কফি শপ ৪ঃ রা
রা-এর সঙ্গে অধিকাংশ দিন কথা হয়। যেদিন হয় না, একে অপরকে হাত তুলে সংকেত দেওয়া হয় আমি তোমাকে দেখলাম, তোমার আমাকে দেখারও প্রাপ্তিস্বীকার করলাম। রা পাঞ্জাবী মেয়ে, যোগব্যায়ামের দিদিমণি। রেগুলার যোগসাধনার পরিণতি রা-কে দেখে বোঝা যায়। একটা জলজ্যান্ত ধ্যান যেন সাউথ দিল্লির ঢিকচিক ঢিকচিক ভাংড়ামিক্সের মধ্যে দিয়ে চলেছে। রা-এর কথা দাঁড়িকমাশুদ্ধু শুনতে হলে আমাকে রেগুলার গলা বাড়িয়ে মুণ্ডু প্রায় ধড় থেকে আলাদা করে ফেলতে হয়। জীবনের যাবতীয় প্রত্যাখ্যাত প্রেমের ইজাহারও আমি ওর থেকে বেশি ডেসিবেলে করেছি। রা-এর হাঁটা ওপর ওপর দেখলে নর্ম্যাল - এ পায়ের গোড়ালি থেকে আঙুল, আবার ও পায়ের গোড়ালি থেকে আঙুল। সবাই যে রকম হাঁটে। কারণ হিউম্যান অ্যানাটমি ওই রকম হাঁটার জন্যই উপযোগী। কিন্তু অ্যানাটমি তো বাঁশ খড় মাটি। একই বাঁশ খড় মাটি দিয়ে বাগবাজারও হচ্ছে, কলেজ স্কোয়ারও হচ্ছে। আমিও হয়েছি, দীপিকা পাড়ুকোনও হয়েছেন। তেমনি রা আর আমার হাঁটার শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সিমিলার এবং সিমিলারিটির ওখানেই শেষ। দূর থেকে আমাকে আসতে দেখলে মনে হবে মফঃস্বলী মেলায় বেঁকেচুরে যাওয়া বেলুন মানুষ। প্রতি পদক্ষেপে চটি ছিটকে যাচ্ছে। শরীরের অণুপরমাণুরা কেন্দ্...