Posts

লাইব্রেরি কেন ভালো

Image
উৎস

পাঁচের পোস্ট

5 Things I Hate  স্ট্যান্ড আপ কমেডি হিন্দি ডাবিং-এ ইংরিজি সিনেমা চিউয়িং গাম ওপরচালাকি মাতলামি 5 Things I Strongly Dislike ফিউশন মার্গসঙ্গীত মাউন্টেন ডিউ-র বিজ্ঞাপন সম্বোধন হিসেবে "ব্রো/ডুড"-এর ব্যবহার। বিশেষ করে ভেতো বাঙালিদের মধ্যে। ট্যালেন্ট হান্ট টিভি শো নস্ট্যালজিয়া 5 Things I Dislike ম্যাকাডেমিয়া নাটস পাশের ঘর থেকে আসা টিভির আওয়াজ প্রৌঢ়/প্রৌঢ়া বৃদ্ধ/বৃদ্ধাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যুৎসাহী অংশগ্রহণ কবিতা আবৃত্তি মৌরি 5 Things I Like হাফ সোয়েটার শব্দজব্দ শনিবারের সকাল দোলনা ক্যাডবেরি 5 Things I Strongly Like  ফাঁকিবাজি চশমা লুচি লুডো খাটে শুয়ে শুয়ে অন্যকে কাজ করতে দেখা 5 Things I Love  এগরোল গরমের ছুটি অন্ধকার ঘরে টেবিলল্যাম্পের হলুদ গোল আলো ছাদ + মাদুর + আকাশ + তারা + মা (+ মশার কামড়) অবান্তর ও তার পাঠকপাঠিকাবৃন্দ

'এটা কী?' কুইজের ফলাফল

Image
প্রথমেই ক্ষমাপ্রার্থনার পালা। ইন্টারনেটের গোলযোগের জন্য উত্তর প্রকাশে প্রায় তিনঘণ্টা দেরি হয়ে গেল। আমার সত্যি দোষ ছিল না বিশ্বাস করুন। এইবার উত্তরগুলো বলি। প্রতিবারের মতোই যারা খেলেছেন, তাঁদের সবাইকে আমার অনেক আন্তরিক ধন্যবাদ। আশা করি পরের কুইজগুলোতেও আপনারা অংশগ্রহণ করবেন। ১. পেপার ক্লিপ ২. তালা  ৩. চাবি ৪. চশমার নোসব্রিজ (বাংলায় কী বলে জানি না) ৫. স্টেপলার পিন ৬. পেন ড্রাইভ (যারা USB Port লিখেছেন, পুরো নম্বর পাবেন।) ৭. ইয়ারফোন ৮. চিরুনি ৯. ইরেজার সহ পেনসিল  ১০. ঘড়ির বাকল

শুভ দীপাবলি

আজ হয়তো আপনাদের কারও কারও বাড়ি, পাড়া, প্রদীপ, মোমবাতি, টুনির আলোয় ঝলমল করবে। হয়তো আজ সন্ধ্যেবেলা আপনারা কেউ কেউ শিং ভেঙে পাড়ার বাচ্চাদের বাজি ফাটানোর দলে ভিড়ে যাবেন। কোকাকোলার বোতলে সেট করা রকেটে তারাবাজির আগুন দিয়ে মোটা শরীর নিয়ে হাঁসফাঁস করে ছুটে আসতে আসতে জিমে যাওয়ার রেসলিউশনের কথা মনে পড়ে যাবে। আজ হয়তো আপনাদের কারও কারও পাড়ার নেড়িদের ভয়ানক বিপদের দিন। হয়ত তারা ল্যাজ গুটিয়ে এখানে ওখানে, গাড়ির নিচে, ভ্যাটের আড়ালে প্রাণপণে লুকোনোর চেষ্টা করবে। হয়তো আজ সন্ধ্যেয় চকলেট বোম আর পটকার আওয়াজে আপনাদের কারও কারও ক্ষণে ক্ষণে পিলে চমকাবে, দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রতি পাবলিকের প্রকাশ্য অবমাননা দেখে গা জ্বলে যাবে। হয়তো আপনারা কেউ কেউ এবছর দুর্গাপুজোয় কম চাঁদা দিয়েছেন, বা হয়তো পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে খামোকা রং নিয়েছেন, বা হয়তো খেলার বল ফেরত দেননি, হয়তো তারা আজ প্রতিশোধ নিতে একটা গোটা প্যাকেট কালীপটকায় আগুন দিয়ে আপনার বারান্দায় ছুঁড়ে দেবে। হয়তো তার আওয়াজে আপনাদের কারও কারও বাড়ির সামনে লাইন দিয়ে পার্ক করা গাড়িগুলোর অ্যালার্ম অ্যাকটিভেটেড হয়ে গিয়ে বাজতেই থাকবে, বাজতে...

