July 26, 2015

ডিয়ার রাজু,




আপনি আমাকে চিনবেন না। আড়াই বছর আগে হলে চেনার একটা সম্ভাবনা ছিল। তখন আমি আপনার পাড়ায় থাকতাম। শুধু সেই সুবাদেই চিনতে পারতেন এমন দাবি করছি না। আপনি এখন যেমন আছেন তখনও তেমন ছিলেন, পাড়ার মধ্যে একজন কেউকেটা, আর আমি আজ যেমন আছি তখনও তেমনই ছিলাম, নোবডি। চিনতে পারতেন বলছি এই কারণে যে আমরা তখন নিয়মিত আপনার দোকানে চা খেতে যেতাম। বাজার করতে বেরিয়ে, অফিস থেকে ফেরার পথে, বাজার থেকে ফেরার পথে। যখনতখন। যেতাম মূলত অর্চিষ্মানের উৎসাহে। কিছু মনে করবেন না, আপনি ভীষণই ভালো চা বানান, তবে আমার পছন্দের পক্ষে বড় বেশি মিষ্টি। বাড়ির টাটা গোল্ড আমার বেটার লাগে।

অর্চিষ্মানের আবার অন্য মত। ও মনে করে পৃথিবীর সব খাবারকে আসলে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। বাড়ির খাবার আর রাস্তার খাবার। আমরা জোর করে এই ভাগটাকে অস্বীকার করতে চাই বটে, কিন্তু তাতে সত্যিটা মিথ্যে হয়ে যায় না। বাড়ির ভাত ডাল মাছের ঝোলের স্বাদ কিছুতেই রাস্তায় পাওয়া সম্ভব নয়। পাইস হোটেলেও নয়, দামি এথনিক দোকানের স্যানিটাইজড কলাপাতার প্লেটেও নয়। ঠিক তেমনি রাস্তার খাবারকেও বাড়ির রান্নাঘরে বেঁধে রাখা যায় না। ফুচকা, এগরোল, তেলেভাজা, ঘুগনি। অর্চিষ্মানের মতে এগুলো বাড়িতে বানানোর চেষ্টা করাটাই একটা ক্রাইম। এবং হ্যাঁ, চা-ও। সকালবেলা চোখ খুলে আরও একটা দিনের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মন শক্ত করতে কিংবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে আরও একটা দিন জীবন থেকে সরিয়ে দেওয়া গেল ভেবে নিজের পিঠ চাপড়ে দিতে যখন চায়ের দরকার পড়ে তখন রাস্তায় চা খুঁজতে বেরোনো যায় না। শুধু সে জন্যই বাড়িতে চায়ের ব্যবস্থা রাখা। না হলে এই ফিল্টার জলে বানানো শৌখিন পাতা চায়ের সাধ্য নেই রাস্তার কলের জলে বানানো চায়ের একটি ভাঁড়ের সঙ্গেও পাল্লা দেয়।

কাজেই আমরা আপনার দোকানে নিয়মিত যেতাম। দু’কাপ চা নেওয়া হত আর দু’খানা বিস্কুট। গোল গোল, খসখসে, হাল্কা মিষ্টি, তেলতেলে। বিস্কুটের ওপর কখনও কখনও বাদামপেস্তা বসানো থাকত, কখনও থাকত না। অর্চিষ্মান আরাম করে চা খেত, আমি চা-টা যেমনতেমন করে খেতাম আর আরাম করে বিস্কুটটা খেতাম। আমাদের সঙ্গে আরও অনেকেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেত। আশেপাশে আরও অনেক চায়ের দোকান ছিল, আরও অনেক চা-বিক্রেতা জং ধরা টিন দিয়ে ঘেরা উনুনের ওপর অ্যালুমিনিয়ামের ডেকচি চাপিয়ে এদিকওদিক বসে থাকতেন, তাঁদের মধ্যে দুয়েকজন অ্যাকচুয়ালি আপনার থেকে ভালো বই মন্দ চা বানাতেন না, কিন্তু আপনার দোকানেই সবথেকে বেশি ভিড় হত। দুর্জনেরা বলত, “তা হবে না? লোকেশনটা দেখেছ? বড় রাস্তা আর বাজারের ঠিক মধ্যবিন্দুতে, সি ব্লকের গেটের ঠিক মুখটায় যেখানে সিকিউরিটি গার্ডদের জটলা লেগেই আছে। আর রাজুর কপালও বটে। ঠিক ওইখানেই একটা ঝাঁকড়া গাছ উঠেছে্, গরমকালে দারুণ ঠাণ্ডা ছায়া দেয়। ভিড় তো হবেই। না হলেই আশ্চর্য।”

