লালকালো
এই
পৃথিবীতে আমি যে দু’নম্বর মানুষটিকে ‘মা’
বলে ডাকি, এবং এক নম্বর মায়ের সঙ্গে কনফিউশন
এড়ানোর জন্য যাঁকে এখনও 'আপনি' বলে সম্বোধন করি, তাঁর
গুণের কথা লিখতে গেলে এই পোস্টের শব্দসীমা ফুরিয়ে যাবে। মায়ের অসংখ্য গুণ আছে।
রূপের মতো গুণও যে দেখে তার দেখার ওপর নির্ভর করে। আমি আজীবন প্রবল পরাক্রমশালী, সংগ্রামী লোকজনের মধ্যে থেকে বড় হয়েছি, তাই মায়ের অবলীলায় নিজের
জায়গা ছেড়ে দেওয়ার গুণটাকেই আমার সবথেকে আশ্চর্যের মনে হয়।
অবশ্য এর সঙ্গে খুব কাছাকাছিই থাকবে মায়ের ভুলে যাওয়ার গুণ। অন্যমনস্কতাকে মা একটা আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। মায়ের ভুলোমনের এত গল্প আছে যে তার বেশিরভাগ আমি নিজেই ভুলে গেছি। যেটা মনে আছে সেটা বলি। আশা করি মা রাগ করবেন না, করলেও সেটা ভুলে যাবেন চটপট।
এক গ্রীষ্মের দুপুরে মা গিয়েছিলেন ছাদ থেকে কাপড়জামা তুলতে। গিয়ে দেখেন রোদের তেজে চোখ খুলে তাকানো যাচ্ছে না, পায়ের পাতা কংক্রিটের মেঝেতে পাতা যাচ্ছে না। মা ভয় পেয়ে দৌড়ে নিচে নেমে এলেন। পায়ে হাওয়াই চটি গলালেন, হয় নিজেই বুদ্ধি খাটিয়ে নয়তো কারও পরামর্শ মেনে চোখে সানগ্লাস চড়ালেন। কবচকুণ্ডল পরিহিত হয়ে মা আবার ছাদের দিকে রওনা দিলেন।
এবার কাজ হল। ছাদ থেকে হাত ভর্তি জামাকাপড় নিয়ে নেমে এলেন মা। নামতে নামতে বললেন, “ভাগ্যিস কাপড়গুলো তুলে আনলাম। এই দেখলাম রোদ, আবার এই দেখি ঘন মেঘ করে এসেছে। ঢালবে মনে হচ্ছে।”
মায়ের আরেকটা গুণ হচ্ছে বাংলা শব্দ, কবিতার লাইন অসম্ভব লাগসই ভাবে রোজকার কথাবার্তার মধ্যে গুঁজে দিতে পারা। এই যেমন দিদিমা যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন অনেক সময় তাঁর পরীক্ষানিরীক্ষা বাড়িতেই করানো হত। একদিন মা বললেন, "আজ সন্ধ্যেবেলা লাঠিসোঁটা নিয়ে এক্সরে করতে আসবে।" আমি হলে বলতাম ‘লটবহর’, তাতে মেশিনপত্র ইত্যাদি বোঝানো হত, কিন্তু মা যে বললেন 'লাঠিসোঁটা', এতে মেশিনপত্রের সঙ্গে সঙ্গে এক্সরে কর্তৃপক্ষের মারমুখো ওস্তাদির ভাবটাও পরিস্ফুট হল। সেদিন থেকে আমি কথায় কথায় ‘লাঠিসোঁটা’ শব্দটা ব্যবহার করার চেষ্টা করছি, কিন্তু মায়ের মতো লাগসই হচ্ছে না। আরেকদিন মা বললেন, “ওরে বাবা কুন্তলা, আজ সন্ধ্যেবেলায় একটা ভয়ানক ব্যাপার হবে।” শুনলাম, দৈনিক জীবননির্বাহের জন্য বাবামা যেসব মানুষের ওপর ভরসা করে থাকেন তাঁদের একজন একটি গর্হিত দুষ্কর্ম করেছেন। আজ সন্ধ্যেবেলা তিনি আসবেন। বাবা ঠিক করে রেখেছেন যে এলে তাঁকে কড়া করে বকে দেওয়া হবে। পরদিন আবার ফোনে কথা হওয়ার সময় আমি জিজ্ঞাসা করলাম, "কাল কী হল, মা?" মা হাসি হাসি