এটা কী?

Image
নিচে কতগুলো জিনিসের ছবি, থুড়ি, জিনিসের খণ্ডাংশের ছবি দেওয়া হল। খণ্ডাংশ দেখে আপনাদের গোটা জিনিসটাকে চিনতে হবে। কিছু শক্ত ব্যাপার নয়, প্রত্যেকটা জিনিস আপনি ব্যবহার করেন, হয়তো রোজই ব্যবহার করেন, ইন ফ্যাক্ট কোনওটা হয়ত এক্ষুনি এই মুহূর্তে অবান্তর পড়তে পড়তে ব্যবহার করছেন। কে বলতে পারে। রেজাল্ট বেরোবে ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা বাদে। ইয়োর টাইম স্টার্টস নাউ। ১। ২। ৩।                                                      ৪। ৫। ৬। ৭।                                                                             ৮। ৯। ১০।

ঘোষণা

Image
উৎস গুগল ইমেজেস অবান্তরের পরবর্তী কুইজ আসছে দিল্লিতে মঙ্গলবার সকাল আটটা আর সিনসিনাটিতে সোমবার রাত সাড়ে ন ' টায়। ভীষণ সোজা কুইজ । রেজাল্ট বেরোবে ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা পরে। 

শপথ সিরিজ #২---ঘুম

Image
আমি সাধারণত এ রকম সটাং মন্তব্য করা এড়িয়ে চলি, কিন্তু আজ করছি। আমার মতে গত কুড়ি তিরিশ বছরে বাঙালির সংস্কৃতিজগতের সবথেকে বড় বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়ার নাম চন্দ্রিল ভট্টাচার্য। চন্দ্রিলের ওপর আমার রাগ আছে ভাববেন না, উল্টে এককালে চন্দ্রিলের প্রতি আমার যে কী অবিচল অনুরাগ ছিল, মনে করলে এখন আমার নিজের মনেই ‘ধরণী দ্বিধা হও’ ভাব জাগে। সুদীপ্ত বলে, “তখন ওভারএস্টিমেট করেছিলে, এখন তাই বেশি হতাশ হচ্ছ।” হয়ত ঠিকই বলে। চন্দ্রিল কী হতে পারতেন, কী হননি, হওয়ার সংজ্ঞাই বা ওনার কাছে কী, এই সব হওয়াহওয়ি দিয়ে আদৌ একটা লোকের সাফল্য ব্যর্থতা মাপা যায় কি না---সে সব অন্য তর্কের রসদ। আমি নিজে এখনও চন্দ্রিলের মুখ চ্যানেলে দেখালে রিমোট থামাই, কাগজে লেখা বেরোলে সব কাজ ছেড়ে পড়ি (অন্তত চেষ্টা করি)। চন্দ্রিল আমার বড় দুর্বল জায়গা। চন্দ্রিলের কয়েকটা কথা আমার জীবনে প্রায় খনার বচনের স্থান নিয়েছে। কথাগুলো এত সত্যি, এত হৃদয়বিদারক যে কী আর বলব। তবে এই সমস্ত চন্দ্রিল-উবাচ’র মধ্যে যেটা আমাকে সবথেকে নাড়া দিয়েছে, সেটা হচ্ছে--- “গুরু বাবারা যা পায়নি তা আমরা পাবনা।” এর থেকে সত্যি কথা আপনি শুন...

সাপ্তাহিকী

Image
উসে কহো যায়ে চাঁদ লেকে আয়ে আলোকচিত্রীঃ Elijah Hurwitz Succeeding feels just like failing except you're not allowed to stop.                                                                                             ---Maciej Ceglowski শ্রমের মর্যাদা। আমি তো বলি হামা দেওয়ার বয়স থেকেই শেখানো ভালো। মোনালিসা চুরির রোমহর্ষক গল্প। #InPraiseOfTheHashtag প্রিন্টারের কাগজে আঙুল কাটলে অত জ্বালা করে কেন? জেনে নিন। এর মধ্যে কটা প্যারাডক্সের ব্যাপারে আপনি জানতেন? আমি একটাও জানতাম না, তবে ওই যেটাকে Kinsey's Paradox বলছে তার নমুনা একটা দুটো দেখেছি। সত্যিকারের উইনি দ্য পু আর ক্রিস্টোফার রবিন কারা ছিল দেখতে চান? আমার ভীষণ ভীষণ ভালোলাগার একটা গান রইল আজ আপনাদের জন্য। সোমবার দেখা হবে। আপনারা এই ফাঁকে রংমশাল, তুবড়ি, পটকা আর রকেট কিনে ছাদের...