কিন্তু তারাও মনে মনে জানত যে কথাটা ঠিক নয়। গাছ বাজারে আরও অনেক ছিল, ব্লকও বিস্তর ছিল, পার ব্লক চারটে করে গেটও ছিল, সে সব গেটের মুখ আটকে চায়ের দোকান বসানো যাবে না এমন নিয়ম কোথাও লেখা ছিল না, থাকলেও সে নিয়মকে কাঁচকলা দেখালে কেউ কিছু বলার ছিল না।

কিন্তু আপনার যেটা ছিল বাজারশুদ্ধু আর কারও সেটা ছিল না। যেখানে আপনি দাঁড়াতেন ঠিক তার পেছনের দেওয়ালে আলকাতরার আঁকাবাঁকা অক্ষরে লেখা ছিল ‘রাজুর চায়ের দোকান’ আপনি জানতেন এই একফালি জায়গাটা একদিন একটা দোকান হয়ে উঠবে। আর কেউ না জানলেও আপনি সে কথাটা শরীরের রন্ধ্র রন্ধ্র দিয়ে জানতেন। আপনার সংকল্প ছিল।

সে সংকল্প সফল হয়েছে। সে গাছতলায় এখন রাজুর চায়ের দোকান রমরম করে চলছে। সিকিউরিটি গার্ডের ভিড় দেখিয়ে যে সব এলিটিস্ট নাক বেঁকাতেন তাঁরা এখন নিয়মিত আপনার দোকানে জটলা করছেন। সুটবুট পরা লোকেরা গাড়ি থামিয়ে আপনার দোকান থেকে চা কফি খাচ্ছে।


আমরাই খালি যাচ্ছি না। আপনার বাড়বাড়ন্ত দেখে আমাদের হিংসে হয়েছে বলে নয়। একদিন সকালে উঠে ‘সুরভি টেম্পু সার্বিস’ লেখা ম্যাটাডোরের মাথায় খাটবিছানা হাঁড়িকড়াই চাপিয়ে, ড্রাইভারের পাশের সিটে দু’জনে দুটো বালতি কোলে নিয়ে ঘেঁষাঘেঁষি করে বসে ওপাড়া থেকে এপাড়ায় চলে এসেছি বলে।

সেও দু’বছরের বেশি হয়ে গেল। একদিন অর্চিষ্মান কী কাজে ওদিকে গিয়েছিল, ফিরে এসে বলল আজকাল নাকি আপনি হট চকোলেটও বিক্রি করেন। কফির ওপর চকোলেটের গুঁড়ো ছড়িয়ে কাফে মোকার গ্লাস এগিয়ে দেন দেশবন্ধু কলেজ থেকে বেরোনো হেসে গড়িয়ে পড়তে থাকা ছেলেমেয়ের হাতে হাতে। ‘রাজুর চায়ের দোকান’ লেখা দেওয়ালটায় সারি সারি শেলফের ওপর নাকি নানারকম ব্র্যান্ডেড চা কফির শিশি সাজানো থাকে। আপনি নাকি এখন আর নিজে চা বানান না। অন্য কেউ বানায়, আপনি ঘুরে ঘুরে তদারকি করেন। গাছটারও কপাল ফিরে গেছে। গুঁড়িতে সাদা রং করে তাতে লাল হলুদ নীল কমলা ডিজাইন দিয়ে তার সৌন্দর্যবৃদ্ধি করা হয়েছে।

এই সেদিন দুজনেরই একসঙ্গে ওপাড়ায় যাওয়ার দরকার পড়েছিল। গিয়ে হঠাৎ আমাদের নস্ট্যালজিয়া চাগাড় দিয়ে উঠল। পুরোনো দোকান থেকে চানাচুর বিস্কুট কিনলাম। এই চানাচুরটা আমাদের খুব পছন্দের ছিল। নতুন পাড়ার নতুন দোকানের চানাচুরে মন বসাতে বেশ কষ্ট হয়েছিল মনে আছে। তারপর একজন সবজিওয়ালা, যাকে আমরা নিজেদের মধ্যে ‘ডাকাত’ বলে ডাকতাম, তাঁর কাছে গিয়ে দু’চারটে জিনিস কিনলাম। তিনি সাতটা পটল, চারটে টমেটো আর গোটা দশেক কাঁচালংকা একটা পলিথিনে ঢুকিয়ে মোটা গলায় “সত্তর টাকা দিন” বলে ধমক দিলেন। ধমক খেয়ে আমাদের হাঁটু কাঁপতে লাগল, আমরা তাড়াতাড়ি সত্তর টাকা দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে এসে আপনার দোকানে ঢুকে পড়লাম।