গলায় বললেন, “কী আর হবে, যা হওয়ার তাই হল, ‘মশলা খাবি’ দিয়ে সব শেষ হল।” বুঝলাম, বকাবকি কিছুই হয়নি, হৃদ্যতাপূর্ণ রূপেই ফয়সালা হয়েছে। আরও নানা বিষয়ে কথা শেষ হওয়ার পর ফোন ছাড়ার আগে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “মা, ওই যে কী বললেন, ‘মশলা খাবি’ ওটা কী ব্যাপার?” মা বললেন, “আরে ওই যে ওই কবিতাটা মনে নেই? ‘মিথ্যে কেন লড়তে যাবি? ভেরি-ভেরি সরি, মশলা খাবি?’” কবিতাটা আমার মনে খুবই ছিল কিন্তু তার এইদুটো লাইনকে যে এমন সুন্দর ভাবে প্রয়োগ করা যায় সেটা জানা ছিল না। সেই থেকে আমাদের সংসারের আকাশের কোণে মেঘের ছায়া দেখা দেওয়া মাত্র আমি এই লাইনদুটো চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে আবৃত্তি করছি, আর অমনি মেঘটেঘ উড়ে গিয়ে আকাশ ফর্সা হয়ে যাচ্ছে।
আরেকদিন কথায় কথায় মা বললেন, “রাঙামুখো বজ্জাতে করে অপমান/ গরল ভখিব আমি তেজিব পরান।” আমি বললাম, “বা, লাইনখানা তো বেশ, কোত্থেকে শিখলেন মা?” মা খুব অবাক হয়ে বললেন, “ওমা সেকী, লালকালো পড়নি? সেই যে ‘চিচ্চিড়িঙ্গা তু ফড়িঙ্গা/ মেরে সাথ তু লড়েঙ্গা?’” ফোনের এ প্রান্তে আমার হাঁ করা নীরবতা শুনে মা চেঁচিয়ে বাবাকে বললেন, “শুনছ? বধূমাতার জন্য এক কপি লালকালো কিনে রাখতে হবে, পরের বার এলে দিয়ে দেব।”
পরের বার গিয়ে গয়নাগাঁটি, জামাকাপড়, বিলিতি চকোলেটের বাক্স ইত্যাদি আরও বিবিধ লুটের মালের সঙ্গে নতুন এক কপি ‘লালকালো’ নিয়ে বাড়ি ফিরেছি। জামাকাপড় গয়নাগাঁটি আলমারিতে ঢুকে গেছে, চকোলেটের বাক্স স্লো বাট স্টেডি লয়ে খালি হয়ে চলেছে কিন্তু লালকালো শেষ হয়েছে প্লেন দমদমের মাটি ছাড়া আগেই।
তার গৌণ কারণ হচ্ছে ‘লালকালো’ একটি রোগাপাতলা বই, কিন্ত মুখ্য কারণ হচ্ছে যে 'লালকালো' একবার ধরলে শেষ না করে ছাড়া যায় না। কেন যায় না, সেটা বইটার প্লট নিয়ে আলোচনা করলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।
ঘোষেদের পুরনো ভিটের ধারে ডোবা, ডোবার এদিকে কালো পিপীলিদের, ওদিকে লালপিঁপড়েদের রাজত্ব। একদিন কালো পিপীলিদের রানির পেয়ারের সখী কালো বউ গেছে ডোবায় জল ভরতে, আর ওদিক থেকে এক বখাটে লাল পল্টন ফুট কেটেছে। ‘কালো বউ কালোকোলো/ জলে ঢেউ সামলে চোলো।’ ব্যস, অমনি কালো বউ কালো পিপীলিদের রানিকে গিয়ে নালিশ করল, রানি গোঁসাঘরে গিয়ে দোর দিলেন।
খেলে না চিনি,
খেলে না গুড়,
খেলে না মধু
মাছের মুড়।
কালো
রাজা উপায়ান্তর না দেখে লালদের রাজ্য আক্রমণের নির্দেশ দিলেন। লালেরাও
যুদ্ধবিদ্যেয় কম যেত না, তারাও হই হই করে কালোদের ঘাড়ে চড়াও হল।
সাজে সাজে সাজে রে রঙ্গিলা পিঁপিড়ি,
বাজে কাড়া-নাকাড়া ডা ড়া ড়া, ডি ড়ি ড়ি।