Natural (S)election Posters

Image
উৎস

আম আর আমড়ার গল্প

স্পষ্টবক্তা লোকদের আমি ভয় পাই বলেই হয়তো সর্বদা তাঁদের দ্বারাই পরিবৃত হয়ে থাকি। দুঃখ করে মা’কে ফোন করে কথাটা বলতে, মা আকাশ থেকে পড়ে বললেন, “আরে আমারও তো একই ব্যাপার। সেই গল্পটা বলিনি বুঝি তোকে?” আমি বললাম, “বলেছ নিশ্চয়, না বলে কি আর ছেড়েছ। কিন্তু দুবার বললে তো ক্ষতি নেই।” মা বলতে শুরু করলেন। অনেক অনেক দিন আগে যখন তাঁর আমার মতো বয়স ছিল আর ঘরে একটি ন্যাসপাতিকে “ন্যান্যাপাতি” আর ব্লাউজকে “বালুস” বলা মেয়ে ছিল তখনকার কথা। একদিন অফিসের ছুটির পর বাবা আর তিনি মিলে বন্ধুসংসর্গ করতে গিয়েছিলেন। অফিস আর সংসারের চাপে তো শখআহ্লাদ সব শিকেয় উঠেছে, তাই অনেক জল্পনাকল্পনা, প্ল্যানপ্রোগ্রামের পর কয়েকজন সহকর্মী মিলে চা খেতে যাওয়া হয়েছিল। এই পর্যন্ত শুনেই আমি ফুট কাটলাম, “ছি ছি, কচি মেয়েকে বাড়িতে রেখে ফুর্তি। প্রাণে কি একটুও দয়ামায়া নেই গো তোমাদের?” মা অমনি আমার কথাটাকে ভয়ানক সিরিয়াসলি নিয়ে হাঁ হাঁ করে উঠলেন, “আরে আমি তো যেতে চাইনি, তোর বাবাই তো বলল কিচ্ছু হবে না চল, বাড়িতে তো সবাই আছে, তারা আজ বাড়তি দু’ঘণ্টা দেখবে না হয়...” আমি বললাম, “ওরে বাবা বুঝেছি, চল চল গল...

Dis or Dat: কোনটা ফেলি কোনটা রাখি

Image
উৎস গুগল ইমেজেস শীতের দার্জিলিং লেবু না গ্রীষ্মের হিমসাগর আমঃ শীতের দার্জিলিং লেবু শরতের সকাল না হেমন্তের বিকেলঃ হেমন্তের বিকেল কাঁথার ওম না ফ্যানের ফুরফুরে হাওয়াঃ কাঁথার ওম পাটালিগুড় দিয়ে দুধভাত না ঝোলাগুড় দিয়ে গরম রুটিঃ  ঝোলাগুড় দিয়ে গরম রুটি নুন লঙ্কা দিয়ে মাখা কালোজাম না বাতাবিলেবুঃ  নুন লঙ্কা দিয়ে মাখা বাতাবিলেবু মায়ের হাতে বোনা রাস্টিক সোয়েটারের আদর না মন্টি কার্লোর প্রফেশনাল ফিনিশঃ  মায়ের হাতে বোনা রাস্টিক সোয়েটারের আদর মোচার চপ না শিউলি পাতার বড়াঃ শিউলি পাতার বড়া শাড়ির আভিজাত্য না জিনসের আরামঃ জিনসের আরাম সম্পাদকীয় না পাত্রপাত্রী বিজ্ঞাপনঃ  সম্পাদকীয়  গাধাটাকে ঘাস দাও না সূর্যের দিকে চেয়ো নাঃ  গাধাটাকে ঘাস দাও   অপুর ভূমিকায় সৌমিত্র না ফেলুদার ভূমিকায় সৌমিত্রঃ  ফেলুদার ভূমিকায় সৌমিত্র শার্লক হোমসের রোলে জেরেমি ব্রেট না শার্লক হোমসের রোলে বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচঃ  শার্লক হোমসের রোলে জেরেমি ব্রেট ভোরের আকাশ না সন্ধ্যের হাওয়াঃ ভোরের আকাশ লিভিং রুমের উদ্দা...