আপনি ছিলেন না। একজন ভদ্রমহিলা দোকানের তদারকি করছিলেন। একটা কুকুর গাছের গুঁড়ির নিচে হাত পা ছড়িয়ে ঘুমোচ্ছিল। কথা বলতে বলতে আমাদের গলা সামান্য চড়ে গিয়েছিল বোধহয়, সে একবার বিরক্ত চোখে আমাদের দিকে তাকিয়ে একটা নোংরা থাবা চোখের ওপর ঢাকা দিয়ে শুল।

আমরা চা অর্ডার করলাম। আগে আট টাকা করে কাপ ছিল, এখন দেখলাম দশ টাকা হয়েছে। দেওয়ালের শেলফের দিকে অর্চিষ্মান চোখ নাচাল। দেখলাম থরে থরে নেসক্যাফে কফির নতুন শিশি। একটা টিনের গায়ে লেখা লপচু, আরেকটার মকাইবাড়ি। চোখ নামিয়ে আনলাম। উনুনের পাশে একটা বয়ামে ম্যাকভিটিস-এর ডাইজেস্টিভস রাখা।

আমি বললাম, “ওই বিস্কুটগুলো নেই? গোল গোল?”

ভদ্রমহিলা প্রথমেই সপাটে “না” বলে দিলেন। তারপর কী মনে করে নিচু হয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে একটা প্যাকেট বার করে আনলেন। নামহীন চৌকো প্লাস্টিকের ভেতর গোল গোল নানখাটাই বিস্কুট সারিসারি সাজানো।

“একটাই ছিল।”

কাঁচি দিয়ে প্যাকেট কেটে একটা বিস্কুট আমার দিকে এগিয়ে দিলেন ভদ্রমহিলা। আমি বললাম, “আরেকটা নেব।”

তখনই ছেলেটা এল। বয়স তিরিশের নিচেই হবে। লম্বা, পেটানো চেহারা। হাতকাটা টি শার্টের ওপর থেকে বোঝা যাচ্ছিল নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যেস আছে। পায়ে টিকচিহ্ন দেওয়া রানিং শু। ছেলেটার চোখ ঘুম ঘুম। চা খেয়ে ঘুম কাটিয়ে ছুটতে বেরোবে বোধহয়। ছেলেটা বলল, “আন্টি, এক গ্রিন টি দেনা প্লিজ।”

আন্টি জিজ্ঞাসা করলেন, “চিনি হবে?”

“নেহি নেহি, নো সুগার।”

ছেলেটা একটা জাম্বো সাইজের কাগজের গ্লাসে করে চিনি ছাড়া গ্রিন টি-তে চুমুক দিতে থাকল। আমি ছেলেটার ঠিক সামনের চেয়ারে বসে বিস্কুট খেতে থাকলাম। বিস্কুটের সস্তা ডালডায় আমার আঙুলের ডগাগুলো ঘেমে উঠতে লাগল।

আমার কেন যেন মনে হচ্ছে রাজু, আর বেশিদিন আপনার দোকানে নানখাটাই পাওয়া যাবে না। সে জন্য আমি আপনাকে দোষ দিচ্ছি না। সত্যি, মকাইবাড়ি আর লপচু চায়ের সঙ্গে ও জিনিস যায় না। গ্রিন টি তো ছেড়েই দিলাম।

আপনি সবার থেকে সবসময় এগিয়ে থাকেন, রাজু। সময়ের থেকে এগিয়ে থাকেন। আর সে জন্যই আমার চিন্তা হচ্ছে। আর কিছুদিন পর হয়তো সব গাছের তলার দোকান থেকেই নানখাটাই উধাও হয়ে যাবে। স্বাস্থ্যসচেতন ব্যায়ামবীরেরা ভিড় করে গাছতলায় বসে গ্রিন টি-তে চুমুক দেবে। হয়তো চা-হীন জীবন কল্পনা করতে পারে না বলে নয়। হয়তো স্রেফ ওজন কমাবে বলে। বিস্কুটের নাম শুনলেও তাদের ব্লাডপ্রেশার বেড়ে যাবে। ডালডায় চোবানো নানখাটাইয়ের কথা ছেড়েই দিলাম।