লালেরা
কালোদের থেকে বেশি তেজীয়ান ছিল, কিন্তু
কালোরা ছিল বন্ধুবৎসল। তারা দলে অনেক ভালো ভালো লোক পেল। প্রথমেই এলেন বিকটমূর্তি
ডেয়ে জল্লাদ। তিনি কালোদের বাসায় ঢোকার গর্তের মুখে বিকট হাঁ করে চোখ পাকিয়ে বসলেন।
তারপর এলেন বিজ্ঞ গিরগিটি। তারপর কালোরা দলে পেল উচ্চিংড়ে আর কটকটি ব্যাঙকে। ওদিক থেকে লালেরাও গড়গড়ি সাপকে জোগাড় করে আনল। তারপর শুরু হল বিষম যুদ্ধ।
পিঁপিড়া কাঠ
ভরিল মাঠ
দেখিয়া ডেয়ে
আসিল ধেয়ে,
ডেয়ের দল
অতি প্রবল
নাড়িয়া শুণ্ড
হাঁ করি মুণ্ড
বিকটাঘাতে
শত্রুনিপাতে।
বিষম ক্রুদ্ধ
বাধিল যুদ্ধ।
ডেয়ের কাণ্ড
অতি প্রচণ্ড,
ধরিয়া ঘাড়ে
মুণ্ড না ছাড়ে,
কাটের মুণ্ড
খণ্ড বিখণ্ড
টানিয়া আনে,
মারে রে প্রাণে।
কাটের রিষ
ঢালিল বিষ,
বিষের লালা
বিষম জ্বালা
সহ না যায়,
মৃত্যু যে তায়;
পালাল ডেয়ে
পাছে না চেয়ে।
'লালকালো'র
একটা বেজায় ভালো ব্যাপার হচ্ছে যে ছোটদের জন্য লেখা হচ্ছে বলে কিছু রেখেঢেকে বলা
হয়নি। ওপরের ভয়ানক যুদ্ধের বর্ণনা তার প্রমাণ। এছাড়াও আরও অনেক লাইন আছে ‘লালকালো’তে যেগুলো পড়লে
বিজ্ঞানসম্মত উপাযে বাচ্চা বড় করনেওয়ালারা আঁতকে উঠে কানে হাত চাপা দিতে পারেন। “ডেয়ে জল্লাদ এক কামড়ে লাল ডেঁপোর মুন্ডু কেটে নিলে” “ডেয়েরা লালেদের ধরে ধরে দু-টুকরো করে ফেললে” ইত্যাদি ইত্যাদি।
কারণ ‘লালকালো’র লেখক জানতেন ছোটদের আসলে অত আতুপুতু করে রাখারও দরকার নেই, তারা নিজেরা যথেষ্ট নিষ্ঠুর হয়, এবং ভায়োলেন্স সহ্য করতে পারে। শুধু ছোট কেন, বড়দের মনোজগত সম্পর্কেও আর পাঁচজনের থেকে বেশি খবর রাখতেন শ্রী গিরীন্দ্রশেখর বসু। তিনি ছিলেন আধুনিক মনস্তত্ত্ববিদ্যার একজন ডাকসাইটে অধ্যাপক এবং গবেষক। ‘ভারতীয় মনঃসমীক্ষা পরিষদ’ আর ‘লুম্বিনী পার্ক’ নামে দুটি মানসিক চিকিৎসার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাও করেছিলেন। পাশাপাশি পাণ্ডিত্য ছিল দর্শন শাস্ত্রে। দর্শন, মনস্তত্ত্ব নিয়ে বাংলা ইংরিজি দুই ভাষাতেই অনেক লেখাপত্র আছে গিরীন্দ্রশেখরের।
এতসব কাজকর্মের জন্য কিংবা শুধু ‘লালকালো’র রচয়িতা হিসেবেই বাংলাদেশে বিখ্যাত হতে পারতেন গিরীন্দ্রশেখর বসু, কিন্তু তিনি বিখ্যাত আরেকটি কারণে। তিনি পরশুরাম, শ্রী রাজশেখর বসুর ভাই। এই তথ্যটা জানা ছিল বলেই বোধহয় ‘লালকালো’ পড়তে বসে খালি রাজশেখর বসুর লেখার সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছিলাম। একটা প্রধান মিলের জায়গা হচ্ছে তাঁদের দু’জনের লেখাতেই স্বচ্ছন্দ দেহাতি হিন্দির ব্যবহার। সেটা অবশ্য স্বাভাবিক, কারণ দুই ভাইয়ের ছোটবেলা কেটেছিল দ্বারভাঙ্গায় এবং ফার্স্ট ল্যাংগোয়েজ হিসেবে তাঁরা শিখেছিলেন হিন্দি, বাংলা নয়। যুদ্ধজয়ের পর কটকটি ব্যাংকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বিগ্ন উচ্চিংড়েরা যখন গান ধরেছে,