শপথ সিরিজ #১---রাঁধববাড়ব

Image
সারা ক্যালেন্ডারের মধ্যে আমার সবথেকে প্রিয় সময়টা আবার এসে গেছে। রেসলিউশনের সময়। এ বছরের রেসলিউশনগুলো কী ছিল সেটা ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভুলে মেরে দিয়েছিলাম। কিন্তু তাতে তো আগামী বছরের জন্য নতুন করে রেসলিউশন নেওয়ার রাস্তা আটকায় না। আটকায় কি? সবথেকে বড় কথা আমি নিশ্চিত সামনের বছর আমি আমার সবগুলো রেসলিউশন পূর্ণ করতে পারব। পারবই। কিন্তু করব বললেই তো ফস করে করে ফেলা যায় না। তার জন্য প্রস্তুতি চাই। মন মস্তিষ্ক শরীরকে নিয়মিত ভাবে পেপ-টক দেওয়া চাই। বাবা-বাছা বলে মাথায় হাত বুলিয়ে বোঝানো চাই। কড়া হাতে শাসন করা চাই। যাতে পয়লা জানুয়ারি সকাল থেকেই তারা পূর্ণোদ্যমে কাজে লাগতে পারে। মুহূর্ত কালক্ষেপ না করেই। রেসলিউশন-টিউশনের ব্যাপারে যারা জানেন-টানেন, এই যেমন ধরুন সেলফ হেল্প বিশারদরা, তাঁদের সবারই একটা কমন টিপস থাকে দেখেছি। তাঁদের মতে সবাইকে ঢাক পিটিয়ে রেসলিউশন জানালে নাকি সেগুলো রক্ষা করা সোজা হয়। অর্থাৎ কিনা “Reticence is the pillar of success”   কথাটা আদ্যোপান্ত ভুল। ওপরওপর শুনলে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে কিন্তু তলিয়ে দেখলে ব্যাপারটায় যুক্তি আছে। ধরুন আপনি রো...

সাপ্তাহিকী

Image
শিল্পীঃ Jake Levine রামধনু। হাউ টু মেক সুদর্শন চক্র। বন্যেরা বনে   স্টুডিওয় সুন্দর। ভূতের গল্প তো এতদিন শুনেছেন, এইবার ভূতেদের গল্প শুনুন। সুন্দর কন্দরের খোঁজে। যে কোটেশনগুলো আসলে কেউই বলেনি। যেমন খারাপ সিনেমা, তেমন ভালো গান। ভালো হয়ে থাকবেন। সোমবার যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেখা হওয়া কেউ আটকাতে পারবে না।  ঠিক এই URL-তেই।

Perspective

Image
উৎস

ঘোষণা

'কে লিখেছেন?' কুইজের ফল প্রকাশিত হয়েছে।  অংশগ্রহণকারীদের আমার অনেক অভিনন্দন জানাই। সকলেই খুব ভালো খেলেছেন।

টাকা যদি সত্যিই মাটি হত

Image
এটা আমি সবসময় ভাবি। তাহলেও কি আমি রোজ সকালে অফিসে এসে গ্রোথ মডেল আর ফোরকাস্টিং নিয়ে মাথা ঘামাতাম? উত্তরটা নিমেষে মনে পড়ে আর অপরাধবোধে জ্বলে পুড়ে মরি। কেন যেটা করি সেটাকে ভালোবাসতে পারি না? উল্টোটাও সত্যি, কেন যেটা ভালোবাসি সেটা করতে পারি না? দ্বিতীয় প্রশ্নটা আমাকে প্রথম প্রশ্নটার থেকে কম ভাবায় কারণ আমার বিশ্বাস, করার মতো করে করতে গেলে আমার ভালোবাসার জিনিসগুলোও আর অত ভালোবাসার থাকবে না। চরিত্রে ফাঁকিবাজি থাকলে আর কী হবে। যাকগে, নিজেকে বকে মেরে শাস্তি দিয়ে কেউ কখনও বড়লোক হয়েছে তো শুনিনি। তার থেকে প্রশ্নটাকে ফেসভ্যালুতে নিয়ে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি। টাকা যদি মাটি হত তাহলে আমি--- এক, লিখতাম। দুই, গান করতাম। তিন, খুব বেড়াতে যেতাম। পাহাড়ে। আর যেসব জায়গায় খুব বৃষ্টি হয়, সেসব জায়গায়। এই যেমন চেরাপুঞ্জি, কেরালা, আয়ারল্যান্ড। আপনি কী করতেন? টাকা যদি সত্যি সত্যি মাটি হত? ভালো কথা, কুইজ এখনও চলছে, মনে আছে তো? ভারতে শুক্রবার সকাল সাতটা আর অ্যামেরিকায় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ন' টা পর্যন্ত চলবে। কাজেই এখনও উত্তর না দিলে ঝটপট দিয়ে ফেলুন। আর দেরি করবেন না। ...

