স্পষ্টবক্তা লোকদের আমি ভয় পাই বলেই হয়তো সর্বদা তাঁদের দ্বারাই পরিবৃত হয়ে থাকি। দুঃখ করে মা’কে ফোন করে কথাটা বলতে, মা আকাশ থেকে পড়ে বললেন, “আরে আমারও তো একই ব্যাপার। সেই গল্পটা বলিনি বুঝি তোকে?” আমি বললাম, “বলেছ নিশ্চয়, না বলে কি আর ছেড়েছ। কিন্তু দুবার বললে তো ক্ষতি নেই।” মা বলতে শুরু করলেন। অনেক অনেক দিন আগে যখন তাঁর আমার মতো বয়স ছিল আর ঘরে একটি ন্যাসপাতিকে “ন্যান্যাপাতি” আর ব্লাউজকে “বালুস” বলা মেয়ে ছিল তখনকার কথা। একদিন অফিসের ছুটির পর বাবা আর তিনি মিলে বন্ধুসংসর্গ করতে গিয়েছিলেন। অফিস আর সংসারের চাপে তো শখআহ্লাদ সব শিকেয় উঠেছে, তাই অনেক জল্পনাকল্পনা, প্ল্যানপ্রোগ্রামের পর কয়েকজন সহকর্মী মিলে চা খেতে যাওয়া হয়েছিল। এই পর্যন্ত শুনেই আমি ফুট কাটলাম, “ছি ছি, কচি মেয়েকে বাড়িতে রেখে ফুর্তি। প্রাণে কি একটুও দয়ামায়া নেই গো তোমাদের?” মা অমনি আমার কথাটাকে ভয়ানক সিরিয়াসলি নিয়ে হাঁ হাঁ করে উঠলেন, “আরে আমি তো যেতে চাইনি, তোর বাবাই তো বলল কিচ্ছু হবে না চল, বাড়িতে তো সবাই আছে, তারা আজ বাড়তি দু’ঘণ্টা দেখবে না হয়...” আমি বললাম, “ওরে বাবা বুঝেছি, চল চল গল...