কাঁহা গেইলই বেঙবা কাঁহা গেইলই হো
এহন্ সুন্নর্ বেঙ কাঁহা পাইবই হো,
ঝুমুর ঝুমুর ঝুমুরি
রি রি রি
আরে ফুদ্দি চিড়ইয়াঁ বোল মোরে কো
লে গইল বেঙবা কাঁহা গেইলই হো
রি রি রি
ঝুমুর ঝুমুর ঝুমুরি
ঝম্ ঝম্ ঝম্
আর
সে করুণ গান কানে যেতেই যখন কটকটি ব্যাং গলা ফুলিয়ে হাঁকলেন,
কট্ কট্ কট্ কট্ কোঁ
হাম্মে ইধর হো।
তখন
‘ভূশণ্ডীর মাঠ’-এর সেই কারিয়া পিরেতের গানের কথা মনে পড়ে যেতে বাধ্য।
আরেকটা বিরাট মিলের জায়গা হচ্ছেন যতীন্দ্রকুমার সেন। যিনি সাদাকালো ছবি দিয়ে পরশুরামের গল্পের সঙ্গে অবিস্মরণীয় সংগত দিয়েছিলেন, তিনিই ‘লালকালো’র ছবি এঁকেছেন। উনিশশো তিরিশে প্রথম প্রকাশের সময় ‘লালকালো’র ছবি ছিল উজ্জ্বল লালহলুদসবুজকালো। 'ভারবি' প্রকাশন থেকে যে নতুন সংস্করণ বেরোচ্ছে তাতে কেবল প্রথম আর শেষের দুটি ছবি রঙিন, বাকি সব সাদাকালো। তাতেও যুদ্ধযাত্রারত লালপিঁপড়েদের তেজ পরিষ্কার ফুটে বেরচ্ছে। বইয়ের একটিমাত্র ছবি, যেখানে ডেয়ে জল্লাদ বিকট হাঁ করে কালো পিপীলিদের গর্তের মুখে পাহারা দিচ্ছেন, রাত ক্রমে গভীর হয়ে আসছে, চারদিক থেকে অন্ধকার ঘিরে আসছে, ঝিঁঝিঁপোকারা ঝমঝম ডাকতে শুরু করেছে, জল্লাদের গা ছমছম করছে আর মনে হচ্ছে,
চক্ষু না দেখে তারে, কানে
নাহি শোনে
জানায় মন তারে আছে কোন্ কোণে,
থরথর কাঁপে পা, ঝরে
কালঘাম,
ঐ বুঝি করে হাঁ নাহি যার নাম।
Laal kaalor ekta sequal achhe. Kaalo kaalo. Narayan Sanyal-er. Oshadharon na. Tobe interesting concept.
ReplyDeleteতাই বুঝি? দেখব তো। থ্যাংক ইউ, অর্পণ।
DeleteArre arre, LalKalo amar bheeshon priyo boi! Class three te ekbar ishkooler annual function ey LalKalo natok hoechilo. Amay kalo bou er part dewa hoechilo. Bheeshon dorod diye "gorol bhokhibo ami, tejibo poran"gochher dialogue bola hoechilo, mone achhe. Tarpor ar jay kotha, baki bochhor ishkooler snirite, mathey, classroom ey amay dekhlei besh kichu classmate " jole dheu samle cholo" bole uthto. :(
ReplyDeleteসর্বনাশ, অবান্তরের চেনাদের মধ্যে একজন কালো বউ ঘাপটি মেরে আছে তো জানতাম না! কী ভালো ব্যাপার! আমার তোমার ওপর রেসপেক্ট বেড়ে গেল বিম্ববতী।
DeleteE boita ami porini..porte hobe dekhchi..tobe narayan sanyal amar khub priyo..poshu-pakhi nie eto sundor kichu boi likhechen..obhabeo lekha jai na porle jantei partam na..ullekhyo "na-manuser kahini"..