আপনি এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কেন আমি যা করেছি সেটা আমাকে করতেই হত। কেন আমাকে ইন্টারনেট থেকে রেসিপি দেখে বাড়িতে নানখাটাই বানাতেই হত। কেমন হয়েছিল সে কথা নিজের মুখে বলার স্পর্ধা আমার নেই। স এসেছিল, ও একটা বিস্কুট খেয়ে এমন সুখ্যাতি করল যে আমি জোর করে ওকে আরেকটা বিস্কুট খাওয়ালাম। আফসোস হচ্ছিল, আরেকটু বেশি করে বানালে ওর বাচ্চাদুটোর জন্য দিয়ে দেওয়া যেত। পরেরবার আর ভুল হবে না।


আমিও খেলাম। ভয়ে ভয়ে একটা বিস্কুট হাতে তুলে কামড় বসালাম। আর যেই না বসালাম অমনি আমার এই চার দেওয়াল, এই খাটের ওপর, এই ফ্যানের তলা, এই টিভির সামনেটা ছাপিয়ে একটা গাছের তলার কথা আমার মনে পড়ে গেল। মনে পড়ে গেল সে গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে এতক্ষণে রোদ এসে পড়েছে, সে রোদে পিঠ পেতে শুয়ে আছে একটা প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কুকুর, ডেকচিতে চা পুরীর সমুদ্রের মতো ফুঁসছে। আপনি বা আপনার কোনও প্রিয়জন উনুনের সামনে দাঁড়িয়ে, একটা ভীষণ বড় ভীষণ কালো ছাঁকনি ডেকচির মধ্যে ক্রমাগত ডুবিয়ে আর উঠিয়ে সেটাকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। গাছের তলায় প্রচণ্ড আড্ডা জমেছে, চারপাঁচজন হাত পা মাথা নেড়ে নেড়ে মমতা ব্যানার্জির মুণ্ডপাত করছে, তাদের একজনের গায়ে আবার ইস্টবেঙ্গলের জার্সি।

আমি সত্যি বলছি রাজু, একমুহূর্তের জন্য গাছতলাটার জন্য বুকটা হু হু করে উঠেছিল।

আপনার দোকান দিনে দিনে চন্দ্রকলার মতো বাড়ূক, আপনার জীবন ক্রমে পূর্ণতার থেকে পূর্ণতরতার দিকে এগিয়ে যাক, সমস্ত অন্তঃকরণ দিয়ে এই কামনা করি।

ইতি,
আপনার একান্ত গুণমুগ্ধ একজন অনুরাগী



31 comments:

  1. bah thriller hoye gelo to golpo ta :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা, তাই নাকি?

      Delete
  2. Aajkal shotti oi unoon er opor chaa hocche ar dekha jaye na. Ekta chaka lagano thakto ar gongone aguner er taap er ekta mishti sugondho ... chotobelaye dekhechilam.
    Eyi ko din agey ekta goli diye jawar shomoye dekhlam "Bhatti ki chai" lekha ache ar oi unoon ... charidike agun choriye gongon kore jolche.
    Kintu eto bhir je gari theke ar nama holo na ... kache jawa o holo. Kintu ekdin giye sheyi sugondho buk bhore niye ashbo ar ek cup cha o khabo ... eyi bhebe rekhechi.
    Darun laglo lekha ta pore Kuntola! :-)

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধন্যবাদ, শর্মিলা। আমার খুব ভালো লাগল জেনে।

      Delete
  3. ami koyek bar butter cookie try korechhi..tobe khali maida (ektu chhatu r atta meshano). khete bhalo hoy kintu kono ek ogyato karone ektu shokto hoye jay..... :( dekhi, ghee diye ekbar try korbo..