কে লিখেছেন?

নিচে দশটি উদ্ধৃতি দেওয়া হল। সবগুলোই যে বিখ্যাত রচনা থেকে নেওয়া তাই নয়, সবগুলোই বিখ্যাত রচয়িতাদের রচনা থেকে নেওয়া। যারা বিশ্বসা হিত্যে  তাঁদের অননুকরণীয় ছাপ রেখে গেছেন। দেখুন তো তাঁদের চিনতে পারেন কিনা। রেজাল্ট বেরোবে ভারতে শুক্রবার সকাল সাতটায় এবং অ্যামেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ন'টায়। ততক্ষণ অবান্তরে কমেন্ট নজরদারি চালু থাকবে। আমি জানি আপনারা সবগুলোই পারবেন, তবুও অল দ্য বেস্ট রইল। নিন, শুরু করুন। ***** ১। "বাংলা ভাষায় গদ্য লিখতে নতুন শব্দের প্রয়োজন প্রতিদিনই ঘটে। অনেক দিন ধরে অনেক রকম লেখা লিখে এসেছি সেই উপলক্ষে অনেক শব্দ আমাকে বানাতে হল। কিন্তু প্রায়ই মনের ভিতরে খটকা থেকে যায়। সুবিধা এই যে বার বার ব্যবহারের দ্বারাই শব্দবিশেষের অর্থ আপনি পাকা হয়ে উঠে, মূলে যেটা অসংগত, অভ্যাসে সেটা সংগতি লাভ করে। তৎসত্ত্বে সাহিত্যের হট্টগোলে এমন অনেক শব্দের আমদানি হয়, যা ভাষাকে যেন চিরদিনই পীড়া দিতে থাকে। যেমন ‘সহানুভূতি’। এটা sympathy শব্দের তর্জমা। ‘সিম্প্যাথি’-র গোড়াকার অর্থ ছিল ‘দরদ’। ওটা ভাবের আমলের কথা, বুদ্ধির আমলের নয়। কিন্তু ব্যবহারকালে ই...

একটা ছোট্ট গল্প

যখন অবান্তর শুরু করেছিলাম, বা বলা ভালো শুরু হয়েছিল নিজে নিজেই, তখন তো কোনও স্পষ্ট ধারণা ছিল না যে ব্যাপারটা কী দাঁড়াতে চলেছে, অনেকটাই এর দেখে তার দেখে এগোনো। একজনের দেখে দেখে লে-আউট খানিকটা টুকলাম তো আরেকজনের দেখে দেখে গ্যাজেট অ্যাড করলাম। এই ভাবে কুড়িয়েবাড়িয়ে যে সব জিনিসপত্র জোগাড় হয়েছিল সেগুলোর কয়েকটা টিকে গেছে, কয়েকটা আপনা থেকেই বিদেয় হয়েছে। অবান্তরের আদ্যিকালের পাঠকরা হয়ত মনে করতে পারবেন, অবান্তরে একসময় ট্যাগ/লেবেল ব্যাপারটা ছিল। প্রতিটি পোস্টের নিচে লেখা থাকত, এইটা ‘বাজে গল্প’, এইটা ‘আমাদের আমলে’ সব কী ভালো ছিল সেই নিয়ে ‘কাঁদুনি’, এইটা ‘নিন্দেমন্দ’ । ব্লগের ডানদিকে সেই সব লেবেলের একটা লম্বা তালিকা থাকত যেটা দেখা বোঝা যেত আমি ক’টা বাজে গল্প লিখেছি, ক’টাতেই বা কাঁদুনি গেয়েছি, ক’খানা পোস্টেই বা পরনিন্দার বান ডেকেছি। অচিরেই বুঝতে পারলাম যে অবান্তরের সব গল্পই আসলে বাজে । তাই আর বেকার বাছাবাছির চক্করে না গিয়ে গোটা ব্যাপারটাকেই উড়িয়ে দেওয়া হল । সেই ট্যাগ বা লেবেলের ভিড়ে একটা লেবেল ছিল ‘বেঁটে বজ্জাত’। আমি ভেবেছিলাম বাচ্চা এত ভালোবাসি যখন, অবান্তরে নিশ্চয় বাচ্...