ReplyDeleteঠিক বলেছ হংসরাজ, নারায়ণ সান্যালের পশুপাখি নিয়ে লেখাগুলো চমৎকার। তুমি পারলে লালকালো পড়ে দেখো।
Deleteআরে দারুণ তো ? সংগ্রহ করতে হচ্ছে ।
ReplyDeleteমিঠু
অবিলম্বে সংগ্রহ করে পড়ে ফেলো, মিঠু। ঠকবে না।
DeleteEta reprint howar por prothom sujog-eikinechhilam aar chhotobelay pora pray bhenge jawa patagulo niye bosar motoi moja peyechhilam. Se boita kaar chhilo kothay pora mone nei. Tabe takhon ami chhilam 7 aar tomar kachhe je print ta aachhe seta kine porar samay aami chhilam 37.
ReplyDeleteE ek ajob boi. Porle bojha jay lekhak katota mon diye dekhechhen pipreder jibonke.
সিরিয়াসলি, কৌশিক। বিজ্ঞানী তো, তাই পর্যবেক্ষণ এমন ভালো। তবে হাতের তারখানাও কেমন বলুন? আমি তো শেষ করে টেবিলেই ফেলে রেখেছি, বুককেসে তুলিনি। মাঝেমাঝেই নেড়েচেড়ে দেখছি। একবার মনে হচ্ছে গিরগিটি ভালো, আরেকবার মনে হচ্ছে ডেয়ে জল্লাদ বেস্ট, আবার লাস্ট পাতায় যখন কলমি ডাঁটার সারঙের তার মুচড়ে কটকটি ব্যাং গান ধরছেন, তখন মনে হচ্ছে তাঁকে মাত করার সাধ্য কারও নেই।
DeleteAar Narayan Sanyal-er boi gulo onek beshi scientific, informative kintu oi bhasha ....
ReplyDeleteসাজে সাজে সাজে রে রঙ্গিলা পিঁপিড়ি,
বাজে কাড়া-নাকাড়া ডা ড়া ড়া, ডি ড়ি ড়ি।
ড়-er erokom sarthok proyog tatei to aha aha kore othe mon
এক্কেবারে একমত, কৌশিক।
DeleteAre! Eta to khuuuuuuuuuuub priyo boi amar :-)
ReplyDeleteইস, আপনারা সবাই 'লালকালো'র কথা জানতেন সায়ন, আমিই খালি হাঁদার মতো...যাই হোক, বেটার লেট দ্যান নেভার। এই বইটা একবার পড়লে প্রিয় বইয়ের লিস্টে ঢুকে যেতে বাধ্য।
Deleteআমিও হাঁদার দলে ।কিনতেই হবে ।
Deleteমিঠু
অ্যাবসলিউটলি, মিঠু। বইটা একটা অ্যাসেট।
Delete"Lalkalo" amar meyer jonye kinechhilam... ar takhoni ami porechhilam... tobe arekbar mone korie debar jonye onek dhonyobad. arekta kotha , amar ma er moton bhulomon/onyomonsko arekjoner kotha pore khusi hoe gelam. :-)
ReplyDeleteওহ, আপনার মা-ও ভুলোমন, ইচ্ছাডানা? তার মানে তো বাড়িতে গল্পের অভাব নেই। ভেরি গুড।
Deleteওই কাঁকুড়শিঙে মাছটা যে আদতে কী মাছ এটা জিজ্ঞেস করে করে আমি বাড়ির লোকেদের পাগল করে দিয়েছিলাম ...
ReplyDeleteযদিও সবে পড়ে উঠেছি তবু কাঁকুড়শিঙে মাছের কথাটা কোথায় লেখা আছে মনে করতে পারছি না, অদিতি। মাছটা কী সেটা আমারও জানতে ইচ্ছে করছে।
Deleteje chabita diechish prathame ,otar modhyei dekhchi toh! tinni
Deleteওহ, ওই কবিতাটায়। আমি ভাবছিলাম গল্পে কাঁকুড়শিঙে এল কোত্থেকে।
Deleteঅনবদ্য। তোমার মাকে বলোনা, আমাকে এক কপি ডাকে পাঠিয়ে দিতে। এই দুর্ধর্ষ বইটার খোঁজ যে আগে পাইনি তার জন্য আমি লজ্জিত। এটাও হতে পারে যে, তিনি কিনে আমায় ফোন করলেন, আর আমি দৌড়ে গিয়ে নিয়ে এলাম। এই অসাধারণ বইটার দাম কত?
ReplyDeleteমূল্য মাত্র ষাট টাকা, মালবিকা। আমি মাকে বলব, তবে এটা মাও পাড়া থেকেই কিনেছেন মনে হয়, পেতে কোনও অসুবিধে হবে না। বইটা পড়লে ভালো লা লেগে যায় না, গ্যারান্টি।
DeleteTomar dwitiyo ma dekchi bhari mojar manush. sunglass pore jama tulte jawar concept ta highly original ebong worth applying.
