দ্য কফি শপ, সাকেত
পি ভি আর অনুপম, সাকেত চত্বরের 'দ্য কফি শপ'-এ গিয়েছিলাম আগের সপ্তাহে।
সাধারণত কফির দোকানে গেলে অর্চিষ্মান কফি খায় (ক্যাপুচিনো, প্রত্যেকবার)। আমি চা (ইংলিশ ব্রেকফাস্ট কিংবা দার্জিলিং, ক্বচিৎ কদাচিৎ আসাম)। কিন্তু এঁদের মেনুতে কফির ছবি দেখে আমার লোভ হল। আমি নিলাম হ্যাজেলনাটের গন্ধওয়ালা কফি। অমনি দেখি অর্চিষ্মান মেনু মুড়ে বলছে, আমি বাবা আসাম চা খাব। বুঝলাম পছন্দঅপছন্দটা কথা নয়। চা-কফির ব্যাপারে ও আমার টিমে খেলবে না, সেটাই হচ্ছে কথা।
আমি কফির গুণবিচারী নই। শুধু হৃদয়খানা সুন্দর ফুটেছিল আর গন্ধও বেরিয়েছিল ভারি ভালো।
'দ্য কফি শপ' নামটা মিসলিডিং। ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করে স্যালাড, পাস্তা, পিৎজা, ডেজার্ট সবই পাওয়া যায় দোকানে। আমরা অবশ্য এগুলোর একটার জন্যও যাইনি। আমরা গিয়েছিলাম এদের মেনুর ইন্টারনেট-খ্যাত ‘হিমালয়ান ব্রেকফাস্ট’ খেতে। সেটা এক প্লেট অর্ডার করা হল।
আর পুলড পর্ক স্যান্ডউইচ এক প্লেট।
পর্ক স্যান্ডউইচ ভালো খেতে কিন্তু আরও ভালো খেতে হচ্ছে হিমালয়ান ব্রেকফাস্ট। এতে থাকে তিব্বতি রুটি, আলুর তরকারি, গোর্খা আচার আর নন ভেজের অংশ হিসেবে মসালা অমলেট আর সসেজ ক্যাপসিকাম ফ্রাই।
আমি যদি আর কখনও 'দ্য কফি শপ'-এ যাই আর হিমালয়ান ব্রেকফাস্ট অর্ডার করি তাহলে নিরামিষ সংস্করণটা করব। কারণ সসেজ ফ্রাই আর অমলেট খেতে চাইলে অর্ডার করেই খাওয়া যায়। ননভেজ বানানোর জন্য হিমালয়ান ব্রেকফাস্টে সসেজ আর অমলেট জোড়ার আইডিয়াটা ছেঁদো।
বেসিক্যালি আমি খাব হাতে গড়া মোটা মোটা, নরম নরম, গরম গরম রুটি আর আলুর তরকারি। আল দেন্তের থেকেও নরম আলুর গায়ে জড়িয়ে থাকবে প্রায় অদৃশ্য হয়ে যাওয়া টমেটো, ধনেপাতা আর ফোড়নের সর্ষে। তিন আঙুল দিয়ে রুটি ছিঁড়ে আলুতে পেঁচিয়ে মুখে পুরব। পোরার আগে আচার একবার ছুঁইয়ে নিলেও হয়, নাও হয়। এ জিনিস এমনিই উঠে যায়, মুখশুদ্ধির ঠ্যাকনা ছাড়াই। মুখে পুরে চোখ বুজে চিবোব আর ভাবব রুটি আলুর তরকারির বদলে টিফিনে চাউমিন দেওয়ার জন্য অফিসটাইমে মাকে ঝুলোঝুলির প্রায়শ্চিত্তটা কীভাবে করব কে জানে।
বেরোনোর আগে আরেক কাপ কফি তো লাগবেই। বিশেষ করে বাইরের চেহারাটা যদি এরকম হয়ে থাকে।
যাঁরা কাছাকাছি থাকেন তাঁরা যাওয়ার কথা ভেবে দেখতে পারেন। এখান থেকে বিশদে জেনে নিন।
Ki bhalo. Ki bhalo. Himalayan Breakfast shunei mon ta pahare chole gelo. Sikkim ki HP te ei jinis pawa jaye? Sikkim e to kothao chokhe poreni.
ReplyDeleteদেখো কুহেলি, রুটিটা ছাড়া (আর হয়তো আচারটাও) বাকিটুকু তো স্বাভাবিক আলুর তরকারি। কাজেই সর্বত্রই এ জিনিস পাওয়া যাওয়া উচিত। আমি তো এবার ঠিক করেছি পাহাড়ে বেড়াতে গেলে এক্সোটিক জিনিসপত্র না খেয়ে রুটি তরকারিই খাব।
DeleteKi bhalo , ki bhalo :):)
ReplyDeletebah , dekhei jive jol
ReplyDeleteতিন্নি, প্রদীপ্ত, জিনিসটা খেতে আরও অনেক বেশি ভালো।
ReplyDeleteuff ki je lov laglo.. ei ruti tar naam mone hocche balep/phalep. ei ruti torkari just amrito. tinchuley te kheyechi.. sillerygaon teo ei rokom torkari diye ruti kheyechilam.. tomar ager post er sutro dhore bolchi.. ei ruti torkari er pic dekhe amar ajker dinner mutton bhat khete iche korche na.. etai khete chai.. haha... kolkatay khujte hobe kothao.. sobsomoy to pahar jawa hocchena.. :(
ReplyDeleteপাহাড়ে গেলে আমিও এবার থেকে খালি রুটি তরকারি খাব, ঊর্মি।
Deleteoi tibbati ruti ar sathe oi exact torkari...kheyechi pahar ei khwawa.......khub khub e bhalo khete...
ReplyDeleteprosenjit
প্রসেনজিৎ, সমতলে মলের দোকানে বসে খেতেই এত ভালো লেগেছে, পাহাড়ের ঢালে বসে খেতে না জানি কত ভালো লাগবে।
Deleteইংলিশ ব্রেকফাস্ট আর দার্জিলিং চা - দুটোতো একদম দুরকমের দি - একটা বেশ তেতো আর একটা মোলায়েম। আর পরের বার হ্যাজেলনাট দিলে এর সাথে একটা ফ্রেঞ্চ ভ্যানিলাও অ্যাড করে নিও - আরও খোলতাই হবে ব্যাপারটা।
ReplyDeleteতা করা যায়, আবির।
Delete