    ReplyDelete
    Replies
    1. অনেকে দই ব্যবহার করেন এ সমস্যা এড়ানোর জন্য। আপনি করে দেখতে পারেন।

      Delete
  4. রাত কো দো বজে রুলা দিয়া তু নে।

    ReplyDelete
  5. biscoot, cup, tray aar lekha shob kotai jabbar hoyechey :)

    ReplyDelete
    Replies
    1. থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ, শম্পা।

      Delete
  6. Chhobi, biscuit ar lekha ... sobi daruuun . Ar recipe dekhlam... dekhi chesta kore

    ReplyDelete
    Replies
    1. দন্যবাদ, ইচ্ছাডানা। রেসিপিটা ট্রাই করে দেখতে পারেন।

      Delete
  7. Bhari bhalo laglo lekhata. Mon chhNuye gelo khub i. Pratita muhurto mon kemon kora. Hariye jete chola kono muhurto ke dhore felar moto.

    -Sayan

    ReplyDelete
    Replies
    1. থ্যাংক ইউ, সায়ন। আপনার এত ভালো লেগেছে জেনে আমারও ভীষণ ভালো লাগল।

      Delete
  8. are oi green tea freen tea sob lok dekhano! dekho giye barite lukiye lukiye full fat milk ar 2 hmoch chini diye cha khachhe. jobbor lekha!

    ReplyDelete
    Replies
    1. হাহা, সেটা হলে তো ভালোই, কাকলি।

      Delete
  9. যেই মুহুর্তে গাছের ফাঁক দিয়ে রোদ এসে সবকিছু ভিজিয়ে দিল, সেইটে বড় সুন্দর |

    ReplyDelete
    Replies
    1. সত্যি সত্যি সে রোদটা ভীষণ সুন্দর ছিল, হংসরাজ।

      Delete
  10. ফুচ্‌কা ইত্যাদি নিয়ে অর্চিষ্মানের মতটা এক্কেবারে ঠিক। আমি ওর পক্ষে দুটো হাতই তুলব।

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে মালবিকা যে, কেমন আছেন? অর্চিষ্মান শুনলে খুব খুশি হবে।

      Delete
  11. Akdom sotti , rastar khabarer byapar ta... Oi dhulo , moila , pollution ar na dhoya haat... Egulo je extra spice ta add kore ota tui pabi kothai ? Boro boro jaigai banano hygenic fuchkai ki ar rastar taste pawa jai ?? But , tui ki korchis re... Nankhatai banali ? Tui toh extraordinary radhuni hoye gechis re !!! Dekhteo khasa hoyeche...

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধুস, কী যে বলিস, ভট্টা। বছরে একবার এ সব কায়দা না করে রোজ ডালভাত রাঁধাটাই আসল কৃতিত্বের।

      Delete
  12. Alipurduar... Kolkata... Dilli .. Assam ei sob kota jaygar sob cha dada der kotha eksathe mone pore galo

    ReplyDelete
    Replies
    1. বাঃ, এক জীবনে এত জায়গার চা খাওয়াটা কিন্তু বেশ বলার মতো ব্যাপার, হীরক।

      Delete
    2. aro j ko ghater cha khete hoy didi

      Delete
  13. Tumi Nankhatai barite banalo? Ei tupi tullam!

    ReplyDelete
    Replies
    1. আরে ধুর, রুণা, এটা টুপি খোলার মতো ব্যাপার হল? রোজ ডালভাত রাঁধলে তাও না হয় একটা কথা ছিল।

      Delete
  14. Khub bhalo lekha Kuntala.. bhalo lagar prodhan karon ami ei rastay cha khawa byaparta etoi miss kori je ki bolbo, roj bhabi barite jokhon cha khai. barir so-called "bhalo healthy" cha o jemon bhalo lage, rastar oi beshi dudh chini dewa saradin futie rakha cha o asadharon lage... tai ami Archishman er songe ekkebare ekmot rastar khawar r barir khawar byapare. monehoy barir khabar-dabar e ari-bari gondho thake ekta.. Bratati. amio prothom baar brownie banie khub ulloshito hoechhiam, tarpor kopal thuke nankhatai banie to darun khushi hoechhilam, but oi ekbar i :(, ekhon sudhui brownie banai nije na kheleo..

    ReplyDelete
    Replies
    1. অর্চিষ্মান নিজের দলে এত লোক পেয়ে খুবই আনন্দিত হবে, ব্রততী। ব্রাউনি আমিও বানাব ভাবছি, দেখি কবে হয়।

      Delete
  15. khub bhalo lekhata... ar recipe er page e nankhatai er theke tomar ta dekhe besi khete icche korche..

    ReplyDelete
    Replies
    1. থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ, ঊর্মি।

      Delete

 
Creative Commons License
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.