ReplyDeleteerom je akjon bhodrolok erom akta boi likhechilen tar kono idea chilo na. vaggis tumi share korle.
বইটা পেলে পোড়ো, কুহেলি। ভীষণ মজার। আমার দু'নম্বর মায়ের মতো।
DeleteMaa amar class x abdi boier malate pratham sreni likheche keu samne na thakle...orakam bhulo amar dharana bhai kichuta!!! Tinni
ReplyDeleteLaalkalo jaldi hastagato korte hobe mone hocche.tinni
Deleteসেটা আমারও ধারণা তিন্নি। অর্চিষ্মান মায়র থেকে এই অন্যমনস্কতাটা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। লালকলো অবিলম্বে হস্তগত কর।
Deleteগুগল প্লে স্টোর থেকে ই-বুক হিসেবে পেতে পারেন। ৪৯টাকা দাম। লিংক টা নিচে দিলাম।
ReplyDeletehttps://play.google.com/store/books/details/Girindrasekhar_Bose_%E0%A6%B2_%E0%A6%B2_%E0%A6%95_%E0%A6%B2_Lal_Kalo_Bengali?id=K0JbBAAAQBAJ
এই লিংকটা ভয়ানক লোভনীয়, থ্যাংক ইউ, সৌগত।
DeleteAmi bhagyoban je ei boita age porechi. E ek osadharon boi. Porenni age ? Duo duo.. Ebar ami jitechi. Khoma korben, ektu gorbo korbar lobh samlate parlam na. Boi ta pore amar kintu mone hoyechilo je laal pipre ra saheb ar kalo pipre ra amra, abong ei boi er modhye sukho bhabe ekta jatiotabodh er sutro ache. Jani na ar karor eta mone hoyeche ki na. Ei prosonge mone porlo, Nabarun Bhattachaya -r "Kaangal Malsat" boi te ei boi re besh koek ta ullekh ache, bisesesh kore "Oi bujhi h(n)a kore, nahi jaar naam"
ReplyDeleteআরে বই পড়ার যুদ্ধ হলে আমি অবান্তরের বেশিরভাগ পাঠকের কাছেই হেরে ভূত হব, সে নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ নেই, ঘনাদা। কাজেই রাগ করার কোনও প্রশ্নই নেই। বইটা সত্যিই ভালো। আমি অবশ্য লালকালো নিয়ে আপনি যেটা বললেন সেভাবে ভেবে দেখিনি, তবে হতেই পারে।
Deleteami naam shunechilam, porar utsah paini je kono karonei hok, tomar lekhata pore wishlist e rekhe dilam, firei kine felbo, e boi e book pora crime.
ReplyDeleteহ্যাঁ হ্যাঁ, প্রদীপ্তা, কিনেই পোড়ো। আমিও তাই বলি। ভালো লাগবেই।
DeleteEi boita pora hoyni, kintu naam shunechhi. Jogar kore porar cheshta korte hobe.
ReplyDeleteআমার মতো আপনিও এই বইটা জোগাড়ের দায়িত্ব বাবামায়ের ঘাড়ে চাপান, সুগত। পরের বার দেশে এসে নিয়ে যাবেন।
Deleteei boita porechi... :) onek age porechilam maa school er library theke enechilo... bhaulei gechilam.. khub moja laglo etodin por eirokom ekta sutre boi ta dekhe...
ReplyDeleteবইটা কি ভালো না, ঊর্মি?
DeleteBoi ta porini, tobe tomar review porar por make jogarer dayitto diye diyechhi.. R tomar onyo mayer golpo gulo besh mojar laglo.. Pore aro likho. :)
ReplyDeleteএটা খুবই কাজের কাজ করেছ, চুপকথা। বইটা বাড়িতে থাকা দরকার। দু'নম্বর মায়ের কথা এবার একটুআধটু ফাঁস করতে হবে অবান্তরে।
DeleteAneeeeek din por elam.. ese aj e sobkota post porte bosechi...
ReplyDeleteLalkalo boi tar kotha jantam na... Amar pola ta toh ingrejer baccha... Rhymes bole... Oke pore sonabo... Nijeo potbo...
আরে ভট্টা যে। পুজোর বাজার কমপ্লিট? বইটা পেলে কিনে নিস, টুকটুক এখন মজা না পেলেও পরে পাবে, আর তুই এখনই পাবি। দেদার মজা।
Delete