চন্দ্রবিন্দু আর সাপ্তাহিকী
এভরিবডির কথা জানি না, আমার তো দরকারই। উৎস প্রত্যেক বছর গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীতেই এ ধরণের বিস্ময় প্রকাশ করে থাকি হয়তো, কিন্তু এ বছরের দিল্লিতে বর্ষাকালটা, সত্যি, সত্যি অদ্ভুত। ইন ফ্যাক্ট, দিল্লির সঙ্গে বর্ষাকাল শব্দটা এক বাক্যে ব্যবহার করাটাই যথেষ্ট অদ্ভুত। কিন্তু এ অদ্ভুত সে অদ্ভুতকে ছাপিয়ে গেছে। এখন ঘড়িতে সকাল আটটা আটান্ন এদিকে বাইরে এমন অন্ধকার যে ঘরের লাইট নেভালে অর্চিষ্মানের ব্যাকলাইটহীন কি-বোর্ড পড়া যাচ্ছে না। একই সঙ্গে মন ভালো আর খারাপ করে দেওয়া এরকম জাত বৃষ্টির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে আমরা আজ স্পিকারে চন্দ্রবিন্দু চালিয়েছি। আর হুড়মুড় করে সেই দিনগুলো ঘরে ঢুকে পড়েছে যখন আগুপিছু না দেখে প্রেমে পড়তাম, ডান বাঁ না ভেবে কথা বলতাম (এখন ভেবেচিন্তে বলেও অবশ্য সুবিধে কিছু হচ্ছে না। ক্রমেই নিশ্চিত হচ্ছি টোটাল মৌনই একমাত্র রাস্তা।) আর বুকের মধ্যে সিরিয়াস, সিরিয়াস সন্দেহ পোষণ করতাম চন্দ্রিল ভট্টাচার্যের গান, লেখা, কথা, ইন ফ্যাক্ট স্বয়ং চন্দ্রিলকেই কি কেউ তেমন করে বুঝতে পারে যেমন করে আমি পারি? ***** I am astounded whenever I finish something. Astounded and distress...