়ে উঠেছিল! কোন ডিক্সনারী লাগেনি। আমার বাবা অবশ্য বই ডিক্সনারী সহযোগে চেষ্টা করেছিল কিছুদিন। মা তো নেহাৎই ভিজে ন্যাতা হেঁসেল ঠেলা মহিলা। তুমি তো বীরাঙ্গনা, সুতরাং মাভৈঃ। আমি তো ভাবছি, তুমি এবার প্রতি কথায় বলবে আমাদের জার্মানিতে না---। তোমার এই তেড়ে ফুঁড়ে চলাটা আমার ভারী ভাল লাগে, কিন্তু প্লীজ, জার্মান হোয়োনা যেন।
    তোমার এবারের পোস্টে আবার বৃষ্টি। আহা--হা--হা বৃষ্টির সঙ্গে ব্যাঙের ডাকটা কিন্তু দুর্দান্ত মাচিং। তুমি রিষড়ায় ছিলে বলে এটা শুনেছো। কিন্তু কলকাতার বাচ্চারা কি দুর্ভাগা। এসব কিছুই শুনল না। বৃষ্টি যে কি জিনিষ তা বুঝলই না।

    ReplyDelete
    Replies
    1. না না মালবিকা, জার্মানি আমার হবে কী করে? জন্মাইওনি, বড়ও হইনি। তাছাড়া যে কোনও একটা জায়গার হয়ে যাওয়া বোকামি। পৃথিবীর বাকি জায়গাগুলো মিস হয়ে যাবে তো।

      Delete
    2. ish kolkata te bang dake na jeno! ghorotoro kolkatar buke gorpaare park e bang er daak shunechhi, amader barir pasher park eo dake! kolkatar bodnaam deben na! :P

      Delete
  9. Mil mil...amader baRir pechone o ekta poRe thaka jomi chilo. ekhono ache. sekhane amra cricket kheltam. sei jomitar ek konay je narkol gach ta daRiye, seta chilo amader boundary line. heso na, ami 300 run korechilam, ek dupure. soja kotha?! ta sei jomi te o byang asto, besh gola bar kore daakto, eboNg yes, tader songe saap o. kotto saap mara dekhechi. dadu marto. chotokaka marto.

    ekta golpo boli. Ranchi te amader hostel ta ekta jongol er modhye bola jete pare. ta tate saap, byang probhriti bohu jib jontu. ekdin jommer khaoa kheyechi bujhle. tar por aar ki, po pa dour bathroom e. oma, dhuke dekhi, amar dike buk fuliye iyya boRo byang takiye ache. kintu tokhon ja obostha, byang ke baba bolte o raji.

    ki adventurous life bolo amader?

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহাহা সুমনা, বলার মত অভিজ্ঞতাই বটে। তুমি তো দারুণ ক্রিকেটার ছিলে দেখছি। কেয়া বাত, কেয়া বাত।

      Delete
  10. onekdin bade abantar e abar aste parlam... kotto moni-manikyo jome gechhe.. sob eke eke pore shesh korchhi...
    odeshe german na shikhle engriji diye chole na? mane tomar ei bhasha shikhya ta daay pore na shokh kore? chaliye jao, tomar modhye ami ekta bohumukhi protibha lokhyo korchhi...tomar hobe !

    ReplyDelete
    Replies
    1. থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ সোহিনী। জার্মান একরকম শখেই শিখছি বলতে পার।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.